গাজীপুরের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে সরকার!
![](https://usbangla24.news/wp-content/uploads/2025/02/Yourxt-2502091454-300x169.webp)
গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালুর ঘোষণা দেয়। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই যৌথ বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও স্থাপনায় টহল জোরদার করা হয়। দেশব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ১,৩০৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। এর মধ্যে মেট্রোপলিটন এলাকায় ২৭৪ জন ও রেঞ্জ এলাকায় ১,০৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। গতরাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গতকাল (৮ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) ইনামুল হক সাগরের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “অভিযান চলমান রয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হুঁশিয়ারি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি বলেন, “দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা জামিনে মুক্তি পেয়েছে, তাদের ওপরও নজর রাখা হচ্ছে।” স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, “যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে, ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ তাদের আটক করা হবে। যতদিন পর্যন্ত শয়তান শেষ না হবে, এই অভিযান চলবে।”