সৈন্যদের যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ October, ২০২৬

সৈন্যদের যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ October, ২০২৬ |
যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান জেনারেল স্যার রোলি ওয়াকার বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক নেতারা খুব শিগগিরই যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের সঙ্গে “সরাসরি আলোচনা” শুরু করবেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিককে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে এবং দেশরক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে। নর্থ ইয়র্কশায়ারের ক্যাটারিক গ্যারিসনে প্রায় ৭০০ সেনাসদস্যের সামনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের এখন সৈন্যদের প্রয়োজন হবে। সৈনিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা এটা জানতেন না, কিন্তু জাতির আপনাদের দরকার হবে।” যুদ্ধ হলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে স্থলবাহিনীর কম অভিজ্ঞ ও তরুণ সৈন্যদের ওপর, এ কথাও তিনি মনে করিয়ে দেন। কার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি? বক্তব্যে জেনারেল ওয়াকার নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি কোনো বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ বা বেসামরিক নাগরিকদের

তাৎক্ষণিক সংগঠিত করার ঘোষণাও দেননি। তবে বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার দিকেই ইঙ্গিত দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। এই সপ্তাহে এমআই-ফাইভ প্রধান স্যার কেন ম্যাকক্যালাম রাশিয়াকে “এক নম্বর আগ্রাসী” বলে অভিহিত করেন। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে যুক্তরাজ্যে ইরান-সংশ্লিষ্ট নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ৫০ জনের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে। অর্থ ও জনসম্পৃক্ততার প্রশ্ন সেনাপ্রধানের মতে, জনগণকে ত্যাগ স্বীকারে রাজি করানো রাজনীতিকদেরই কাজ। প্রতিরক্ষা বাজেট কীভাবে জোগাড় হবে, তা সরকারের জন্য এখন বড় সমস্যা। প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৫০০ কোটি পাউন্ডের ঘাটতি পূরণের চাপে আছে মন্ত্রিসভা। জরুরি অবস্থায় প্রস্তুতির পরামর্শ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং জরুরি অবস্থা বা যুদ্ধের জন্য সাধারণ পরিবারগুলোকে ঘরে কিছু নগদ টাকা, বোতলজাত পানি ও টিনের খাবার মজুত রাখার

পরামর্শ দিয়েছেন। জাতীয় প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা শুরুর যে প্রতিশ্রুতি স্যার কিয়ার স্টারমার দিয়েছিলেন, তা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এর আগে জুলাই মাসে পার্লামেন্টে একটি তদন্ত শুরু হয়, যেখানে বেসামরিক নাগরিকরা যুদ্ধের জন্য কতটা প্রস্তুত এবং হামলা হলে জরুরি অবকাঠামো ও জনসেবা টিকে থাকবে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এ ধরনের সতর্কবার্তা শুধু যুক্তরাজ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ফ্রান্সের নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল ফাবিয়েন মান্দোঁ গত বছর সতর্ক করেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধে ফ্রান্সকে “সন্তান হারানোর” জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এতে দেশটির রাজনৈতিক মহলে তীব্র মতভেদ দেখা দেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের