প্রতারণা ও অপকৌশলে শেখ হাসিনার সততা-নিষ্ঠা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না: ব্যাংকের লকার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের বিবৃতি

২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ডেস্ক নিউজ , ডোনেট বাংলাদেশ

অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট গং কর্তৃক জননেত্রী শেখ হাসিনার ব্যাংক লকার বেআইনিভাবে ভেঙে তাঁর সততা ও নিষ্ঠাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ছল-চাতুরীপূর্ণ নাটক মঞ্চস্থ করায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ভাড়াকৃত নিরাপদ ব্যাংক লকার খুলতে হলে ব্যবহারকারী ব্যক্তির পূর্বানুমতি গ্রহণ করে খুলতে হয়। কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে লকার ভাঙা এক ধরনের ডাকাতি ও দুর্বৃত্তায়ন। অবৈধ দখলদার সেটাই করেছে। এই অনধিকার চর্চার মধ্য দিয়ে খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের হীনমন্যতার নগ্ন প্রকাশ ঘটেছে। বিবৃতিতে বলা হয়: এই গহনাগুলি ১৯১৪ সাল থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার দাদি, নানি ও মায়ের গহনা রয়েছে যা বংশপরম্পরায় প্রাপ্ত। শেখ হাসিনার বিয়ের গহনা, শেখ কামাল ও শেখ জামালের বিয়ের সময় প্রাপ্ত গহনা এখানে রাখা ছিল। সরকার কর্তৃক ১৯৮১ সালে ১২ই জুন মাসে ৩২নং সড়কের বাড়িটি হস্তান্তর করার সময় গহনাগুলো শেখ হাসিনার কাছে দেয়া হয়েছিল। সেসময় লকার ভাড়া করে সব গহনা রাখা হয়েছে। সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিয়ের গহনাও এই লকারে রাখা ছিল। সোনার গহনা যখন যে দামে কেনা হয়েছে বা বাজারে সোনার দর অনুসারে সবসময় যাকাত এবং ইনকাম ট্যাক্স দেওয়া হয়েছে। ২০০৭ সালে সম্পদ বিবরণীতে এই সম্পদের হিসেব দেয়া হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবার পর সেই মেয়াদ এবং তাঁর ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মেয়াদকালে এই লকার কখনও খোলা হয়নি। যার রেকর্ড ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নিকট আছে। আওয়ামী লীগ দৃঢ়তার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করে বলছে, ৫ মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই লকার স্পর্শও করেননি। এই গহনা নিয়ে ১৯৮১ সালে বিএনপি সরকারও এক ধরনের হৈ চৈ ফেলেছিল। আজ আবার সেই গহনা নিয়ে অসাংবিধানিক অবৈধ ইউনূস সরকারের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। অবৈধ সরকার স্বীকার না করলেও জানে যে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পরিবারটি একটি ঐতিহ্যবাহী, বনেদি ও বংশ পরম্পরায় অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল পরিবার। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের আপামর জনগণের নিকট জননেত্রী শেখ হাসিনার ইমেজ ও জনপ্রিয়তা স্পষ্ট ও দৃশ্যমান। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা ও নিষ্ঠা জনগণের নিকট প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, অবৈধ ইউনূস সরকার ব্যাংক ডাকাতি করে লকার ভেঙে গহনা লুট করেছে বলেই বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে। ইউনূস গং অগ্রণী ব্যাংক ডাকাতি করে লকার ভেঙে গহনা চুরি করেছে। পূবালী ব্যাংকের গহনাগুলো কোথায় গেল- সে বিষয়ে তদন্ত করতে হবে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, প্রতারক , মিথ্যাবাদী, গণশত্রু ও গণহত্যাকারী ইউনূস গং জনগণের নিকট সকল গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। প্রতারণার আশ্রয় না নিয়ে এবং সস্তা নাটক মঞ্চস্থ না করে দ্রুততম সময়ে অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা ত্যাগ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় পথ উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে। অন্যথায় জনতার সম্মিলিত ক্ষোভের আগুনে তাদের ধ্বংস অনিবার্য।