ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের
মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস
বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের ভূমিকা তদন্তের দাবি, ওয়াশিংটনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর Newsmax-এ বিশেষ কলাম
শ্রমিক আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থানে সরকারঃ পুলিশ ও দলীয়কর্মী ছাড়াও ২৫ প্লাটুন যৌথ বাহিনী মোতায়েন
বাপে মারছে সৈনিক, মায়ে মারছে কৃষক, পোলায় মারছে শ্রমিক’—এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। গতকাল মঙ্গলবারও এসব এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। আজ বুধবার সকালেও গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জে নতুন করে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্পাঞ্চলগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গাজীপুরে হামলায় গুরুতর আহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন। সোমবার গাজীপুরের জয়দেবপুরের বাহাদুরপুর এলাকায় নোমান টেরি টাওয়েল মিলসের সামনে সংঘর্ষের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করার সময় হামলার শিকার হন তিনি। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি গাজীপুরের লায়লা স্টাইল লিমিটেডের শ্রমিক ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর পর গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকার কয়েকটি কারখানায় গতকাল ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজারদরে প্রচলিত ন্যূনতম মজুরিতে সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বাড়িভাড়া, খাবার, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সংকটে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। এ অবস্থায় মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে হয়রানি, শ্রমিকদের ওপর হামলা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় চাকরিচ্যুতির অভিযোগেরও প্রতিকার চাইছেন শ্রমিকরা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার সাইনবোর্ড, বাংলাবাজার ও মির্জাপুর এলাকায় দুই থেকে চার হাজার শ্রমিক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। জয়দেবপুর, সালনা, রাজেন্দ্রপুর ও শফিপুর এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বাংলাবাজার ও কাশিমপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। গাজীপুরের বোর্ডবাজারের বড়বাড়ী এলাকাতেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। তাঁদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর পর বাংলাবাজার এলাকার কয়েকটি কারখানায় বুধবারও ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে কতটি কারখানা বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সাভারের হেমায়েতপুরেও আজ সকালে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। শ্রমিকদের অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার হেমায়েতপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। দুপুর থেকে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলা অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পরে শ্রমিকরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়ও আজ বুধবার নতুন করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কের পাশে কুতুবাইল কাঠেরপুল এলাকায় জড়ো হন কয়েকটি কারখানার শ্রমিক। তাঁরা মূল সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাঁদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ছোড়া টিয়ার গ্যাসে স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাজধানীর মিরপুরেও গতকাল মঙ্গলবার শ্রমিকদের বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে কালশী সড়কে এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের কারণে মেট্রোরেল চলাচলেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। নিরাপত্তার কারণে মিরপুর-১০ স্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা ট্রেন থামানো বন্ধ রাখা হয়। আজ বুধবার মিরপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের দাবি, বুধবার শ্রমিকদের সড়কে নামার সুযোগ হয়নি এবং অনেক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলছে। এদিকে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দৈনিক বাংলার প্রকাশিত বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার ৩০৬টি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৩ শ্রমিকের কাজ ব্যাহত হয়। এর আগে ১ নভেম্বর ৫২৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছিল এবং কর্মস্থল ছেড়েছিলেন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৯০ জন শ্রমিক। অর্থাৎ আন্দোলনের প্রভাবে একাধিক শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ বুধবার সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে মোট ২৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, সাভারের হেমায়েতপুর, আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় পাঁচ প্লাটুন, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১৩ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছয় প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। এর পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও শিল্পাঞ্চলে টহল দিচ্ছেন। এদিকে শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ছয় সদস্যের এ বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বুধবার। