সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হুথি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা, যৌথ সহয়তা’র ‘মক্কা জোট’ যৌথ নিন্দা প্রকেশেই সীমিত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ October, ২০২৬

সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হুথি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা, যৌথ সহয়তা’র ‘মক্কা জোট’ যৌথ নিন্দা প্রকেশেই সীমিত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ October, ২০২৬ |
মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরামকোর দাহরানস্থ সদর দপ্তরে আগুন ধরে গেছে। ভবনের আশপাশে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা রয়টার্সকে জানিয়েছে ছয়টি সূত্র। চারটি সূত্র জানায়, ভবনটি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হুথিদের মিসাইল হামলা ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় আরামকোর সদর দপ্তর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং কমপ্লেক্সের একটি অংশে আগুন ধরেছে। ঘটনা সম্পর্কে জানা একজন ব্যক্তির বরাতে ব্লুমবার্গ জানায়, আগুন ইতিমধ্যে নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট নয়, আর আগুনের কারণ কী ছিল বা ভূপাতিত প্রজেক্টাইলের ধ্বংসাবশেষ থেকে আঘাত লেগেছে কি না, তা-ও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রয়টার্সের সূত্র জানায়, ভবনটিতে আঘাত লেগেছে, তবে সরাসরি আঘাত নাকি ধ্বংসাবশেষ থেকে, তা

পরিষ্কার নয়। আরামকোর পক্ষ থেকে কোনো সরকারি মন্তব্য বা নিশ্চিতকরণ আসেনি। বুধবার আরামকোর কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, দাহরানে প্রতিহত ও ধ্বংস করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো একটি আবাসিক এলাকায় পড়েছে। এ ঘটনার অল্প পরে সৌদি সিভিল ডিফেন্স রিয়াদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করে এবং রাজধানীতে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর আগে গত সপ্তাহান্তে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা হয়। রবিবারের নতুন হামলায় একজন নিহত ও প্রায় এক ডজন আহত হন বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তার আগের দিনের হুথি-দাবিকৃত হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৩০০-র বেশি আহত হয়েছিলেন। নিষ্ক্রিয় মক্কা জোট সাথীরা সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের এই

প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হয় ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট। এটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি-পাকিস্তান পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারিত রূপ। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তবে বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, নেটোর মতো সমন্বিত কমান্ড কাঠামো না থাকায় এই চুক্তি থেকে বড় ধরনের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব চুক্তির আওতায় “প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা” সক্রিয় করতে এবং হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবে দ্রুত সেনা মোতায়েনে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, তিন দেশ সম্মত সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সরবরাহ করবে এবং

তাদের দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করবে। পাকিস্তানের অবস্থান: চুক্তি সক্রিয় হওয়ার আগে সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলেন, ইয়েমেনের সংঘাত সৌদি আরবে ছড়ালে মক্কা চুক্তি অবশ্যই কার্যকর হবে। ফরেন পলিসির প্রতিবেদনে ওয়াশিংটনভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের এক অংশীদার উজাইর ইউনুসের বরাতে বলা হয়, পাকিস্তানের অবস্থান হলো, মক্কা চুক্তি থাকুক বা না থাকুক, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা হবেই। ইসলামাবাদের সূত্রের বরাতে তিনি দাবি করেন, চুক্তি সক্রিয় হওয়ার আগেই পাকিস্তান ইয়েমেনে সৌদি আরবকে বিমান, নৌ ও স্থল সহায়তা বাড়িয়েছে। তুরস্কের অবস্থান: তুরস্ক সীমিত ভূমিকার ইঙ্গিত দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৃহস্পতিবার বলেছেন, সৌদি আরবকে কীভাবে সহায়তা করা যায় তা তুরস্ক খতিয়ে দেখছে, তবে সেনা মোতায়েন ও আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশগ্রহণ

বাতিল করেছেন। কর্মকর্তারা আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আঙ্কারা মূলত প্রতিরক্ষামূলক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। এ ছাড়া তুরস্কের পার্লামেন্ট এখনো চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেনি, তাই সমর্থন এ পর্যন্ত মূলত দ্বিপাক্ষিক পর্যায়েই সীমিত। যৌথ সহয়তা’র অঙ্গিকার যৌথ নিন্দা’য় সীমাবদ্ধ: ১২ অক্টোবর তুরস্ক, পাকিস্তান, মিসর ও সৌদি আরব (আর-ফোর গ্রুপ) রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলাকে “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বিপজ্জনক উসকানি” বলে নিন্দা জানায়। তারা সৌদি আরবের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং হামলা মোকাবিলায় সৌদির সব “বৈধ পদক্ষেপে” পূর্ণ সমর্থন জানায়। বিবৃতিতে হুথিদের সব পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ী করা হয় এবং অবিলম্বে নিঃশর্ত হামলা বন্ধের দাবি জানানো হয়। হুথি হামলার পর পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক প্রতিক্রিয়া না আসায় চুক্তির

কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এপির বরাতে তুরস্ক ও পাকিস্তান জানিয়েছিল, চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে তারা কোনো সহায়তার অনুরোধ পায়নি। তবে এটি আল জাজিরা ও ফরেন পলিসির পরবর্তী প্রতিবেদনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যেখানে ৫ অক্টোবর চুক্তি সক্রিয়করণ ও সেনা মোতায়েনে সম্মতির কথা বলা হয়েছে। সর্বশেষ অবস্থা দাহরানের ঘটনা নিয়ে আজ (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত তুরস্ক, পাকিস্তান বা মক্কা প্যাক্টের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো বিবৃতি খুঁজে পাইনি। হামলার দায় কোনো পক্ষ স্বীকার করেছে কি না, তা-ও এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি দ্রুত বদলাচ্ছে, তাই নতুন তথ্য এলে খবরটি হালনাগাদ করা দরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের