ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ক কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত
পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে সাড়ে ৬ কোটি ঘনফুট বালু তোলার অনুমতি পেল গায়েবি প্রতিষ্ঠান!
প্রতি মাসে মিলছে গড়ে ৫৭টি অজ্ঞাত মরদেহ, শনাক্ত করা যাচ্ছে না যথাযথভাবে
গ্যাস-বিদ্যুতে ভর্তুকির হিসাব মিলছে না, ২ মাসেই উধাও বরাদ্দের ৬০ ভাগ অর্থ
চাঁদা না দেওয়ায় ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও নিউ গ্রিনি প্রপার্টিজে হামলা-ভাঙচুর
শেখ হাসিনার সরকারও নেই, ২ বছর ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র অ্যান্টিভেনম গবেষণা-উৎপাদন কেন্দ্র
‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৭ কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের পর ‘নাশকতা’ মামলা
ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র ৭ মাসে বিএনপি নেতাদের দখলদারিত্ব ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কেউই
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শপথ নিয়ে ক্ষমতায় বসা বিএনপি সরকারের বয়স এখনও সাত মাস পূর্ণ হয়নি। অথচ এই স্বল্প সময়েই রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় দলটির প্রভাবশালী নেতাদের ইন্ধনে জমি দখল, স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া ও লুটপাটের ঘটনা ক্রমশ সামনে আসছে। সাম্প্রতিকতম ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর মিরপুরে, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশুদের একমাত্র ভরসাস্থল একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রই রক্ষা পায়নি দখলদারদের থাবা থেকে।
মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যকেন্দ্র
গত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে প্রায় ২০০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আকস্মিক হামলা চালায়। প্রথমে নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে ফেলা হয়, এরপর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে পুরো স্থাপনাটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়। বছরের পর বছর ধরে
দরিদ্র মা ও শিশুদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা এই কেন্দ্রটি এক রাতের তাণ্ডবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। শুধু ভবন ভাঙাই নয়, দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায় মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, জেনারেটর, এসি, ফ্রিজ এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও ভ্যাকসিন। এমনকি শিশুদের টিকাদানের তথ্য সংরক্ষিত ট্যাব, রেজিস্টার খাতা ও পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীও রেহাই পায়নি। অভিযোগের তীর সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতাদের দিকে অভিযোগ উঠেছে, এই বর্বরতার নেপথ্যে রয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা। শুধু জমি দখলের লালসাতেই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের এই আশ্রয়স্থল ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একের পর এক এলাকায় একই কায়দায় দখল এই
ঘটনা কেবল মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, পল্লবীসহ ঢাকা উত্তরের আরও একাধিক এলাকায় একই কায়দায় জমি দখলের ঘটনা ঘটেছে, যার প্রতিটির নেপথ্যেই রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং ক্ষমতার ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এক সংগঠিত দখল-সংস্কৃতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশ্নের মুখে জনপ্রতিনিধিত্ব ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে— জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাঁরা সংসদে বসেছেন, তাঁরাই যদি দরিদ্র মা ও শিশুর চিকিৎসাকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইন্ধনদাতা হন, তবে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তার জন্য কার কাছে যাবে? ক্ষমতায় আসার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই এমন ঘটনাপ্রবাহ জনমনে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযুক্ত সংসদ সদস্য ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে
দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। দলীয় পরিচয় যেন কোনোভাবেই অপরাধের ঢাল হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন সরকারদলীয় আর কারা এসব দখলবাজির সঙ্গে জড়িত, তার তালিকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সবকিছু জেনেও যদি বিষয়টি নিয়ে নীরবতা পালন করা হয়, তাহলে তা সরকারের জন্যই আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
দরিদ্র মা ও শিশুদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা এই কেন্দ্রটি এক রাতের তাণ্ডবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। শুধু ভবন ভাঙাই নয়, দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায় মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, জেনারেটর, এসি, ফ্রিজ এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও ভ্যাকসিন। এমনকি শিশুদের টিকাদানের তথ্য সংরক্ষিত ট্যাব, রেজিস্টার খাতা ও পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীও রেহাই পায়নি। অভিযোগের তীর সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতাদের দিকে অভিযোগ উঠেছে, এই বর্বরতার নেপথ্যে রয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা। শুধু জমি দখলের লালসাতেই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের এই আশ্রয়স্থল ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একের পর এক এলাকায় একই কায়দায় দখল এই
ঘটনা কেবল মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, পল্লবীসহ ঢাকা উত্তরের আরও একাধিক এলাকায় একই কায়দায় জমি দখলের ঘটনা ঘটেছে, যার প্রতিটির নেপথ্যেই রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং ক্ষমতার ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এক সংগঠিত দখল-সংস্কৃতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশ্নের মুখে জনপ্রতিনিধিত্ব ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে— জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাঁরা সংসদে বসেছেন, তাঁরাই যদি দরিদ্র মা ও শিশুর চিকিৎসাকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইন্ধনদাতা হন, তবে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তার জন্য কার কাছে যাবে? ক্ষমতায় আসার মাত্র সাত মাসের মধ্যেই এমন ঘটনাপ্রবাহ জনমনে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযুক্ত সংসদ সদস্য ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে
দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। দলীয় পরিচয় যেন কোনোভাবেই অপরাধের ঢাল হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন সরকারদলীয় আর কারা এসব দখলবাজির সঙ্গে জড়িত, তার তালিকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সবকিছু জেনেও যদি বিষয়টি নিয়ে নীরবতা পালন করা হয়, তাহলে তা সরকারের জন্যই আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।



