ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
জিবলি ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে যেভাবে নিজের মারাত্মক বিপদ ডেকে আনছেন
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নতুন ট্রেন্ড ঘুরে বেড়াচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম চ্যাটজিপিটি বা গ্রকের সাহায্যে অনেকেই নিজেদের ছবি মুহূর্তেই জাপানি খ্যাতনামা অ্যানিমেটর হায়াও মিয়াজাকির স্টুডিও জিবলির অ্যানিমেশন স্টাইলে রূপান্তর করছেন।
এই ‘জিবলি আর্ট’ ট্রেন্ডে মেতে উঠেছেন অসংখ্য নেটিজেন। সাধারণ একটি ছবিকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই কার্টুন রূপে পরিণত করছে এআই, যা অনেকের কাছেই বেশ মজার ও আকর্ষণীয় বলে মনে হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তাদের মতে, এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় ব্যবহারকারীরা নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে তুলে দিচ্ছেন। যে মূল সার্ভারটি এই জিবলি আর্ট পরিচালনা করছে, তা অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু এসব ছবি ও তথ্য ঠিক কোন
সার্ভারে সংরক্ষিত হচ্ছে, তা পরিষ্কার নয়। এতে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এসব ব্যক্তিগত ছবি ভবিষ্যতে ডিপফেক কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হতে পারে। এমনকি এসব ছবি বিক্রি হয়ে যেতে পারে ডার্ক ওয়েবেও, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সাইবার অপরাধের শিকার হতে পারেন। পরিসংখ্যান বলছে, সম্প্রতি এ ধরনের কার্টুন ইমেজ তৈরি করতে এআই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১০ লাখ নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। মাত্র ৩০ ঘণ্টায় আপলোড করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ছবি। সূত্র: এনডিটিভি
সার্ভারে সংরক্ষিত হচ্ছে, তা পরিষ্কার নয়। এতে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এসব ব্যক্তিগত ছবি ভবিষ্যতে ডিপফেক কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হতে পারে। এমনকি এসব ছবি বিক্রি হয়ে যেতে পারে ডার্ক ওয়েবেও, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সাইবার অপরাধের শিকার হতে পারেন। পরিসংখ্যান বলছে, সম্প্রতি এ ধরনের কার্টুন ইমেজ তৈরি করতে এআই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১০ লাখ নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। মাত্র ৩০ ঘণ্টায় আপলোড করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ছবি। সূত্র: এনডিটিভি



