ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ি বলে কথা!
রোগী ঢুকতে পারলেও বেরোনো কঠিন
বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা
‘ভাঙচুর ও চুরি প্রতিবাদ নয়, অপরাধ’- মেলোনিঃ ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের গ্রেফতারে নতুন ডিক্রি; সন্তানের অপরাধে ক্ষতিপূরণ দিবে অভিভাবক
বৃহস্পতিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সৌদিতে ফ্লাইট চালানো নিয়ে সুখবর দিল বিমান
সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক
লিবিয়ায় জিম্মি যুবক, ‘নির্বাক দর্শক’ পুলিশ
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এনামুল হাসান (৩৯)। সচ্ছল জীবনের আশায় বিদেশে কর্মসংস্থানের চেষ্টা অনেক দিনের। বছরখানেক আগে দালালের কথায় বিশ্বাস রেখে সাড়ে ১১ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত হন। তবে চেষ্টা চালিয়ে যান তিনি। যোগাযোগ করেন নিকুঞ্জ এলাকার একটি এজেন্সির অফিসে। বিদেশ যাওয়ার এই তীব্র আকাঙ্ক্ষাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা তার আগ্রহ কাজে লাগিয়ে স্পেনে কর্মসংস্থানের নামে ফাঁদ পাতে। কৌশলে কয়েক দেশ ঘুরিয়ে নিয়ে যায় ‘লিবিয়ায়’। সেখানে জিম্মি করে বাংলাদেশি অ্যাকাউন্ট নম্বর পাঠিয়ে দাবি করছে মোটা অঙ্কের টাকা। ৭ অক্টোবর বাসা থেকে বেরিয়ে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই চক্রের কবলে রয়েছেন এনামুল হাসান।
এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায়
অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী হেপি আক্তার। পরিবারের অভিযোগ, এনামুলকে উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নির্বাক দর্শকের মতো। তারা মামলাও গ্রহণ করেনি। উলটো অভিযোগ প্রত্যাহার করে চক্রের সঙ্গে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে। অভিযোগসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমানের মোবাইলে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তবে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। বিষয়টি নিয়ে থানার ওসিসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ফোন করে সাড়া মেলেনি। এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দফায় দফায় বার্তা পাঠিয়ে আতঙ্কে রেখেছে চক্রের সদস্যরা। তারা যে কোনো মূল্যে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি থানায় অভিযোগের খবর পেয়ে তারা সেটি প্রত্যাহারের হুমকি দিচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় এই
প্রতিবেদন লেখার সময়ও ভুক্তভোগী যুবকের স্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে এমএফএস নম্বরে টাকা দাবি করে। তারা দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেয়। এর আগে ভুক্তভোগীর স্ত্রী হেপি আক্তার সোমবার খিলক্ষেত থানায় চারজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে মূল বিষয়বস্তু কাটছাঁট করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসাবে গ্রহণ করে পুলিশ। লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—জাহাঙ্গীর, রিয়াজ, হারুন ও সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মৌখিক চুক্তিতে স্পেনে যাওয়ার উদ্দেশে ৭ অক্টোবর রাতে খিলক্ষেতের বাসা থেকে বের হন এনামুল হাসান। পরে তিনি মোবাইলে জানান, তিনি দুবাইয়ে আছেন এবং সেখান থেকে মরক্কো হয়ে তাকে স্পেনে নেওয়া হবে। তবে চক্রটি তাকে স্পেনে না নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে লিবিয়ায়
নিয়ে আটকে রাখে। পরবর্তীতে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর অভিযুক্তরা একাধিক মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে এনামুলকে ছাড়াতে ১৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর, রিয়াজ, হারুন ও সায়মন গালাগালসহ এনামুলকে হত্যা করার হুমকি দেয়। এরপর ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় অপর একটি নম্বর থেকে ফোন করে ফের ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রাখা হয়। তবে পুলিশের রেকর্ড করা জিডির কপিতে বলা হয়, খিলক্ষেতের তেঁতুলতলা থেকে চট্টগ্রাম অফিসে যাতায়াতের সময় এনামুল হাসান নিখোঁজ হয়েছেন। ৭ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। হেপি আক্তার জানান, ঘটনার পর থানায়
অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অপহরণকারীরা স্বামীকে লিবিয়ায় আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি করছে। টাকা নেওয়ার জন্য তারা একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও এমএফএস নম্বর পাঠিয়েছে। এ ছাড়া মঙ্গলবার মধ্যরাতে অডিও বার্তার মাধ্যমে তার স্বামীকে দিয়ে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়। এ ছাড়া তারা টাকার অঙ্ক কমিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাবি করে এবং আপাতত ২ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে তিনি অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন না বলে জানান। হেপি স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে আকুতি জানিয়ে বলেন, যে কোনো উপায়ে তার স্বামীকে খুঁজে বের করতে হবে। এদিকে এসআই সাইদুর রহমান ভুক্তভোগীকে উদ্ধার না করে উলটো পরিবারকে জিডি
