ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
ভোটের আগেই সিট ভাগ হয়ে গেছে। আর এখন দেশের টাকায় চলছে লোক দেখানো নাটক।
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
মবসন্ত্রাস মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও কারা হেফাজতে সিরিয়াল কিলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
উন্নয়ন দেখলেই গাত্রদাহ আধুনিক নগর পরিকল্পনায় ‘অজ্ঞ’ তারেক: ফ্লাইওভার নিয়ে হাস্যকর দাবি
ওয়াশিংটনের ‘ম্যানেজেবল ইসলাম’ প্রকল্প: বাংলাদেশের ভোট কি এখন ভূ-রাজনীতির পরীক্ষাগার?
‘ইউনূস এক খুনি ফ্যাসিস্ট’: নির্বাসনে প্রথম জনসমাবেশে শেখ হাসিনার তীব্র ভাষণ নয়াদিল্লি ভারত ।
গাজীপুরে কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা, ১ মে থেকে কার্যকর
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানা আগামী ১ মে থেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারখানাগুলোর বন্ধের সিদ্ধান্তের পেছনে একাধিক কারণ উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।
আজ (২ জানুয়ারি) সকালে, গাজীপুরের কোনাবাড়ী ও জরুন এলাকার কেয়া গ্রুপের কারখানার ফটকে একটি নোটিশ টাঙানো হয়, যেখানে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড (নিট কম্পোজিট ডিভিশন) স্বাক্ষরিত ঘোষণা দেওয়া হয়।
নোটিশে জানানো হয়, কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের (নিট কম্পোজিট গার্মেন্টস, নিটিং, স্পিনিং এবং কটন ডিভিশন) এবং কেয়া ইয়ার্ন মিলস লি. (জরুন, কোনাবাড়ী, গাজীপুর)-এর সকল শ্রমিক ও কর্মকর্তাকে অবহিত করা হচ্ছে যে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং সমস্যার কারণে হিসাবের অমিল, কাঁচামালের
সংকট এবং কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের অভাবের কারণে ১ মে থেকে কারখানাগুলোর সব কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের বাংলাদেশ শ্রম আইনের আওতায় পাওনা পরিশোধ করা হবে, যা কারখানা বন্ধ হওয়ার পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর আগে, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর কেয়া গ্রুপের শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতন দাবি করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি উত্তেজিত হলে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করে এবং কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানালে শ্রমিকরা আবারও বিক্ষোভ শুরু করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা হয় এবং তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়। এরপর, ১ জানুয়ারি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা কারখানা
খুলে দেওয়া হয়, কিন্তু আজ নতুন করে স্থায়ী বন্ধের ঘোষণা আসলো। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কেয়া গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন নিয়ে অসন্তোষ ছিল। তবে কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধের পর কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, যা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়। এখন আবার স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সংকট এবং কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের অভাবের কারণে ১ মে থেকে কারখানাগুলোর সব কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের বাংলাদেশ শ্রম আইনের আওতায় পাওনা পরিশোধ করা হবে, যা কারখানা বন্ধ হওয়ার পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর আগে, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর কেয়া গ্রুপের শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতন দাবি করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি উত্তেজিত হলে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করে এবং কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানালে শ্রমিকরা আবারও বিক্ষোভ শুরু করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা হয় এবং তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়। এরপর, ১ জানুয়ারি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা কারখানা
খুলে দেওয়া হয়, কিন্তু আজ নতুন করে স্থায়ী বন্ধের ঘোষণা আসলো। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, কেয়া গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন নিয়ে অসন্তোষ ছিল। তবে কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধের পর কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, যা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়। এখন আবার স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।



