ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা সূচকঃ ২০ বছরে বেড়েছিল ৮.৫ পয়েন্ট, এক বছরেই কমলো ৬.২; নারীর রাজনীতিতে ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ কমেছে
‘আউটসোর্সিং’ করে নরসিংদী থেকে ‘ফ্রিল্যান্সার’ ভাড়ায় এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০
২৪ কোটি টাকা খরচ, ঝুলিতে মাত্র এক ব্রোঞ্জ
২২ ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসান আড়াই লাখ কোটি টাকা: খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা
পুঁজিবাজারে সূচকের সাথে সাথে কমেছে লেনদেনও: বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন- এখন নয়া দরবেশ কে?
কুর্দিস্তানের স্বপ্ন কি শেষ? ভূ-রাজনীতির চাপে কোণঠাসা কুর্দি স্বায়ত্তশাসন
“বাংলাদেশে অসাংবিধানিক, জবরদস্তিমূলক স্বৈরশাসন চলছে”, জেনেভায় মানবাধিকার সেমিনারে ইউরোপীয় সংসদ সদস্যের কড়া সমালোচনা
জুলাইতে আন্দোলন করে কোটা সংস্কারের পর পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের নারীরা
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পর মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিধি বেড়েছে। তবে এর সঙ্গে সরকারি চাকরিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।
২০২৪ সালের সংস্কারের পর সরকারি চাকরির ৯৩ শতাংশ পদ মেধার ভিত্তিতে এবং ৭ শতাংশ বিভিন্ন বিশেষ কোটায় পূরণের বিধান করা হয়। এ ব্যবস্থায় নারীদের জন্য আলাদা কোনো কোটা রাখা হয়নি।
সাম্প্রতিক বিসিএস নিয়োগের তথ্যেও নারীদের অংশগ্রহণ কমার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। আগের বিভিন্ন বিসিএসে নারী প্রার্থীদের নিয়োগের হার তুলনামূলক বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক নিয়োগে তা প্রায় এক-পঞ্চমাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
সরকারি চাকরিতে বর্তমানে নারীর সামগ্রিক অংশ প্রায় ২৯ শতাংশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘মেধাভিত্তিক নিয়োগ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু নারী ও পুরুষের
প্রতিযোগিতার পেছনের সামাজিক বাস্তবতা এক নয়। পরিবারের দায়িত্ব, নিরাপদ যাতায়াত, প্রস্তুতির সুযোগ ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক নারী শুরু থেকেই পিছিয়ে থাকেন।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এক-দুটি পরীক্ষার ফল দিয়ে প্রবণতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কয়েকটি বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগের তথ্য বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।’ সংশ্লিষ্টদের মতে, নারী কোটা পুনর্বহাল করা হবে কি না, সেটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। তবে কোটা সংস্কারের প্রভাব মূল্যায়নে নারী-পুরুষের নিয়োগের হার, আবেদনকারী ও উত্তীর্ণের অনুপাত এবং অঞ্চলভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নারীদের প্রতিযোগিতায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশে সহায়ক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
প্রতিযোগিতার পেছনের সামাজিক বাস্তবতা এক নয়। পরিবারের দায়িত্ব, নিরাপদ যাতায়াত, প্রস্তুতির সুযোগ ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক নারী শুরু থেকেই পিছিয়ে থাকেন।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এক-দুটি পরীক্ষার ফল দিয়ে প্রবণতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কয়েকটি বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগের তথ্য বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।’ সংশ্লিষ্টদের মতে, নারী কোটা পুনর্বহাল করা হবে কি না, সেটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। তবে কোটা সংস্কারের প্রভাব মূল্যায়নে নারী-পুরুষের নিয়োগের হার, আবেদনকারী ও উত্তীর্ণের অনুপাত এবং অঞ্চলভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নারীদের প্রতিযোগিতায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশে সহায়ক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।



