ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তৃতীয় দফায় বাড়ল শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ব্যয়: ৯৯.৯৩% কাজ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি খরচ ৮৪৮ কোটি টাকা
বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’ খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সকাল থেকে এনআইএ-র অভিযান
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাঃ “থলে ভরা টাকা খরচ করেও থালা ভরে না”
“অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বিক্রিতে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৩০০ বইয়ের পিডিএফ উন্মুক্ত করলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা
২৫টি বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস: এত বিমান দিয়ে কী করবে বাংলাদেশ, দাম মেটাবে কীভাবে?
আইপিইউতে শেখ হাসিনার অভিযোগ: মৃত্যুদণ্ড, বিচার, নিষেধাজ্ঞা ও শতাধিক এমপির আটক নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি
এডিবি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৭%, আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাস থেকে কমে ৪.০%
‘শেখ হাসিনার ভারতেই থাকা উচিত’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতেই অবস্থান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফার্স্টপোস্টের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পালকি শর্মাকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকার বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দিল্লি-ঢাকা টানাপড়েন নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে রনিল বিক্রমাসিংহে বলেন, প্রথমে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে হবে, জনগণের আস্থা ফেরাতে হবে। পরিস্থিতি সামলে নিতে আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশকে সাহায্য করা।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে উদ্বেগ আছে, সেটা রাজনৈতিক ইস্যু। এটা এভাবে দেখতে হবে যে অনেক নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। এরপর তারা বিদেশেই অবস্থান করেন। এগুলো রাজনৈতিক ব্যাপার।
বিক্রমাসিংহে আরও বলেন, আমি যে
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।
বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবো, তা হলো বাংলাদেশ স্থিতিশীল হোক। শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরে থাকতে চান, বাইরেই থাকুক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বলব আপনারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন না। দ্রুত সেখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক। সেনাবাহিনীকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা এ সময় প্রয়োজন ছিল। শ্রীলংকান প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কীভাবে দেশ চালাতে চায়, নির্বাচন হোক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই সম্ভাবনাময়।



