ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শামা ওবায়েদ: ভারতের চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়
চাঁদপুরের জেলেদের জন্য বরাদ্দ ৫ টন চাল কুমিল্লায় বেচে দিলেন ইউপি সচিব!
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় কুপিয়ে হিন্দু যুবককে হত্যা
‘শর্ত মানব না’ বলে চোটপাট: দু’দিন না যেতেই জ্বালানি খাতের জন্য বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের কাছে হাত পাতল বাংলাদেশ
জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসভবনে বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপির হামলা
ভোলার ইআবা নেতার সাথে বেগানা নারীর গোপন ভিডিও ভাইরাল
আওয়ামী লীগের সাথে ‘যোগাযোগ’ আছে অভিযোগে দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
এ কেমন শিক্ষাব্যবস্থা? ঘটনাস্থল- রামগতির মাদ্রাসায়ে বাবুত তাকওয়া
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে একটি মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে রাখা ও নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। বন্ধ কক্ষে শিশুদের এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, মাথায় আঘাত ও স্কেল দিয়ে পেটানোর কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
দুটি ছবিতে দেখা গেছে, দুই শিশুকে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
এসব দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকজান্ডার এলাকায় অবস্থিত মাদ্রাসায়ে বাবুত তাকওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মাদ্রাসাটির প্রধান শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইআবা) রামগতি পৌরসভার সভাপতি হাবিবুল্লাহ নীরবকে ঘিরেও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে এক শিশুকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারছেন এক ব্যক্তি। একপর্যায়ে শিশুটির মাথায় আঘাত করা হয়। পরে স্কেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটাতেও দেখা যায় তাকে। অন্য একটি ভিডিওতে আরেক শিশুকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে মাথায় বারবার আঘাত করতে দেখা যায়। আরও একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের দৃশ্য রয়েছে। এ ছাড়া ছড়িয়ে পড়া দুটি ছবিতে দুই শিশুকে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা গেছে। এসব নির্যাতনের সময় অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত থেকেও নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় শিশুদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে
অমানবিক আচরণ করা হলেও ভয়ে তারা বাড়িতে এসে কিছু বলত না। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষকদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। তবে তার দাবি, একজন শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছেন। প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব বলেন, ‘একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছে। আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’ রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আমার কাছে এসেছিলেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে
আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’ ২০২৫ সালে রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসায়ে বাবুত তাকওয়া প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় জামাত পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে এক শিশুকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারছেন এক ব্যক্তি। একপর্যায়ে শিশুটির মাথায় আঘাত করা হয়। পরে স্কেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটাতেও দেখা যায় তাকে। অন্য একটি ভিডিওতে আরেক শিশুকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে মাথায় বারবার আঘাত করতে দেখা যায়। আরও একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের দৃশ্য রয়েছে। এ ছাড়া ছড়িয়ে পড়া দুটি ছবিতে দুই শিশুকে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা গেছে। এসব নির্যাতনের সময় অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত থেকেও নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় শিশুদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে
অমানবিক আচরণ করা হলেও ভয়ে তারা বাড়িতে এসে কিছু বলত না। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষকদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। তবে তার দাবি, একজন শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছেন। প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব বলেন, ‘একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছে। আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’ রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আমার কাছে এসেছিলেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে
আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’ ২০২৫ সালে রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসায়ে বাবুত তাকওয়া প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় জামাত পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছে।



