ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর হস্তান্তর করল বিএসএফ
বাংলাদেশের মতো ভারতেও তারা সরকার বদল করতে চায়: রাজনাথ
ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য বিশেষ বরাদ্দ
রক্তের প্রয়োজন, আছেন সুমন
ছুটির দিনে যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
ধর্ম অবমাননার কথিত অভিযোগে হত্যার নেতৃত্বে ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা, বাড়ি-হাসপাতালে দু’দফা মব হামলা
বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য আসছে বাংলাদেশে
ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব
মহাষষ্ঠীতে ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। শুক্রবার সকালে মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় দেবীর পূজা ও আবাহনের আয়োজন। সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা আরও এগিয়ে যায়।
আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে মণ্ডপ ও মন্দিরের বেলতলায় ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা শুরু হয়। ষোড়শ উপচারে দেবী দুর্গার পূজা করেন ভক্তরা। এর আগে বোধনের মধ্য দিয়ে দেবীর নিদ্রাভঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। সন্ধ্যায় মূল মণ্ডপে দেবীকে আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণের বেলতলায় ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভক্তরা মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে দেবীকে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন।
চণ্ডীপাঠে মুখর ছিল মন্দির এলাকা। মন্দিরের পুরোহিত ধর্মদাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার ষষ্ঠীবিহিত পূজা হয়েছে। সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে দেবীকে মন্দিরে আমন্ত্রণ জানানো হবে। শনিবার মহাসপ্তমীতে সপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমায় চক্ষুদানের আনুষ্ঠানিকতাও এ সময়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এবার মহাসপ্তমী তিথি শনি ও রোববার দুই দিন বিস্তৃত হওয়ায় রোববারও সপ্তমীর বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার মহাঅষ্টমীতে সন্ধিপূজা ও কুমারী পূজা হবে। মঙ্গলবার মহানবমীর পূজা শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব। দুর্গোৎসব চলাকালে প্রতিদিন অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও ভোগ-আরতির আয়োজন থাকবে। এ ছাড়া দেশজুড়ে মণ্ডপে মণ্ডপে আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, নাটক ও নৃত্যনাট্যসহ
বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৩ হাজার ৩৫৫। সে হিসাবে এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৪৯৬টি। অন্যদিকে, ঢাকা মহানগরীতে এবার ২৫৮টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২৬১। রাস্তার ওপর পূজা আয়োজনের অনুমতি না পাওয়ায় এবার মহানগরীতে মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি কমেছে। দুর্গোৎসব ঘিরে ঢাকাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আনসার, এসআরবি ও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রায়
প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে।
চণ্ডীপাঠে মুখর ছিল মন্দির এলাকা। মন্দিরের পুরোহিত ধর্মদাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার ষষ্ঠীবিহিত পূজা হয়েছে। সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে দেবীকে মন্দিরে আমন্ত্রণ জানানো হবে। শনিবার মহাসপ্তমীতে সপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমায় চক্ষুদানের আনুষ্ঠানিকতাও এ সময়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এবার মহাসপ্তমী তিথি শনি ও রোববার দুই দিন বিস্তৃত হওয়ায় রোববারও সপ্তমীর বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার মহাঅষ্টমীতে সন্ধিপূজা ও কুমারী পূজা হবে। মঙ্গলবার মহানবমীর পূজা শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব। দুর্গোৎসব চলাকালে প্রতিদিন অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও ভোগ-আরতির আয়োজন থাকবে। এ ছাড়া দেশজুড়ে মণ্ডপে মণ্ডপে আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, নাটক ও নৃত্যনাট্যসহ
বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৩ হাজার ৩৫৫। সে হিসাবে এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৪৯৬টি। অন্যদিকে, ঢাকা মহানগরীতে এবার ২৫৮টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২৬১। রাস্তার ওপর পূজা আয়োজনের অনুমতি না পাওয়ায় এবার মহানগরীতে মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি কমেছে। দুর্গোৎসব ঘিরে ঢাকাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আনসার, এসআরবি ও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রায়
প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে।



