ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আ.লীগের লিফলেট তৈরি, সাবেক মহিলা ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত সনি: ২৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ছাত্রলীগের
গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা
টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪০
ধর্মীয় লেবাসে মহাপ্রতারণা: ৩ হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও জামায়াত নেতা
আগ্রাবাদ শেখ মুজিব সড়কজুড়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে যুবলীগের বিশাল মিছিল
‘ক্যাডেট কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি’: তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের মিথ্যাচারের নেপথ্যে
তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে ক্যাডেট কলেজ ও ক্যাডেট কমিউনিটিতে একটা রসালো মিথ্যা গল্প আছে। আমি যাওয়ার পরে আমাকেও এটা গেলানো হয়েছিলো।
ঘটনা এরকম, তোফায়েল আহমেদ নাকি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলেন ছাত্রলীগের কমিটি দিতে। তারপর নাকি কমিটি দিতে পারেননি, তাই তিনি ক্যাডেট কলেজ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। পরে সেটা নাকি এম এ জি ওসমানী হয়ে বঙ্গবন্ধুর কানে যায় এবং পরে ক্যাডেট কলেজ রক্ষা পায়। নতুন সংকলনে দল ভারী করতে দেখলাম জিয়াউর রহমানকেও সেই গল্পে এড করা হয়েছে।
এটা পুরোটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা।
১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রতাবর্তনের পর তোফায়েল আহমেদ ছিলেন তাঁর রাজনৈতিক সচিব ও সংসদ সদস্য। তিনি পাকিস্তানের ৭০-এর নির্বাচনেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একজন
সরকার প্রধানের রাজনৈতিক সচিব গেছেন একটা কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি দিতে! এটা কি বিশ্বাস হয়? মানে, তার কোনো আর কাজ নাই! আর যারা ছাত্র সংগঠনের কমিটি কীভাবে দেয় এটা সামান্য হলেও ধারণা রাখেন, তাদের কাছে এটা একটা মশকরা ছাড়া আর কিছুই না। দ্বিতীয়ত, তোফায়েল আহমেদের বড় ভাইয়ের ছেলে- (যাকে তিনি তার বাবার মৃত্যুর পর দত্তক নেন নিজ সন্তান হিসেবে) তিনি নিজে ৮০’র দশকে ক্যাডেট কলেজে পড়েছেন। মানে, তিনি যদি ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ঘৃণাই পোষণ করতেন, তাহলে কি নিজ সন্তানকে ক্যাডেট বানাতেন? একদম টিপিক্যাল ওয়েতেই এই মিথ্যা শিবিরের গান্ডুরা ছড়াচ্ছে। মানে, ওই যে অমুক ব্যাচের তমুক ভাইয়ের সমুক লেখায় পাইছি। সেই ভাই কে? কেন
লিখেছে? কোথায় লিখছে? আদৌ এই নামে কেউ এক্সিস্ট করে কি না- এসবের কোনো বালাই নেই। রসিয়ে রসিয়ে লেখে কোনো রেফারেন্স ছাড়া। আসল ঘটনা বলি, ক্যাডেট কলেজ মেইন্টেইন করা একটা দেশের জন্য একটা বিপুল খরচের ব্যাপার। এটা তখনকার যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনায় অত্যন্ত ভারী ছিলো। তাই তখনকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, ক্যাডেটদের খরচ তাদের অভিভাবকরাই বহন করবে। সিদ্ধান্ত আসার সাথে সাথে এটা পত্রিকায় আসে এবং তখনকার অভিভাবক ও ক্যাডেটরা আপত্তি জানিয়ে একটা চিঠি লেখে এম এ জি ওসমানী বরাবর। তিনি ব্যাপারটা বঙ্গবন্ধুকে জানান। বঙ্গবন্ধু তোফায়েল আহমেদকে ডেকে বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে বলেন। তিনি বেসরকারি খাত থেকে কিছু
অংশ ভর্তুকি দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের সাথে আলাপ করে সমাধান করে দেন। এটাই ছিল প্রকৃত ঘটনা। দুঃখিত এটা সত্য ইতিহাস তো, তাই এগুলোতে রস কম।
সরকার প্রধানের রাজনৈতিক সচিব গেছেন একটা কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি দিতে! এটা কি বিশ্বাস হয়? মানে, তার কোনো আর কাজ নাই! আর যারা ছাত্র সংগঠনের কমিটি কীভাবে দেয় এটা সামান্য হলেও ধারণা রাখেন, তাদের কাছে এটা একটা মশকরা ছাড়া আর কিছুই না। দ্বিতীয়ত, তোফায়েল আহমেদের বড় ভাইয়ের ছেলে- (যাকে তিনি তার বাবার মৃত্যুর পর দত্তক নেন নিজ সন্তান হিসেবে) তিনি নিজে ৮০’র দশকে ক্যাডেট কলেজে পড়েছেন। মানে, তিনি যদি ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ঘৃণাই পোষণ করতেন, তাহলে কি নিজ সন্তানকে ক্যাডেট বানাতেন? একদম টিপিক্যাল ওয়েতেই এই মিথ্যা শিবিরের গান্ডুরা ছড়াচ্ছে। মানে, ওই যে অমুক ব্যাচের তমুক ভাইয়ের সমুক লেখায় পাইছি। সেই ভাই কে? কেন
লিখেছে? কোথায় লিখছে? আদৌ এই নামে কেউ এক্সিস্ট করে কি না- এসবের কোনো বালাই নেই। রসিয়ে রসিয়ে লেখে কোনো রেফারেন্স ছাড়া। আসল ঘটনা বলি, ক্যাডেট কলেজ মেইন্টেইন করা একটা দেশের জন্য একটা বিপুল খরচের ব্যাপার। এটা তখনকার যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনায় অত্যন্ত ভারী ছিলো। তাই তখনকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, ক্যাডেটদের খরচ তাদের অভিভাবকরাই বহন করবে। সিদ্ধান্ত আসার সাথে সাথে এটা পত্রিকায় আসে এবং তখনকার অভিভাবক ও ক্যাডেটরা আপত্তি জানিয়ে একটা চিঠি লেখে এম এ জি ওসমানী বরাবর। তিনি ব্যাপারটা বঙ্গবন্ধুকে জানান। বঙ্গবন্ধু তোফায়েল আহমেদকে ডেকে বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান করতে বলেন। তিনি বেসরকারি খাত থেকে কিছু
অংশ ভর্তুকি দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের সাথে আলাপ করে সমাধান করে দেন। এটাই ছিল প্রকৃত ঘটনা। দুঃখিত এটা সত্য ইতিহাস তো, তাই এগুলোতে রস কম।



