ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বাস্থ্যখাতে ৩ হাজার কোটি টাকার ‘বিশেষ’ প্রকল্প: ভ্রমণ-গাড়ি ক্রয় হাজার কোটির, পরামর্শকের পকেটে ৩২২ কোটি!
এ যেন আরেক জুলাইঃ ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র মিরপুর-১০, পুলিশের উপর হামলা-গাড়িতে আগুন
বেলুচিস্তানে বিদ্রোহী নারী যোদ্ধা ইউনিটের প্রথম সশস্ত্র অভিযান, ৯ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএফের
তৃতীয় দফায় বাড়ল শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ব্যয়: ৯৯.৯৩% কাজ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি খরচ ৮৪৮ কোটি টাকা
বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’ খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সকাল থেকে এনআইএ-র অভিযান
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাঃ “থলে ভরা টাকা খরচ করেও থালা ভরে না”
“অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৩০০ বইয়ের পিডিএফ উন্মুক্ত করলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা
দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ম্যানসিটি বলল, ‘এটা প্রিমিয়ার লিগের ষড়যন্ত্র’
আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায়কে ‘প্রিমিয়ার লিগের ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে এর কড়া জবাব দিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির প্রধান নির্বাহী ফেরান সোরিয়ানো। গত মঙ্গলবার তিনি জানান, আপিলের মাধ্যমে তার ক্লাব অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হবে।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একটি স্বাধীন কমিশন ম্যানচেস্টার সিটিকে সবকটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তবে সাবেক প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা এই রায়ের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আপিল করার ইচ্ছা প্রকাশ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
ম্যানচেস্টার সিটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় প্রিমিয়ার লিগের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান সোরিয়ানো।
তিনি বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগ কমিশনের একটি মতামত জনসমক্ষে এসেছে, যা আমাদের স্বার্থের পরিপন্থী।’
‘আমি ঠিক
ব্যাখ্যা করতে চাই ঘটনাটি কী, পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হতে যাচ্ছে এবং কীভাবে আমরা ক্লাবের আত্মপক্ষ সমর্থন অব্যাহত রাখব ও এই প্রক্রিয়ায় অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হব।’ আপিল ব্যর্থ হলে রেলিগেশনের মুখে পড়তে পারে সিটি। অন্যান্য শাস্তির মধ্যে বড় অঙ্কের পয়েন্ট কর্তন বা বিশাল জরিমানাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ২০০৮ সালে আবুধাবি ভিত্তিক মালিকানা নেওয়ার পর থেকে জেতা আটটি ইংলিশ শিরোপাও খোয়া যেতে পারে তাদের। অভিযোগগুলো খারিজ করার জন্য প্রিমিয়ার লিগকে ‘অখণ্ডনীয়’ প্রমাণ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে সোরিয়ানো সিটির অবস্থানের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এতদিন ধরে চলছে যে আমাদের নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, আমাদের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের পুরো মামলাটি একটি
ভিত্তিহীন অভিযোগের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অভিযোগটি হলো—আবুধাবির কয়েকজন স্পন্সরের মাধ্যমে কোনোভাবে ও গোপনে ক্লাবে মালিকের ব্যক্তিগত অর্থ ঢালা হয়েছে।’ ‘এটি একদমই সত্য নয়। প্রিমিয়ার লিগ কমিশনকে অখণ্ডনীয় প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, যা দেখায় যে এটি ঘটা সম্ভব ছিল না এবং তা ঘটেনি।’ ‘এর মধ্যে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, অর্থ স্থানান্তর, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে টাকা মালিকের কাছ থেকে আসেনি। আমাদের বিরুদ্ধে আনা এবং আক্রমণাত্মকভাবে প্রচার করা অন্যান্য প্রতিটি মিথ্যা অভিযোগ এসেছে ওই একটি সরল, মূল ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ থেকেই।’ সোরিয়ানো জানান, প্রিমিয়ার লিগের রায়টি যে ‘ত্রুটিপূর্ণ’, তা প্রমাণ করতে সিটির আইনি দল দ্রুত মাঠে নামবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ও আমাদের
আইনজীবীদের জন্য আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় দুই বছর পর প্রিমিয়ার লিগ কমিশন এমন একটি মতামত দিয়েছে যা তাদের ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্বকেই সমর্থন করে।’ ‘এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে কমিশনকে ক্লাবের দেওয়া বিস্তৃত প্রমাণগুলো পুরোপুরি উপেক্ষা করতে হয়েছে, যা স্পষ্টতই ভুল। আমাদের আইনজীবীরা এখন একটি আপিল দায়ের করবেন যেখানে তুলে ধরা হবে যে এই মতামতে আইন, নীতি ও তথ্যের মারাত্মক ভুল রয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই নির্ভরযোগ্য নয়।’ এর আগে ২০২০ সালে আর্থিক ফেয়ার প্লে (এফএফপি) নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য উয়েফা কর্তৃক আরোপিত দুই বছরের ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা স্পোর্টস আর্বিট্রেশন কোর্টে (সিএএস) গিয়ে সফলভাবে খারিজ করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আমরা আগেও
এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। ২০২০ সালেও একই ধরনের অনেক বিষয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায় রায় দেওয়া হয়েছিল। আমরা একটি স্বাধীন সংস্থা সিএএস-এ আপিল করেছিলাম এবং জিতেছিলাম।’ ‘আমরা এবারও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। মামলায় জিততে আমরা স্বাধীন আপিল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্ত আইনি ব্যবস্থার ওপর জোর দেব। ক্লাবকে রক্ষা করতে এবং বর্তমানে বা ভবিষ্যতে এর ক্ষতি করার চেষ্টা করা যেকোনো পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেব।’ ‘খুব শিগগিরই আমরা অতীতের দিকে তাকাব এবং এটিকে আমাদের ইতিহাসের এমন আরেকটি অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করব, যখন আমরা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে একসঙ্গে তা জয় করেছিলাম।’
ব্যাখ্যা করতে চাই ঘটনাটি কী, পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হতে যাচ্ছে এবং কীভাবে আমরা ক্লাবের আত্মপক্ষ সমর্থন অব্যাহত রাখব ও এই প্রক্রিয়ায় অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হব।’ আপিল ব্যর্থ হলে রেলিগেশনের মুখে পড়তে পারে সিটি। অন্যান্য শাস্তির মধ্যে বড় অঙ্কের পয়েন্ট কর্তন বা বিশাল জরিমানাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ২০০৮ সালে আবুধাবি ভিত্তিক মালিকানা নেওয়ার পর থেকে জেতা আটটি ইংলিশ শিরোপাও খোয়া যেতে পারে তাদের। অভিযোগগুলো খারিজ করার জন্য প্রিমিয়ার লিগকে ‘অখণ্ডনীয়’ প্রমাণ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে সোরিয়ানো সিটির অবস্থানের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এতদিন ধরে চলছে যে আমাদের নিজেদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, আমাদের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের পুরো মামলাটি একটি
ভিত্তিহীন অভিযোগের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অভিযোগটি হলো—আবুধাবির কয়েকজন স্পন্সরের মাধ্যমে কোনোভাবে ও গোপনে ক্লাবে মালিকের ব্যক্তিগত অর্থ ঢালা হয়েছে।’ ‘এটি একদমই সত্য নয়। প্রিমিয়ার লিগ কমিশনকে অখণ্ডনীয় প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, যা দেখায় যে এটি ঘটা সম্ভব ছিল না এবং তা ঘটেনি।’ ‘এর মধ্যে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, অর্থ স্থানান্তর, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে টাকা মালিকের কাছ থেকে আসেনি। আমাদের বিরুদ্ধে আনা এবং আক্রমণাত্মকভাবে প্রচার করা অন্যান্য প্রতিটি মিথ্যা অভিযোগ এসেছে ওই একটি সরল, মূল ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ থেকেই।’ সোরিয়ানো জানান, প্রিমিয়ার লিগের রায়টি যে ‘ত্রুটিপূর্ণ’, তা প্রমাণ করতে সিটির আইনি দল দ্রুত মাঠে নামবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ও আমাদের
আইনজীবীদের জন্য আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রায় দুই বছর পর প্রিমিয়ার লিগ কমিশন এমন একটি মতামত দিয়েছে যা তাদের ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্বকেই সমর্থন করে।’ ‘এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে কমিশনকে ক্লাবের দেওয়া বিস্তৃত প্রমাণগুলো পুরোপুরি উপেক্ষা করতে হয়েছে, যা স্পষ্টতই ভুল। আমাদের আইনজীবীরা এখন একটি আপিল দায়ের করবেন যেখানে তুলে ধরা হবে যে এই মতামতে আইন, নীতি ও তথ্যের মারাত্মক ভুল রয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই নির্ভরযোগ্য নয়।’ এর আগে ২০২০ সালে আর্থিক ফেয়ার প্লে (এফএফপি) নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য উয়েফা কর্তৃক আরোপিত দুই বছরের ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা স্পোর্টস আর্বিট্রেশন কোর্টে (সিএএস) গিয়ে সফলভাবে খারিজ করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, আমরা আগেও
এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। ২০২০ সালেও একই ধরনের অনেক বিষয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায় রায় দেওয়া হয়েছিল। আমরা একটি স্বাধীন সংস্থা সিএএস-এ আপিল করেছিলাম এবং জিতেছিলাম।’ ‘আমরা এবারও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। মামলায় জিততে আমরা স্বাধীন আপিল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্ত আইনি ব্যবস্থার ওপর জোর দেব। ক্লাবকে রক্ষা করতে এবং বর্তমানে বা ভবিষ্যতে এর ক্ষতি করার চেষ্টা করা যেকোনো পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেব।’ ‘খুব শিগগিরই আমরা অতীতের দিকে তাকাব এবং এটিকে আমাদের ইতিহাসের এমন আরেকটি অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করব, যখন আমরা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে একসঙ্গে তা জয় করেছিলাম।’



