সবজির পর এবার ঊর্ধ্বমুখী মুদি পণ্যের

২৯ আগস্ট, ২০২৫ | ৬:২০ অপরাহ্ণ
ডেস্ক নিউজ , ডোনেট বাংলাদেশ

বাজারে গত ২ মাস ধরেই সবজির দাম বেশ চড়া। এরমধ্যে বেড়েছে মুদি পণ্যের দামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মসুর ডাল ও আটা-ময়দার। বাজারে ঢুকলেই যেন আগুন লেগে যাচ্ছে পকেটে। একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তি, অন্যদিকে সবজি কেনার ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ হয়ে উঠছে অসহনীয়। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী, শ্যামবাজার ও বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। পটল ৭০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, চড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লতি মুঠো ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এদিকে আলুর দামও বাড়তি। কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা কয়ক দিন আগেও ২০ টাকায় পাওয়া যেত। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। পেঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল থাকলেও তা ভোক্তাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং সংরক্ষণ সুবিধার অভাব— সব মিলিয়ে সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে। বাজারে তিন-চারদিন আগেও প্যাকেটজাত এক কেজি আটা কোম্পানিভেদে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হতো। এখন দাম বেড়ে হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। অন্যদিকে, খোলা আটার দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। একইভাবে কোম্পানিভেদে ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। খোলা ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। বাজারে ভালো মানের মসুর ডালের দাম ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও এখন দাম উঠেছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। অর্থাৎ, প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। একইভাবে বড় দানার মসুর ডালের দাম বেড়ে ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া উচ্চমূল্যে আটকে রয়েছে ডিম ও মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যে। যেখানে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৩০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহেও একই দামে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে মুরগির প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা দরে।