ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ব্লাডমানি’ দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশির জীবন রক্ষা করেছিল শেখ হাসিনার সরকার, অথচ অলক্ষ্যে সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
সরকারি জমি দখল করে জামায়াত আমির বললেন, “এখন আমাদের সময়”
‘জুলাইবিরোধী’ ভূমিকায় অভিযুক্ত, ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
শ্রীলঙ্কার তৎপরতায় সৌদিতে নবী অবমাননায় লংকান যুবকের মৃত্যুদণ্ড রদ, অথচ বাংলাদেশি প্রেমিক যুগলের মৃত্যুদণ্ডে বেখবর মিশন ও দুই মন্ত্রণালয়
একটির খরচে ৫টি নির্মাণের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল: ৩য় এলএনজি টার্মিনালে ব্যয় বৃদ্ধি ৩৫-৩৭ শতাংশ
নেত্রকোনায় দোকানে বসে থাকা সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
কাজ নাই, তাই বেতনও নাই: ৫ পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা
বাজারে ক্রেতাদের ক্ষোভ: “আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে-কুমড়া এখনও ৮০ টাকার নিচে, তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ”
শীতের সবজি এখনো বাজারে আসেনি, অথচ রাজধানীর বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজিই বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ছাড়া কোনো সবজি কেজিপ্রতি ৮০ টাকার কমে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা; আগাম শিমের দাম ১৬০ টাকা এবং টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।
বাজার করতে আসা গৃহিনী লায়লা হোসেন অনেকটা ক্ষেদোক্তি করেই বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে আর মিষ্টিকুমড়া অন্তত এখনো আছে ৮০ টাকার নিচে, নইলে কী খেতাম! প্রধানমন্ত্রী তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ।’
এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা নেমেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা কমে এখন মুরগিটি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। ডিমের দামও সামান্য কমেছে,
তবে তা এখনো তুলনামূলক বেশি। চাল ও সয়াবিন তেলের দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। বাজারে ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল—প্রতিটি সবজিই কেজিতে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ও কাঁকরোলের দাম কেজিতে ১০০ টাকা। শীতের আগাম মুলা ও ঢ্যাঁড়সও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগাম শিমের কেজি ১৬০ টাকা, আর টমেটোর দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। টাউন হল বাজারের সবজি বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, শীতের সবজি বাজারে ওঠার আগে দাম সাধারণত কিছুটা বেশি থাকে। ট্রাকভাড়া বেড়ে যাওয়াও সবজির দামে প্রভাব ফেলেছে। বর্তমানে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া তুলনামূলক কম দামে পাওয়া
যাচ্ছে: পেঁপে কেজিতে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা। পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, আর দেশি রসুন ১৪০ টাকায়। আমদানি করা রসুনের দাম আরও বেশি—কেজিতে ১৮০ টাকা। মরিচের দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে; প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে এখন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা হয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। বিক্রেতাদের ভাষ্য, গরমের তীব্রতা কিছুটা কমায় মুরগির উৎপাদন বেড়েছে। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামও কিছুটা কমেছে। কারওয়ান বাজারের একটি দোকানের কর্মী তারেক রহমান বলেন, “এখন সরবরাহ ভালো, তাই দাম বাড়েনি।” দুই সপ্তাহ আগে ফার্মের মুরগির
ডিমের এক ডজনের দাম সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা হয়েছিল। এখন ডজনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে তা বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। বিক্রেতারা আশা করছেন, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সবজির দাম আরও কমবে। চালের বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছিল; এখনো সেই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মোটা চালের কেজি ৫৫ টাকা। মাঝারি মানের আটাশ ও পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়। সরু চালের দাম কেজিতে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। নাজিরশাইল চালের দাম মান অনুযায়ী কেজিতে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা। বিক্রেতারা
জানান, এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে এ চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছিল এবং এখনো সেই বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের মতে, জ্বালানির দাম বাড়ায় ট্রাকভাড়া বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি লিটার তেল ২১০ টাকায় এবং দুই লিটারের বোতল ৪১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে তা এখনো তুলনামূলক বেশি। চাল ও সয়াবিন তেলের দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। বাজারে ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল—প্রতিটি সবজিই কেজিতে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ও কাঁকরোলের দাম কেজিতে ১০০ টাকা। শীতের আগাম মুলা ও ঢ্যাঁড়সও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগাম শিমের কেজি ১৬০ টাকা, আর টমেটোর দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। টাউন হল বাজারের সবজি বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, শীতের সবজি বাজারে ওঠার আগে দাম সাধারণত কিছুটা বেশি থাকে। ট্রাকভাড়া বেড়ে যাওয়াও সবজির দামে প্রভাব ফেলেছে। বর্তমানে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া তুলনামূলক কম দামে পাওয়া
যাচ্ছে: পেঁপে কেজিতে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা। পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, আর দেশি রসুন ১৪০ টাকায়। আমদানি করা রসুনের দাম আরও বেশি—কেজিতে ১৮০ টাকা। মরিচের দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে; প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে এখন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা হয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। বিক্রেতাদের ভাষ্য, গরমের তীব্রতা কিছুটা কমায় মুরগির উৎপাদন বেড়েছে। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামও কিছুটা কমেছে। কারওয়ান বাজারের একটি দোকানের কর্মী তারেক রহমান বলেন, “এখন সরবরাহ ভালো, তাই দাম বাড়েনি।” দুই সপ্তাহ আগে ফার্মের মুরগির
ডিমের এক ডজনের দাম সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা হয়েছিল। এখন ডজনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে তা বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা। বিক্রেতারা আশা করছেন, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সবজির দাম আরও কমবে। চালের বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছিল; এখনো সেই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মোটা চালের কেজি ৫৫ টাকা। মাঝারি মানের আটাশ ও পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়। সরু চালের দাম কেজিতে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। নাজিরশাইল চালের দাম মান অনুযায়ী কেজিতে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা। বিক্রেতারা
জানান, এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে এ চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছিল এবং এখনো সেই বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের মতে, জ্বালানির দাম বাড়ায় ট্রাকভাড়া বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি লিটার তেল ২১০ টাকায় এবং দুই লিটারের বোতল ৪১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।



