শেখ হাসিনার সরকারও নেই, ২ বছর ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র অ্যান্টিভেনম গবেষণা-উৎপাদন কেন্দ্র – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আরও খবর

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ক কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত

পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে সাড়ে ৬ কোটি ঘনফুট বালু তোলার অনুমতি পেল গায়েবি প্রতিষ্ঠান!

প্রতি মাসে মিলছে গড়ে ৫৭টি অজ্ঞাত মরদেহ, শনাক্ত করা যাচ্ছে না যথাযথভাবে

গ্যাস-বিদ্যুতে ভর্তুকির হিসাব মিলছে না, ২ মাসেই উধাও বরাদ্দের ৬০ ভাগ অর্থ

ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র ৭ মাসে বিএনপি নেতাদের দখলদারিত্ব ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কেউই

চাঁদা না দেওয়ায় ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও নিউ গ্রিনি প্রপার্টিজে হামলা-ভাঙচুর

‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৭ কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের পর ‘নাশকতা’ মামলা

শেখ হাসিনার সরকারও নেই, ২ বছর ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র অ্যান্টিভেনম গবেষণা-উৎপাদন কেন্দ্র

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ |
রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার মতো বিষধর সাপের বিষ থেকে অ্যান্টিভেনম (প্রতিষেধক) তৈরির গবেষণা হতো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ভেনম রিসার্চ সেন্টারে (ভিআরসি)। মাত্র চারটি সাপ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই গবেষণাকেন্দ্রে বর্তমানে ১০ প্রজাতির প্রায় ৪০০ সাপ রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে তৈরি অ্যান্টিবডি প্রাণীর শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করেও সফলতা পাওয়া গেছে। তবে গবেষণার সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এসে অর্থসংকটে পড়েছে দেশের একমাত্র এই ভেনম গবেষণাকেন্দ্র। গত দুই বছর ধরে ভিআরসিতে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। বিদেশ থেকে অ্যান্টিভেনম আমদানির চেয়ে দেশীয় প্রজাতির বিষধর সাপের বিষের প্রতিষেধক দেশে উৎপাদনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই গবেষণা কেন্দ্রটি চালু করা হয়। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে

এই গবেষণা কেন্দ্রটির ফান্ডও বন্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে কার্যক্রমও। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নিয়মিত অর্থায়ন বন্ধ থাকায় বেতন-ভাতা, সাপের খাবার ও গবেষণার উপকরণÑসব ক্ষেত্রেই সংকট তৈরি হয়েছে। ধারদেনা করে কোনোভাবে কয়েক’শ বিষধর সাপকে বাঁচিয়ে রাখা হলেও দ্রুত অর্থের ব্যবস্থা না হলে কেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন সাপগুলোকে বৈজ্ঞানিকভাবে নিধন করা ছাড়া উপায় থাকবে না বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা। জানা যায়, ২০১৮ সালের মার্চে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করে ভেনম রিসার্চ সেন্টার। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষধর সাপ সংগ্রহ, লালন-পালন, বিষ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং সেই বিষের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থানীয় সাপের বিষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ

অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণা চালিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে কেন্দ্রে প্রায় ৪০০টি বিষধর সাপ রয়েছে। এর মধ্যে রাসেলস ভাইপার, পদ্মগোখরা, খৈয়া গোখরা, কালকেউটে ও শঙ্খিনীসহ বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় শুরু হওয়া এই উদ্যোগে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা যুক্ত হন। স্থানীয় সাপের বিষ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের পাশাপাশি এর বিভিন্ন উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়। লক্ষ্য, বাংলাদেশের সাপের বিষের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অ্যান্টিভেনম তৈরির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তৈরি করা। সংশ্লিষ্ট গবেষকরা জানান, গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ ছিল রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার বিষ থেকে অ্যান্টিবডি তৈরি। ভেনম রিসার্চ সেন্টারে সংগৃহীত বিষ ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল ইমিউনিজেশন

ল্যাবে এ কাজ করা হয়েছে। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, তৈরি অ্যান্টিবডি প্রাণীর শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে। এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এটিকে এখনো চূড়ান্ত অ্যান্টিভেনম বা মানবদেহে ব্যবহারের উপযোগী ওষুধ বলা যাচ্ছে না। মানবদেহে ব্যবহারের আগে আরও গবেষণা, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। ভেনম রিসার্চ সেন্টারের সহযোগী গবেষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘রাসেল ভাইপারের অ্যান্টিভেনম নিয়ে কাজ করেছিলাম। সেটার যে লার্নিং আমাদের মধ্যে আছে, সেই লার্নিংগুলো যদি আমরা বাকি প্রজাতিগুলোর মধ্যে ব্যবহার করি, তাহলে দেখা গেছে আমরা আগের চেয়েও আরও সময়মতো একই কাজটা করতে পারব।’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গবেষণার জন্য শুরুতে পাঁচ বছর মেয়াদি

প্রকল্পে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সাপ সংগ্রহ, আবাসন, বিষ সংগ্রহ, গবেষণাগার ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় এই অর্থ ব্যবহার করা হয়। পরে রাসেলস ভাইপারের বিষ থেকে অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য দুই বছর মেয়াদি আরেকটি প্রকল্পে ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের অনুমোদিত অর্থের প্রায় ৬৫ শতাংশ পাওয়া গিয়েছিল। অর্থের একটি অংশ না পাওয়ায় গবেষণার শেষ ধাপ বাধাগ্রস্ত হয়। গবেষকদের দাবি, একসময় কেন্দ্রটি প্রতিবছর এক কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ পেত। তবে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নিয়মিত অর্থায়ন বন্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অপারেশনাল প্ল্যানের অর্থায়ন বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রমটি এখনো স্থায়ীভাবে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ফলে কেন্দ্রটির জন্য নিয়মিত সরকারি অর্থায়নের স্থায়ী কাঠামো তৈরি হয়নি। অর্থসংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে কেন্দ্রের সাপগুলোর খাবারে। প্রায় ৪০০ সাপের প্রধান খাবার ইঁদুর, যা কেন্দ্রেই পালন করা হয়। গবেষকদের হিসাবে, শুধু সাপের খাবারের পেছনেই মাসে এক লাখ টাকার বেশি প্রয়োজন হয়। ভেনম রিসার্চ সেন্টারের সহযোগী গবেষক মোহাম্মদ নোমান বলেন, ‘অর্থ সংকটে এখানকার স্টাফদের, আমরা যারা আছি, আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আগে যেভাবে শিডিউল করে খাবার দিত, তাতে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে অন্তত তারা সার্ভাইভ করে থাকতে পারে।’ গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক, রিএজেন্ট ও অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহেও সংকট তৈরি হয়েছে। অর্থের অভাবে নিয়মিত গবেষণা কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন

