যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপের উড়োজাহাজ কিনছে সরকার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপের উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৬ |
যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার পর এবার ইউরোপীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকেও ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আজ বুধবার এ-সংক্রান্ত চুক্তি সইয়ের কথা। বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ একটি হোটেলে ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শিরোনামে এই চুক্তি সই অনুষ্ঠান হবে। তবে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে কত অর্থ খরচ হবে, এ তথ্য প্রকাশ করেনি বিমান বা এয়ারবাস। কত বছরে এই উড়োজাহাজগুলো বাংলাদেশে আসবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর সবই বোয়িংয়ের তৈরি। ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ৩৫টি উড়োজাহাজ আসার পর এই সংখ্যা হবে ৫৪। এত উড়োজাহাজ

বাংলাদেশের প্রয়োজন আছে কিনা এ প্রশ্নও উঠেছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে বাংলাদেশ এসব উড়োজাহাজ কিনছে বলে সমালোচনা রয়েছে। ক্রীড়া সংবাদ তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ফ্লিট এক্সপ্যানশন প্ল্যান ২০২৬-২০৩৫’ অনুযায়ী ২০৩৫ সালে সংস্থাটির বহরে মোট ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিমান পরিবহনের হাব হতে চায়। এ লক্ষ্য পূরণেই উড়োজাহাজ কিনতে হচ্ছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে। ইউরোপের দেশগুলো ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশের কাছে উড়োজাহাজ বিক্রির চেষ্টা করছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরে এসে একই প্রস্তাব দেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা

অনেক দূর এগিয়ে নেয়। জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইউরোপের উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা অনেকটাই আড়ালে চলে যায়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় ফেরা ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের কাছে বোয়িংয়ের তৈরি উড়োজাহাজ বিক্রির প্রস্তাব করেন। ভ্রমণ গাইড যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালে সব দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। এ শুল্ক কমাতে দেশটি থেকে আমদানি বৃদ্ধির শর্ত দেয়। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিএনপি সরকারও তা অব্যাহত রাখে। ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে গত এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করে বিমান। চুক্তি অনুযায়ী ২০৩১ থেকে পাঁচ বছরে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনা হবে ৩

দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার কোটি টাকায়। ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর গত আগস্টে জানান, বাংলাদেশ বোয়িংয়ের তৈরি আরও কিছু উড়োজাহাজ কিনবে। এ জন্য গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি দিয়ে ধন্যবাদ জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশে বোয়িং-এয়ারবাস দ্বৈরথে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ চান। তিনি বলেন, বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপের এয়ারবাসের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি বাংলাদেশের খুব গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত। এয়ারবাসের একটি অবিশ্বাস্য প্রতিযোগিতামূলক অফার রয়েছে। তখনই বিমানমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের তৈরি উড়োজাহাজও কিনবে বাংলাদেশ। সরকারি সেবা প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ২৩

সেপ্টেম্বর আরও ১১ বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এতে ব্যয় হবে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে ২৫টি বিমান কেনায় ব্যয় হবে ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা ৭৮ হাজার কোটি টাকা। তবে মন্ত্রী বলছেন, এতে আর্থিক চাপ তৈরি হবে না। তাঁর ভাষ্য, পুরো টাকা এখনই পরিশোধ করতে হবে না; প্রতিটি উড়োজাহাজ যখন সরবরাহ করা হবে, তখন ধাপে ধাপে এর মূল্য পরিশোধ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের