ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানে ‘জোরালো হামলার’ হুমকি ইসরায়েলের
ইরানে আরও জোরালো হামলার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাটজ বলেন, তেহরানের থেকে হুমকির মুখোমুখি হলে ইসরায়েল আবার হামলা চালাবে। এবার আরও বেশি শক্তি দিয়ে হামলা চালানো হবে।
বিমানবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান ইসরায়েলকে হুমকি দিলে বা ক্ষতির চেষ্টা করলে ইসরায়েলের লম্বা হাত পৌঁছে যাবে। তেহরান, তাবরিজ, ইসফাহান তথা যে কোনো জায়গায় হামলা চালাবে ইসরায়েল। আমাদের আবার ফিরতে বাধ্য করা হলে আরও শক্তি নিয়ে ফিরব।
এদিকে ইসরায়েলের সরকারি নথি জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের নতুন নতুন ভবন তৈরি করে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎজ জানিয়েছে, বর্তমানে যে
প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তাতে খরচ হচ্ছে ২৫ কোটি ডলারের বেশি। তবে ভবিষ্যতে তা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই কার্যক্রম আরও আগেই শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে যায়। পুরো কর্মযজ্ঞের দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর। তারা ঠিকাদারদের মাধ্যমে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে গোলাবারুদের গুদাম এবং যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রিফুয়েলিংয়ের ফ্যাসিলিটিসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও কমান্ডারসহ অনেক নাগরিক নিহত হন। এর জবাবে ইসরায়েল হামলা চালায় ইরান। এরপর ২৩ জুন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান ও
ইসরায়েল একটি সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে চূড়ান্তভাবে সম্মতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি ১২ ঘণ্টা ধরে চলবে, এরপরই যুদ্ধকে সমাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।’ ট্রাম্প আরও জানান, প্রথমে ইরান যুদ্ধবিরতি শুরু করবে, এরপর ১২ ঘণ্টা পর ইসরায়েলও আনুষ্ঠানিকভাবে এতে যোগ দেবে। মোট ২৪ ঘণ্টা পর এই ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ বিশ্বব্যাপী সমাপ্ত হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। তিনি লেখেন, যুদ্ধবিরতির সময় দুপক্ষই শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখবে। আমরা ধরে নিচ্ছি, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে- যা অবশ্যই হবে। এ জন্য আমি ইসরায়েল ও ইরান উভয় দেশকে সাহস, ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার জন্য অভিনন্দন জানাই। এই যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারত—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন,
‘এই যুদ্ধ বছর বছর ধরে চলতে পারত, কিন্তু তা হয়নি এবং কখনোই হবে না!’ পোস্টের শেষাংশে ট্রাম্প বলেন, ‘গড ব্লেস ইসরায়েল, গড ব্লেস ইরান, গড ব্লেস দ্য মিডল ইস্ট, গড ব্লেস দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা এবং গড ব্লেস দ্য ওয়ার্ল্ড!’
প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তাতে খরচ হচ্ছে ২৫ কোটি ডলারের বেশি। তবে ভবিষ্যতে তা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই কার্যক্রম আরও আগেই শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে যায়। পুরো কর্মযজ্ঞের দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর। তারা ঠিকাদারদের মাধ্যমে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে গোলাবারুদের গুদাম এবং যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রিফুয়েলিংয়ের ফ্যাসিলিটিসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ও কমান্ডারসহ অনেক নাগরিক নিহত হন। এর জবাবে ইসরায়েল হামলা চালায় ইরান। এরপর ২৩ জুন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান ও
ইসরায়েল একটি সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে চূড়ান্তভাবে সম্মতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি ১২ ঘণ্টা ধরে চলবে, এরপরই যুদ্ধকে সমাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।’ ট্রাম্প আরও জানান, প্রথমে ইরান যুদ্ধবিরতি শুরু করবে, এরপর ১২ ঘণ্টা পর ইসরায়েলও আনুষ্ঠানিকভাবে এতে যোগ দেবে। মোট ২৪ ঘণ্টা পর এই ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ বিশ্বব্যাপী সমাপ্ত হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। তিনি লেখেন, যুদ্ধবিরতির সময় দুপক্ষই শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখবে। আমরা ধরে নিচ্ছি, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে- যা অবশ্যই হবে। এ জন্য আমি ইসরায়েল ও ইরান উভয় দেশকে সাহস, ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার জন্য অভিনন্দন জানাই। এই যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারত—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন,
‘এই যুদ্ধ বছর বছর ধরে চলতে পারত, কিন্তু তা হয়নি এবং কখনোই হবে না!’ পোস্টের শেষাংশে ট্রাম্প বলেন, ‘গড ব্লেস ইসরায়েল, গড ব্লেস ইরান, গড ব্লেস দ্য মিডল ইস্ট, গড ব্লেস দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা এবং গড ব্লেস দ্য ওয়ার্ল্ড!’