সংশ্লিষ্টরা। কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে সাপগুলোকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকা এসব সাপ বাইরে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে খাবার সংগ্রহ করতে পারবে না। বিষধর সাপ লোকালয়ে ছেড়ে দিলে মানুষের জন্যও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সহকারী গবেষক আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘এদের ছেড়ে দিলে তারা এখন খাবার সংগ্রহ করে খেতে পারবে না। সুতরাং এই সাপগুলো যে এলাকায় ছাড়া হবে, সে এলাকার জন্য একটা হুমকি তৈরি হবে। হয়তো বৈজ্ঞানিকভাবে সাপগুলোকে মেরে ফেলতে হতে পারে।’ গবেষকদের আশঙ্কা, কেন্দ্রটি বন্ধ হলে শুধু কয়েক শ সাপের সংগ্রহই নষ্ট হবে না, বছরের পর বছর ধরে সংগৃহীত ভেনম, গবেষণার তথ্য, নমুনা এবং গবেষকদের অর্জিত অভিজ্ঞতাও হারিয়ে যেতে পারে। কেন্দ্রের সমন্বয়ক ডা. আব্দুল্লাহ আল সাঈদ বলেন, ‘ভবিষ্যতে যদি এটি বন্ধ হয়ে যায়, আমরা যতটুকু এগিয়েছি, ভবিষ্যতে আবার যদি কোনোদিন এই পরিকল্পনাটা হাতে নিই, তাহলে আমাদের আবার জিরো থেকে শুরু করতে হবে। আর এতগুলো ভেনম যদি আমরা আমাদের গবেষণার কাজে, ভেনম তৈরির কাজে ব্যবহার করতে না পারি, তাহলে অর্থনৈতিকভাবেও অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবো।’ বাংলাদেশে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিভেনমের বড় অংশ আমদানিনির্ভর। গবেষকদের যুক্তি, ভৌগোলিক অবস্থানভেদে একই প্রজাতির সাপের বিষের গঠনেও পার্থক্য থাকতে পারে। ফলে বাংলাদেশের স্থানীয় সাপের বিষ ব্যবহার করে অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘এই কার্যক্রম যাতে বন্ধ না হয়, এটা বিশেষ থোক বরাদ্দের মাধ্যমে হোক কিংবা অন্য কোনোভাবে হোক, যেন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যায়। আমরা সাফল্যের একেবারে দ্বারপ্রান্তে আসছি। এই মুহূর্তে যদি কার্যক্রমটা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আবার নতুন করে শুরু করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে।’ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ বরাদ্দের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ভেনম রিসার্চ সেন্টারকে স্থায়ীভাবে রাজস্ব খাতের আওতায় আনা প্রয়োজন। কারণ কয়েক বছরের গবেষণা, শত শত বিষধর সাপের সংগ্রহ, ভেনমের নমুনা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা তৈরি করতে যে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়েছে, কেন্দ্রটি বন্ধ হলে তার বড় অংশই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ক্যাম্পাসের একটি পুরনো ভবনের নিচতলায় চলছে ভেনম রিসার্চ সেন্টারের কার্যক্রম। ‘ভেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রি-ক্লিনিক্যাল সেফটি অ্যান্ড এফিশিয়েন্সি স্টাডি অব টু নভেল মনোভ্যালেন্ট গোট আইজিজি অ্যান্ড চিকেন আইজিওয়াই অ্যান্টিভেনমস ফর দ্য ট্রিটমেন্ট অব রাসেলস ভাইপার এনভেনমিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত ‘অ্যানিমেল ইমিউনাইজেশন ল্যাব’ থেকেই দেশে প্রথম অ্যান্টিভেনম তৈরির গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে ভিআরসির যাত্রা শুরু হয়। সূত্র: দৈনিক সুপ্রভাত

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরেই ভারতের জার্সি তুলে রাখছেন কোহলি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ক কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত রাজনৈতিক বিবেচনায় বাদ পড়া প্রাথমিকের শিক্ষকদের ৫ দফা দাবিতে মাঠে নামার ঘোষণা সাফ টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাতে পারে ভারত পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে সাড়ে ৬ কোটি ঘনফুট বালু তোলার অনুমতি পেল গায়েবি প্রতিষ্ঠান! প্রতি মাসে মিলছে গড়ে ৫৭টি অজ্ঞাত মরদেহ, শনাক্ত করা যাচ্ছে না যথাযথভাবে গ্যাস-বিদ্যুতে ভর্তুকির হিসাব মিলছে না, ২ মাসেই উধাও বরাদ্দের ৬০ ভাগ অর্থ কিয়েভে রাশিয়ার হামলা, লক্ষ্যবস্তু ডাটা সেন্টার; ইন্টারনেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ইউক্রেন ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র ৭ মাসে বিএনপি নেতাদের দখলদারিত্ব ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কেউই জাতিসংঘে ল্যাভরভের হুঁশিয়ারি— দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করছে ন্যাটো চাঁদা না দেওয়ায় ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও নিউ গ্রিনি প্রপার্টিজে হামলা-ভাঙচুর শেখ হাসিনার সরকারও নেই, ২ বছর ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র অ্যান্টিভেনম গবেষণা-উৎপাদন কেন্দ্র ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৭ কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের পর ‘নাশকতা’ মামলা সময় টিভির বার্তা প্রধান বিএনপিপন্থী মুজতবার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগ গরু-ছাগলের মাংস থেকে পাঁচ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত শতাধিক, হাসপাতালে বাড়ছে রোগী প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন নিয়ে ক্ষোভ, বাদ পড়াদের বড় অংশ হিন্দু বলে অভিযোগ দলকে জিতিয়ে চোটে পড়লেন এমবাপে আওয়ামী লীগ নেই, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও ভূলুণ্ঠিত: পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের ইতিহাস চাপা দিতে ভাস্কর্যের বদলে বসছে পানির ফোয়ারা! মেসির বিদায়ের এখনই সেরা সময়: স্কালোনি বিএনপি নেতার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেয়ায় সড়কের পাশে টিকাদান, ভোগান্তিতে শিশু-মায়েরা