প্রত্যাহার করতে বলছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর চাচা জাহাঙ্গীর আলমের। জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি (এসআই সাইদুর) আমাদেরকে থানায় ডেকে নিয়ে অপরাধীদের সঙ্গে সমঝোতা করে টাকা দিয়ে ভাতিজাকে ছাড়িয়ে আনতে বলছেন। এটা কোন ধরনের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা? আবার টাকা দিলেই যে মানুষটাকে নিরাপদে ফেরত পাওয়া যাবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অপরাধী চক্রের সদস্যরা খিলক্ষেতে অবস্থান করার কথা বলে বাংলাদেশের নম্বর দিয়ে সরাসরি কল করছে। অথচ পুলিশ প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সেই নম্বর ট্র্যাকিং না করে ভুক্তভোগী দুবাই বা লিবিয়ায় আছেন বলে দায় এড়াচ্ছে।
অভিযোগ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী হেপি আক্তার। পরিবারের অভিযোগ, এনামুলকে উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নির্বাক দর্শকের মতো। তারা মামলাও গ্রহণ করেনি। উলটো অভিযোগ প্রত্যাহার করে চক্রের সঙ্গে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে। অভিযোগসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমানের মোবাইলে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তবে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। বিষয়টি নিয়ে থানার ওসিসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ফোন করে সাড়া মেলেনি। এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দফায় দফায় বার্তা পাঠিয়ে আতঙ্কে রেখেছে চক্রের সদস্যরা। তারা যে কোনো মূল্যে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি থানায় অভিযোগের খবর পেয়ে তারা সেটি প্রত্যাহারের হুমকি দিচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় এই
প্রতিবেদন লেখার সময়ও ভুক্তভোগী যুবকের স্ত্রীকে বার্তা পাঠিয়ে এমএফএস নম্বরে টাকা দাবি করে। তারা দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেয়। এর আগে ভুক্তভোগীর স্ত্রী হেপি আক্তার সোমবার খিলক্ষেত থানায় চারজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে মূল বিষয়বস্তু কাটছাঁট করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসাবে গ্রহণ করে পুলিশ। লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—জাহাঙ্গীর, রিয়াজ, হারুন ও সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মৌখিক চুক্তিতে স্পেনে যাওয়ার উদ্দেশে ৭ অক্টোবর রাতে খিলক্ষেতের বাসা থেকে বের হন এনামুল হাসান। পরে তিনি মোবাইলে জানান, তিনি দুবাইয়ে আছেন এবং সেখান থেকে মরক্কো হয়ে তাকে স্পেনে নেওয়া হবে। তবে চক্রটি তাকে স্পেনে না নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে লিবিয়ায়
নিয়ে আটকে রাখে। পরবর্তীতে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর অভিযুক্তরা একাধিক মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে এনামুলকে ছাড়াতে ১৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর, রিয়াজ, হারুন ও সায়মন গালাগালসহ এনামুলকে হত্যা করার হুমকি দেয়। এরপর ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় অপর একটি নম্বর থেকে ফোন করে ফের ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রাখা হয়। তবে পুলিশের রেকর্ড করা জিডির কপিতে বলা হয়, খিলক্ষেতের তেঁতুলতলা থেকে চট্টগ্রাম অফিসে যাতায়াতের সময় এনামুল হাসান নিখোঁজ হয়েছেন। ৭ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। হেপি আক্তার জানান, ঘটনার পর থানায়
অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অপহরণকারীরা স্বামীকে লিবিয়ায় আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি করছে। টাকা নেওয়ার জন্য তারা একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও এমএফএস নম্বর পাঠিয়েছে। এ ছাড়া মঙ্গলবার মধ্যরাতে অডিও বার্তার মাধ্যমে তার স্বামীকে দিয়ে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়। এ ছাড়া তারা টাকার অঙ্ক কমিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাবি করে এবং আপাতত ২ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে তিনি অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন না বলে জানান। হেপি স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে আকুতি জানিয়ে বলেন, যে কোনো উপায়ে তার স্বামীকে খুঁজে বের করতে হবে। এদিকে এসআই সাইদুর রহমান ভুক্তভোগীকে উদ্ধার না করে উলটো পরিবারকে জিডি
প্রত্যাহার করতে বলছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর চাচা জাহাঙ্গীর আলমের। জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি (এসআই সাইদুর) আমাদেরকে থানায় ডেকে নিয়ে অপরাধীদের সঙ্গে সমঝোতা করে টাকা দিয়ে ভাতিজাকে ছাড়িয়ে আনতে বলছেন। এটা কোন ধরনের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা? আবার টাকা দিলেই যে মানুষটাকে নিরাপদে ফেরত পাওয়া যাবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অপরাধী চক্রের সদস্যরা খিলক্ষেতে অবস্থান করার কথা বলে বাংলাদেশের নম্বর দিয়ে সরাসরি কল করছে। অথচ পুলিশ প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সেই নম্বর ট্র্যাকিং না করে ভুক্তভোগী দুবাই বা লিবিয়ায় আছেন বলে দায় এড়াচ্ছে।






