ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়
পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
বিদ্যালয় খুলছে পরশু, তীব্র গরম নিয়ে উদ্বেগ
স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খুলবে কবে?
পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখের বেশি
প্রায় ১০ লাখ প্রার্থীর সরকারি-বেসরকারি স্কুলে আবেদন
দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির আবেদন শেষ হয়েছে। এতে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছে।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মাউশির সূত্রমতে, এবার সরকারি-বেসরকারি ৩ হাজার ৮৭৮টি বিদ্যালয়ে আসন আছে ১১ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৩টি। কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গত সতেরো দিনে (শনিবার বিকাল ৪টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত) আবেদন করেছে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী।
মোট আসনের মধ্যে ৩ হাজার ১৯৮টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে আছে মোট ১০ লাখ ৭ হাজার ৬৭১টি আসন। এর বিপরীতে আবেদন
করেছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া সরকারি ৬৮০টি স্কুলে ১ লাখ ৮ হাজার ৭১৬টি সিটের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪টি। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে এবার ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর লটারির ফল প্রকাশ করা হবে। মাউশির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-আনুষ্ঠানিকভাবে লটারির সম্ভাব্য দিন ঠিক করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। এরপর ১২ ডিসেম্বর লটারির কার্যক্রম শেষে ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে বিশেষ কারণে এ তারিখে পরিবর্তন আসতে পারে। এ বছর ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা। টেলিটক সিম ব্যবহার করে এই ফি পরিশোধ করতে হবে। ডিজিটাল লটারির পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ভর্তি প্রক্রিয়া;
চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথম ধাপের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২২-২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভর্তি চলবে এবং দ্বিতীয় ধাপের তালিকা থেকে ভর্তি চলবে ২৬-৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
করেছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া সরকারি ৬৮০টি স্কুলে ১ লাখ ৮ হাজার ৭১৬টি সিটের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪টি। আবেদন প্রক্রিয়া শেষে এবার ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর লটারির ফল প্রকাশ করা হবে। মাউশির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-আনুষ্ঠানিকভাবে লটারির সম্ভাব্য দিন ঠিক করা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। এরপর ১২ ডিসেম্বর লটারির কার্যক্রম শেষে ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে বিশেষ কারণে এ তারিখে পরিবর্তন আসতে পারে। এ বছর ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা। টেলিটক সিম ব্যবহার করে এই ফি পরিশোধ করতে হবে। ডিজিটাল লটারির পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ভর্তি প্রক্রিয়া;
চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথম ধাপের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২২-২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভর্তি চলবে এবং দ্বিতীয় ধাপের তালিকা থেকে ভর্তি চলবে ২৬-৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।



