ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বাস্থ্যখাতে ৩ হাজার কোটি টাকার ‘বিশেষ’ প্রকল্প: ভ্রমণ-গাড়ি ক্রয় হাজার কোটির, পরামর্শকের পকেটে ৩২২ কোটি!
দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ম্যানসিটি বলল, ‘এটা প্রিমিয়ার লিগের ষড়যন্ত্র’
এ যেন আরেক জুলাইঃ ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র মিরপুর-১০, পুলিশের উপর হামলা-গাড়িতে আগুন
বেলুচিস্তানে বিদ্রোহী নারী যোদ্ধা ইউনিটের প্রথম সশস্ত্র অভিযান, ৯ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএফের
তৃতীয় দফায় বাড়ল শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের ব্যয়: ৯৯.৯৩% কাজ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি খরচ ৮৪৮ কোটি টাকা
বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’ খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সকাল থেকে এনআইএ-র অভিযান
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাঃ “থলে ভরা টাকা খরচ করেও থালা ভরে না”
গ্রেফতারের আগে কোথায় ছিলেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হকের সাত ও আবদুল্লাহ আল মামুনের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার সকাল ৭টার পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে এই দুই সাবেক আইজিপিকে আদালতে আনা হয়।
এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে উত্তরা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিবিসি জানিয়েছে, হাসিনা সরকারের নিয়োগকৃত সর্বশেষ আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন সেনা হেফাজতে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় সেনা হেফাজতে থাকাবস্থায় আত্মসমপর্ণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
পাঁচ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের
পর রাজনৈতিক দলের নেতা, বিচারক, সরকারি আমলা, পুলিশ কর্মকর্তাসহ প্রায় ৬২৬ জন ব্যক্তিকে বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৫১৫ জনই পুলিশের সদস্য, যাদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা। আশ্রয়গ্রহীতাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে পরে সেনানিবাস ছেড়ে চলে গেছেন। এখন সেখানে রয়েছেন সাত জন। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগ বা মামলার ভিত্তিতে আশ্রয় গ্রহণকারীদের চারজনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ইতোমধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৮ আগষ্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
পর রাজনৈতিক দলের নেতা, বিচারক, সরকারি আমলা, পুলিশ কর্মকর্তাসহ প্রায় ৬২৬ জন ব্যক্তিকে বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৫১৫ জনই পুলিশের সদস্য, যাদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা। আশ্রয়গ্রহীতাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে পরে সেনানিবাস ছেড়ে চলে গেছেন। এখন সেখানে রয়েছেন সাত জন। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগ বা মামলার ভিত্তিতে আশ্রয় গ্রহণকারীদের চারজনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ইতোমধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৮ আগষ্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।



