ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার আলটিমেটাম
স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বড় সুখবর দিলো সরকার
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালু করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
চবিতে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
বৈষম্যের শিকার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবি
বৈষম্যের শিকার ও জাতীয়করণযোগ্য সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্রুত জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা।
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ খোকন, মহাসচিব মো. ফিরোজ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী লিটন, মিজানুর রহমান, তামান্না ইয়াসমিন, নুরুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, খায়রুল ইসলাম, ধরনি মোহন রায়, মনিমোহন বসু, সমুন চাকি, এরশাদুল, জুয়েল, সোহেল রানা, নিজাম উদ্দিন, আনোয়ার, সালাউদ্দিন, মাহবুব, জীবন, শারমিন প্রমুখ।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালে তত্কালীন সরকার সারা দেশের সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেয়। তবে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ২০১২ সালের
২৭ মের পূর্বে প্রতিষ্ঠিত ৩০,৩৫২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬,১৯৩টি জাতীয়করণ করা হলেও ৪,১৫৯টি বিদ্যালয় বাদ পড়ে। এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণে সব শর্ত পূরণ করা হলেও তত্কালীন কিছু কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে তা বাদ পড়েছে। পরে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষে ১,৩০০টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। জাতীয়করণ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকারি সুবিধা ছাড়াই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শিক্ষার্থীরাও উপবৃত্তি ও টিফিন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বক্তারা আগামী দুদিনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
২৭ মের পূর্বে প্রতিষ্ঠিত ৩০,৩৫২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬,১৯৩টি জাতীয়করণ করা হলেও ৪,১৫৯টি বিদ্যালয় বাদ পড়ে। এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণে সব শর্ত পূরণ করা হলেও তত্কালীন কিছু কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে তা বাদ পড়েছে। পরে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষে ১,৩০০টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। জাতীয়করণ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকারি সুবিধা ছাড়াই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শিক্ষার্থীরাও উপবৃত্তি ও টিফিন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বক্তারা আগামী দুদিনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।



