‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
পদ্মার ওপারের প্রায় ২১টি জেলার প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষের জন্য আশীর্বাদ পদ্মাসেতু। পদ্মার ওপারের যাদের সাথে কথা হতো তাদের জীবনে মনে হয় একটাই কষ্ট ছিল, একটিই আশা ছিল যদি কোনো দিন পদ্মাসেতু হতো তাদের জীবনের আর কোনো কষ্ট থাকতো না।শীতকালে কুয়াশার কারণে পদ্মানদীতে ফেরি ছিল অনিশ্চিত। বর্ষার সময় ঝড় আর তীব্র স্রোতের কারণে প্রায় বন্ধ থাকতো, ঝড়ের কবলে অনেক প্রাণহানিও হয়েছে,শুকনো মৌসুমে মাঝে মাঝে চরে ফেরি আটকা পড়ে থাকতো। যার ফলশ্রুতিতে যত সমস্যায় পড়তে হতো অসুস্থ রোগী, এমনও হয়েছে সময়মতো ফেরি না পাওয়ার কারণে এ্যাম্বুলেন্সেই রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন, গর্ভবতী মহিলা, ভর্তি পরীক্ষার্থীরা,কাঁচা শাক-সবজির ট্রাক, চাকুরীর পরীক্ষা,বিদেশ যাত্রা সবই যেন ছিল অনিশ্চিত। জনমানুষের দীর্ঘদিনের হাহাকার ছিল একটি স্বপ্নের সেতুর জন্য।সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজে থেকে পদ্মার ওপারের মানুষের সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন,স্বপ্ন পুরণ করেছিলেন দঙ্গিণবঙ্গের মানুষের। সমাধান হয়েছে হাজারো সমস্যার,পরিবর্তন হয়েছে জীবন যাত্রার মান,সুফল পাচ্ছে জাতীয় অর্থনীতি,ওপারের মানুষ দেখা পেয়েছে নতুন স্বপ্নের,পদ্মার ওপারে শিল্প কারখানা হয়েছে,বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে,উন্নত বাংলাদেশের পথে আরও এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে। কিন্তু সব কিছু যেন আবারও অন্ধকারের দিকে চলে যাচ্ছে। দেশের দক্ষিণ এবং পশ্চিম অঞ্চল ঘিরে শেখ হাসিনার ছিল অনেক পরিকল্পনা। পদ্মার ওপারের মানুষের হাজারো সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই পদ্মাপারের ওপারের মানুষের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ অতীতের মতো আবারও শেখ হাসিনাতেই আস্থা থাকবে।-জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