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈয়দ আজাদ সোবহানি। মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন এ বি এম সামসুদ্দিন ও আসিব আইয়ুব। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাবুল আক্তার ও আনোয়ার হোসেন। শ্রমিকদের প্রত্যাশা, নতুন মজুরি বোর্ড দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে। তবে বোর্ড গঠনের পরও আন্দোলন থামেনি; বরং রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন, সরবরাহ ও রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একদিকে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের ক্ষোভ, অন্যদিকে কারখানার উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার চাপ—সব মিলিয়ে তৈরি পোশাক খাতের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহান চৌধুরীঃ ২৭ মাস সমঝোতা করেও শেষ রক্ষা হলোনা শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টার
বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ঘুস বন্ধ হওয়ায় অনেকের কাজের গতি কমে গেছে
ঘুস বন্ধ হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মাচারী কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, ভূমি অফিস, পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য ও বিআরটিএসহ বিভিন্ন সেবামূলক দপ্তরে ঘুস বন্ধ হওয়ায় অনেকে কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছেন। আমি তাদেরকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তারা জনগণকে সেবা দিতে না পারলে চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজ করুক। জনগণের প্রত্যাশিত সেবা দিতে না পারলে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের আমরা প্রত্যাহার করে নেব। খুনি হাসিনাকে যেভাবে জনতা রিপ্লেসমেন্ট করেছে আপনাদেরও সেভাবে রিপ্লেসমেন্ট করা হবে।
সোমবার বিকালে খাগড়াছড়ি টাউন হলে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণায় শহিদ পরিবারের সঙ্গে
সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সিরাজগঞ্জ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও (ববি) মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে সমন্বয়করা বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য বিচ্যুত হতে দেবে না ছাত্র-জনতা। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তিন শহিদের বাড়িতে যান সমন্বয়করা। তারা শহিদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। এদিকে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের সফর কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে চিঠি দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। রোববার পুলিশ সদর দপ্তরের অপরারেশন্স শাখা থেকে এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরে অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ওভারসিস অ্যান্ড ইউএন অপারেশন্স) নাসিয়ান বায়ীজেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে র্যাব মহাপরিচালক; অতিরিক্ত আইজি হাইওয়ে, ট্যুরিস্ট
পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ ও বিশেষ শাখা (এসবি); সবগুলো মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার; বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি; সব জেলার পুলিশ সুপার এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপারেশন্স কন্ট্রোল রুম পুলিশ সদর দপ্তরকে এ নির্দেশ পালনের কথা বলা হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- খাগড়াছড়ি : মতবিনিময় সভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দিতে হবে। এ সরকারের বয়স মাত্র এক মাস। আপনারা সরকারকে সংস্কারের জন্য সময় দিন। সরকার মানুষের মাঝে আস্থা ফেরাবে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটা স্বাস্থ্য কাঠামো দাঁড় করাব যেখানে রাষ্ট্রপতি ও সাধারণ মানুষ এক জায়গা থেকে চিকিৎসা নেবে। এই কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, আপনারা দেখেছেন সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বন্যার সময়
আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংকট মোকাবিলা করেছি। আমরা রাস্তায় নেমে এসেছি। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো প্রশাসনের কাঠামোতে রয়ে গেছে। আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করব আপনারা ক্ষমতামুখী না হয়ে জনতামুখী হবেন। আপনারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ৫ আগস্ট জনগণের পাশে ছিল, মানুষ তা আজীবন মনে রাখবে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আন্দোলন পরবর্তী সময়েও কেউ আমাদেরকে বিভাজন করতে পারবে না। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ নতুনরূপে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। আমরা ছাত্র-জনতা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি সহ্য করব না। সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, খাগড়াছড়ির বাসিন্দা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রফিকুল ইসলামসহ জেলার সমন্বয়ক এবং সাধারণ নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। বরিশাল
: দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে ছাত্র-নাগরিকের মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ (ঢাবি), সানজানা আফিফা অদিতি (ঢাবি), এমএ সাঈদ (ঢাবি), রাইয়ান ফেরদৌস (ঢাবি), সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (বদরুন্নেসা কলেজ), হাসিবুল হোসেন শান্ত (এনএসইউ), মোবাশ্বেরা করিম মিমি (এআইইউবি), শহিদুল ইসলাম শাহেদ (ববি), তৌহিদ আহমেদ আশিক (শেকৃবি) ও জিহাদ হোসাইন (ঢাকা কলেজ)। এ সময় বক্তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশের ছাত্র-জনতা। এই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য অতীতের গণঅভ্যুত্থানের মতো বেহাত হতে দেব না। তাই দেশ সংস্কারে ছাত্রজনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মতবিনিময় শেষে কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কুমিল্লা ও দাউদকান্দি : বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকারগাওয়ের জাহিদ হাসান মাহিম, বারপাড়া ইউনিয়নের সুকিপুরের মো. রিফাত ও পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকার মো. বাবু। সোমবার দুপুরে ওই তিন পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল আলম ও রূপ মিয়া হোসেনসহ অন্যরা। এ সময় তারা শহিদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক হোসেন রাজ, মেহেদি হাসান সানী, দাউদকান্দির সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম শান্ত, মো. মিনহাজ, সাব্বির খান, শাকিল আহম্মেদ রিদওয়ান, মাহবুব তালুকদার প্রমুখ। এ সময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল হাসান বলেন, যারা রাষ্ট্রের জন্য, দেশের জন্য এতবড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন তারা যেন
তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু পায় আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেসব পরিবার তাদের সন্তান হারিয়েছে তারা কখনো একা নয়। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। রাবি : চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, জুলাই বিপ্লবের সুফলকে টেকসই ও দ্বিতীয় স্বাধীনতা সুসংহত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সংস্কার করা বেশি জরুরি বলে মনে করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। সোমবার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রণয়নে সরাসরি ও অনলাইনে মতামত নেওয়ার ঘোষণা জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে তারা। বার্তাটি পাঠিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী। সিরাজগঞ্জ : সোমবার বিকালে সিরাজগঞ্জ সরকারি ইসলামিয়া কলেজ মাঠে মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন সমন্বয়ক মো. মাহিন সরকার। তিনি বলেন, সারা দেশে এখনো চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, সিন্ডিকেট ভাঙেনি। কোনো পক্ষ, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, মামলা ব্যবসা এ ধরনের কাজ করবেন না। তিনি বলেন, আমরা কোনো পক্ষের দালালি করতে আসি নাই। আমাদের বন্দুকের ভয় অনেক আগেই দেখাইছে, আমরা সেই ভয় পাই না। সিরাজগঞ্জের ছাত্র প্রতিনিধি ফয়সালের সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য দেন কুবরাতুল আইন কানিজ, সাইফুল ইসলাম, মো. ইফতেখার আলিম আসাদ, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (মেহেদী), ফায়সাল আহমেদ, আল রাকিব, ফাতিন মাহদি, সাদিকুল ইসলাম স্বাধীন, ঐশিক মন্ডল জয়, ইমাম হোসাইন ইমন। এর আগে বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে আন্দোলনে শহিদদের পরিবার, আহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।
সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সিরাজগঞ্জ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও (ববি) মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে সমন্বয়করা বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য বিচ্যুত হতে দেবে না ছাত্র-জনতা। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তিন শহিদের বাড়িতে যান সমন্বয়করা। তারা শহিদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। এদিকে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের সফর কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে চিঠি দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। রোববার পুলিশ সদর দপ্তরের অপরারেশন্স শাখা থেকে এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরে অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ওভারসিস অ্যান্ড ইউএন অপারেশন্স) নাসিয়ান বায়ীজেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে র্যাব মহাপরিচালক; অতিরিক্ত আইজি হাইওয়ে, ট্যুরিস্ট
পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ ও বিশেষ শাখা (এসবি); সবগুলো মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার; বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি; সব জেলার পুলিশ সুপার এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপারেশন্স কন্ট্রোল রুম পুলিশ সদর দপ্তরকে এ নির্দেশ পালনের কথা বলা হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- খাগড়াছড়ি : মতবিনিময় সভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দিতে হবে। এ সরকারের বয়স মাত্র এক মাস। আপনারা সরকারকে সংস্কারের জন্য সময় দিন। সরকার মানুষের মাঝে আস্থা ফেরাবে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটা স্বাস্থ্য কাঠামো দাঁড় করাব যেখানে রাষ্ট্রপতি ও সাধারণ মানুষ এক জায়গা থেকে চিকিৎসা নেবে। এই কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, আপনারা দেখেছেন সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বন্যার সময়
আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংকট মোকাবিলা করেছি। আমরা রাস্তায় নেমে এসেছি। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো প্রশাসনের কাঠামোতে রয়ে গেছে। আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করব আপনারা ক্ষমতামুখী না হয়ে জনতামুখী হবেন। আপনারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ৫ আগস্ট জনগণের পাশে ছিল, মানুষ তা আজীবন মনে রাখবে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আন্দোলন পরবর্তী সময়েও কেউ আমাদেরকে বিভাজন করতে পারবে না। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ নতুনরূপে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। আমরা ছাত্র-জনতা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি সহ্য করব না। সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, খাগড়াছড়ির বাসিন্দা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রফিকুল ইসলামসহ জেলার সমন্বয়ক এবং সাধারণ নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। বরিশাল
: দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে ছাত্র-নাগরিকের মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ (ঢাবি), সানজানা আফিফা অদিতি (ঢাবি), এমএ সাঈদ (ঢাবি), রাইয়ান ফেরদৌস (ঢাবি), সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (বদরুন্নেসা কলেজ), হাসিবুল হোসেন শান্ত (এনএসইউ), মোবাশ্বেরা করিম মিমি (এআইইউবি), শহিদুল ইসলাম শাহেদ (ববি), তৌহিদ আহমেদ আশিক (শেকৃবি) ও জিহাদ হোসাইন (ঢাকা কলেজ)। এ সময় বক্তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশের ছাত্র-জনতা। এই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য অতীতের গণঅভ্যুত্থানের মতো বেহাত হতে দেব না। তাই দেশ সংস্কারে ছাত্রজনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মতবিনিময় শেষে কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কুমিল্লা ও দাউদকান্দি : বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকারগাওয়ের জাহিদ হাসান মাহিম, বারপাড়া ইউনিয়নের সুকিপুরের মো. রিফাত ও পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকার মো. বাবু। সোমবার দুপুরে ওই তিন পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল আলম ও রূপ মিয়া হোসেনসহ অন্যরা। এ সময় তারা শহিদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক হোসেন রাজ, মেহেদি হাসান সানী, দাউদকান্দির সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম, আতিকুল ইসলাম শান্ত, মো. মিনহাজ, সাব্বির খান, শাকিল আহম্মেদ রিদওয়ান, মাহবুব তালুকদার প্রমুখ। এ সময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল হাসান বলেন, যারা রাষ্ট্রের জন্য, দেশের জন্য এতবড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন তারা যেন
তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু পায় আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেসব পরিবার তাদের সন্তান হারিয়েছে তারা কখনো একা নয়। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। রাবি : চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, জুলাই বিপ্লবের সুফলকে টেকসই ও দ্বিতীয় স্বাধীনতা সুসংহত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সংস্কার করা বেশি জরুরি বলে মনে করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। সোমবার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রণয়নে সরাসরি ও অনলাইনে মতামত নেওয়ার ঘোষণা জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে তারা। বার্তাটি পাঠিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী। সিরাজগঞ্জ : সোমবার বিকালে সিরাজগঞ্জ সরকারি ইসলামিয়া কলেজ মাঠে মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন সমন্বয়ক মো. মাহিন সরকার। তিনি বলেন, সারা দেশে এখনো চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, সিন্ডিকেট ভাঙেনি। কোনো পক্ষ, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, মামলা ব্যবসা এ ধরনের কাজ করবেন না। তিনি বলেন, আমরা কোনো পক্ষের দালালি করতে আসি নাই। আমাদের বন্দুকের ভয় অনেক আগেই দেখাইছে, আমরা সেই ভয় পাই না। সিরাজগঞ্জের ছাত্র প্রতিনিধি ফয়সালের সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য দেন কুবরাতুল আইন কানিজ, সাইফুল ইসলাম, মো. ইফতেখার আলিম আসাদ, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (মেহেদী), ফায়সাল আহমেদ, আল রাকিব, ফাতিন মাহদি, সাদিকুল ইসলাম স্বাধীন, ঐশিক মন্ডল জয়, ইমাম হোসাইন ইমন। এর আগে বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে আন্দোলনে শহিদদের পরিবার, আহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।





