ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তার পথে ঐতিহাসিক মাইলফলক’ স্বীকার করলেন আমলারাই
জনাব চিফ হুইপ কি জানাবেন, ৮ মাসে বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করে উৎপাদনে যাওয়ার সায়েন্স কী?
নাটকীয় মোড়, অস্বীকারের পরে চ্যাটজিপিটি দিয়ে পোস্ট লিখে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের!
লালনের আখড়াবাড়িতে শক্তিশালী টাইম বোমা উদ্ধার, জোরদার নিরাপত্তা
রাস্তায় ‘লক্কর-ঝক্কর’ বাস চলতে না দিলে ১ নভেম্বর থেকে ধর্মঘট
বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র ইশরাকঃ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙতে বুলডোজার দিয়ে জুটেছিল মন্ত্রীত্ব, অস্ত্র নিয়ে বাহাদুরি দেখিয়ে হারাচ্ছেন সব
ডিএসসিসি প্রশাসক সালাম: চাঁদাবাজ বলতে কিছু নাই
সচিবালয় সরানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয়ে অফিস করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সচিবালয় স্থানান্তর প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় চিন্তা করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
প্রস্তাবে যা বলা হয়-
বাংলাদেশ সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থানে ১৭.৫৭ একর
জায়গায় মোট ১৩টি ভবন আছে, তারমধ্যে ৮টি ভবন স্বাধীনতা-পূর্বকালে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১ ও ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবনগুলো ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালে এবং ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মিত হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ওই স্থাপনাগুলোতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারযোগ্য পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশ-ব্লক নেই, ধারণক্ষমতার অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত হওয়ায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮.৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অফিস স্পেসের চাহিদা এবং সচিবালয়ের
কমপাউন্ডের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থান সংকুলানের জন্য আরও প্রায় ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন।
জায়গায় মোট ১৩টি ভবন আছে, তারমধ্যে ৮টি ভবন স্বাধীনতা-পূর্বকালে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১ ও ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবনগুলো ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালে এবং ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মিত হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ওই স্থাপনাগুলোতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারযোগ্য পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশ-ব্লক নেই, ধারণক্ষমতার অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত হওয়ায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮.৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অফিস স্পেসের চাহিদা এবং সচিবালয়ের
কমপাউন্ডের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থান সংকুলানের জন্য আরও প্রায় ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন।



