ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখনই ১৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার কিনছে ভোক্তারা ২৫০০-তে, নতুন প্রস্তাবে দাম ছাড়াতে পারে ৪ হাজার
অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থায় বাংলাদেশ
পে ফিক্সেশনের পর এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন সুখবর
পিঠা, পুরি, পেঁয়াজু থেকে রেস্তোরাঁ—খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক
জয়পুরহাটে আলুর পর কলায়ও লোকসান গুণছেন চাষিরা
স্বর্ণের দাম কমল
ইইউতে বাংলাদেশের পোশাকের বাজার দখলে নিচ্ছে চীন-ভিয়েতনাম
কুরবানির জন্য প্রস্তুত ‘নেইমার’, দাম ১২ লাখ
মাথার সামনের চুলের স্টাইল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমারের মতো হওয়ায় শখ করে ষাঁড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘নেইমার’।
সাড়ে তিন বছর ধরে ষাঁড়টিকে যত্ন ও ভালোবাসায় লালন-পালন করেছেন যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের ডাঙ্গামশিয়াহাটি গ্রামের নিরঞ্জন পাঁড়ের ছেলে দেবু পাঁড়ে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে গিয়ে দেখা যায়, ‘নেইমার’ নামের বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি দড়ি ছাড়াই খামারে ঘোরাঘুরি করছে। ফেলেক্সভি জাতের প্রায় এক হাজার ৩০০ কেজি ওজনের এ ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
শান্ত স্বভাব, সুউচ্চ দেহ, আকর্ষণীয় গঠন ও মাথার সামনের ঘন চুলের কারণে অন্য গরুর তুলনায় সহজেই আলাদা করে নজর কাড়ছে ‘নেইমার’।
খামারি নিরঞ্জন পাঁড়ে জানান, মাথার সামনের চুলের স্টাইল অনেকটা
নেইমার জুনিয়রের মতো হওয়ায় তার ছেলে শখ করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘নেইমার’। তিনি বলেন, আশা করছি কুরবানির আগমুহূর্তে পছন্দমতো দাম পাব।বর্তমানে ১২ লাখ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে, তবে দরদামের সুযোগ রয়েছে। জানা গেছে, প্রায় পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি উচ্চতার ষাঁড়টির ওজন প্রায় এক হাজার ৩০০ কেজি। প্রতিদিন তাকে প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকার খাবার খাওয়ানো হয়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে খৈল, ভুসি, খড়, ভুট্টার গুঁড়া, দেশি সবুজ ঘাস এবং পরিমাণমতো চালের খুদ দিয়ে রান্না করা ভাত। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে বড় করা হয়েছে। মোটাতাজাকরণের জন্য কোনো ধরনের ইনজেকশন বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। ফলে কুরবানির পশু হিসেবে এটি ক্রেতাদের কাছে
বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তহীদুল ইসলাম জানান, তিনি ইতোমধ্যে দুইবার ষাঁড়টি পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ষাঁড়টি খোলা পরিবেশে পালন করা হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়েছে।
নেইমার জুনিয়রের মতো হওয়ায় তার ছেলে শখ করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘নেইমার’। তিনি বলেন, আশা করছি কুরবানির আগমুহূর্তে পছন্দমতো দাম পাব।বর্তমানে ১২ লাখ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে, তবে দরদামের সুযোগ রয়েছে। জানা গেছে, প্রায় পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি উচ্চতার ষাঁড়টির ওজন প্রায় এক হাজার ৩০০ কেজি। প্রতিদিন তাকে প্রায় এক হাজার ৫০০ টাকার খাবার খাওয়ানো হয়। খাদ্যতালিকায় রয়েছে খৈল, ভুসি, খড়, ভুট্টার গুঁড়া, দেশি সবুজ ঘাস এবং পরিমাণমতো চালের খুদ দিয়ে রান্না করা ভাত। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে বড় করা হয়েছে। মোটাতাজাকরণের জন্য কোনো ধরনের ইনজেকশন বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। ফলে কুরবানির পশু হিসেবে এটি ক্রেতাদের কাছে
বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। অভয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তহীদুল ইসলাম জানান, তিনি ইতোমধ্যে দুইবার ষাঁড়টি পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ষাঁড়টি খোলা পরিবেশে পালন করা হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়েছে।





