দারিদ্র্যসীমার ওপরে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ: আয় কম, নিত্যপণ্যের দাম বেশি, খাদ্য-চিকিৎসা-শিক্ষায় কাটছাঁট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ October, ২০২৬

আরও খবর

সজীব ওয়াজেদ জয়: দেশে হাজারো শিশুর মৃত্যু ঘটিয়ে পুরস্কার বাগিয়ে নিলেন ইউনূস

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

অস্ত্র হাতে মাদকের আস্তানায় অভিযান, যা বললেন ইশরাক

দিল্লি’তে হল্লা: “আমরা বাংলাদেশ বা নেপাল নই, ক্ষমতার পরিবর্তন হবে গণতান্ত্রিক পথেই; অসাংবিধানিক বা সহিংসতার মাধ্যমে না” – প্রকাশ রাজ

আইনবহির্ভূত প্রক্রিয়ায় অস্ত্র হাতে ইশরাকের অভিযান নিয়ে তীব্র সমালোচনা

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, টাকা চেয়ে বিভিন্ন মহলে চিঠি

বিএনপি-যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের সিন্ডিকেটের অধীনে চলছে মেঘনায় মা ইলিশ আহরণের মহোৎসব

দারিদ্র্যসীমার ওপরে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ: আয় কম, নিত্যপণ্যের দাম বেশি, খাদ্য-চিকিৎসা-শিক্ষায় কাটছাঁট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ October, ২০২৬ |
দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ। অর্থনৈতিক সংকট, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো যেকোনো ধাক্কা তাঁদের আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে ঠেলে দিতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাপে এরই মধ্যে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে অনেক পরিবারকে খাবার, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাতে খরচ কমাতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর দারিদ্র্য ও সমতা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদন বলছে, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক শ্লথগতি, দুর্বল শ্রমবাজার এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশের পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার নিচে নতুন করে প্রায় ২১ লাখ মানুষ

যুক্ত হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস পালিত হয়ে গেল। এ বছরের বিশেষ প্রতিপাদ্য— ‘সবার জন্য নিরাপদ আবাসস্থল’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি অর্জিত জীবনমান ধরে রাখা এবং সংকট মোকাবেলার সামর্থ্য বাড়ানোও প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে জাতীয় উচ্চতর দারিদ্র্যসীমার হিসাবে দেশে দারিদ্র্যের হার ৩৭.১ শতাংশ থেকে কমে ১৮.৭ শতাংশে দাঁড়ায়। একই সময়ে চরম দারিদ্র্যের হার ১২.২ শতাংশ থেকে নেমে আসে ৫.৬ শতাংশে। এই সময়ে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ২০১৬ সালের পর দারিদ্র্য হ্রাসের গতি ধীর হয়ে যায়। বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলনে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৪

শতাংশ। ওই অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৮.৭ শতাংশে। জ্বালানির সংকট, ঋণের উচ্চ খরচ, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং বিনিয়োগ ও রপ্তানিতে শ্লথগতি শিল্পকারখানার কার্যক্রম ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জসীম উদ্দিন বলেন, আয় সীমিত আর নিত্যপণ্যের দাম বেশি হলে সংসারের খরচ চালাতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে প্রতিনিয়ত হিসাব কষতে হয়। একসময় তারা খাবার, চিকিৎসা কিংবা শিক্ষার ব্যয় কমাতে বাধ্য হয়। বিশেষ করে পুষ্টিকর খাবারের বদলে কম দামের শর্করাজাতীয় খাবারের ওপর নির্ভরতা বাড়লে শিশু ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনও দারিদ্র্যের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, খরা ও লবণাক্ততার কারণে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি,

ফসল ও জীবিকা হারিয়ে নতুন সংকটে পড়ছে। এসব এলাকায় নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দারিদ্র্য কমাতে টেকসই কর্মসংস্থান ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য দেওয়ার ব্যবস্থাও দরকার। একই সঙ্গে দরিদ্র ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি কার্যকর করা জরুরি। অসুস্থতা, কর্মহীনতা বা দুর্যোগের সময়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো গেলে দারিদ্র্যসীমার কাছাকাছি থাকা বিপুল জনগোষ্ঠীর আবার দরিদ্র হয়ে পড়ার আশঙ্কা কমানো সম্ভব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দারিদ্র্যসীমার ওপরে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ: আয় কম, নিত্যপণ্যের দাম বেশি, খাদ্য-চিকিৎসা-শিক্ষায় কাটছাঁট জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় হার সজীব ওয়াজেদ জয়: দেশে হাজারো শিশুর মৃত্যু ঘটিয়ে পুরস্কার বাগিয়ে নিলেন ইউনূস অ্যাডভোকেট পাপিয়া: মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে একমত ওবায়দুল কাদের: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে মরিয়া হয়ে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি নকল টিভিসহ বিভিন্ন ধান্দায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে পলাতক গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা এক যুগ পর গ্রেপ্তার ব্যবসা বন্ধ থাকা ডিএসই তালিকাভুক্ত ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ছে হু হু করে: কারসাজির আশঙ্কা ৭ মাসে আমদানিতে বাড়তি ব্যয় ৪.১২ বিলিয়ন ডলার: চাপ সামলাতে জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ আগুনে শেষ আনন্দভ্রমণ বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট সহজ শর্তে ঋণের ওপর গুরুত্ব আইএমএফের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানল, সরিয়ে নেওয়ায় হচ্ছে বাসিন্দাদের কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ বাংলাদেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মূলহোতা আমিনী গ্রেফতার অস্ত্র হাতে মাদকের আস্তানায় অভিযান, যা বললেন ইশরাক জুলাই যোদ্ধা বানিয়ে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা দিল্লি’তে হল্লা: “আমরা বাংলাদেশ বা নেপাল নই, ক্ষমতার পরিবর্তন হবে গণতান্ত্রিক পথেই; অসাংবিধানিক বা সহিংসতার মাধ্যমে না” – প্রকাশ রাজ আইনবহির্ভূত প্রক্রিয়ায় অস্ত্র হাতে ইশরাকের অভিযান নিয়ে তীব্র সমালোচনা