প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ October, ২০২৬

প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ October, ২০২৬ |
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মনে তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে কোনো শঙ্কা তৈরি হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আন্দোলনের নামে যারা বিভ্রান্ত হয়েছেন, তাঁরাও এই দেশের নাগরিক। তাঁদের প্রতি রাগ নয়, বরং করুণা করা যায়। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন,
‘প্রতিশোধ নেওয়া তো আমাদের চরিত্র নয়! আমরা ২০০৯ সালে সরকারে এসেও কোনো প্রতিশোধের দিকে যাইনি। যারা আন্দোলনের নামে বিভ্রান্ত হয়েছে, তারাও তো এই দেশেরই নাগরিক। এদের ওপর রাগ নয়, করুণা করা যায়। আল্লাহ তাদের হেদায়েত দিক, যেন নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। আমি তো সবার জন্যই রাজনীতি

করি—আমার পক্ষে থাক বা বিপক্ষে।’
  শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন ধরনের প্রচারণাও চলছে। জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন পক্ষের অনলাইন প্রচারণায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কাউকে বাঁচতে দেওয়া হবে না—এমন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চায়ের দোকানের সাধারণ আলোচনা থেকে শুরু করে চিত্রনায়িকা বাঁধনের বক্তব্যেও একই ধরনের আশঙ্কার কথা উঠে আসছে। এসব বক্তব্য ও প্রচারণা আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সমাজের একটি অংশের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে।   তবে শেখ হাসিনার বক্তব্যে সেই আশঙ্কার বিপরীতে প্রতিশোধ না নেওয়ার অবস্থানই উঠে এসেছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন,

রাজনৈতিক অবস্থান কিংবা আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে কাউকে ব্যক্তিগত শত্রু হিসেবে দেখেন না। তাঁর মতে, রাজনৈতিকভাবে তাঁর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে—সব নাগরিকের জন্যই তিনি রাজনীতি করেন।   এ প্রসঙ্গে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যার পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ইতিহাসও সামনে আসে। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে তিনি পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন। তাঁর দেশে ফেরার পর প্রতিশোধের পথ বেছে না নিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিচার রাষ্ট্রীয় ও আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করার উদ্যোগের বিষয়টি তাঁর বর্তমান বক্তব্যের সঙ্গে তুলনীয়। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের মূল বার্তা হলো,
রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে প্রতিশোধ নেওয়া তাঁর রাজনীতির

আদর্শ নয়। বরং তাঁর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে—সবাইকে দেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করার কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সৌদি আরবে আগুনে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের লাশ তিন মাস পর বাড়িতে পৌঁছেছে সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে দুই চোখ উপড়ে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে হত্যা, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার আরেকটি জুলাই প্রতারণার স্বরূপ উন্মোচিত: শরীরে ৯ গুলির দাবি করে শেখ হাসিনার নামে মামলা, তদন্তে জানা গেল ‘ঘটনাই ঘটেনি’ প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ মিরপুরের স্পিন উইকেটে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়নি—টুকুর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিপু, মনে করিয়ে দিলেন কানসাটের ১৭ প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও