নির্বাচিত আর্কাইভ এর সকল খবর

জেবিবিএ’র নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন এর নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও প্রেস কনফারেন্স হয় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে গত বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় আয়োজিত পরিচিত সভায় জেবিবিএ সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন। উল্লেখ্য, দুই…

হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, হলের সমস্যা সমাধান এবং ছাত্রীবান্ধব হল প্রভোস্ট নিয়োগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানায় হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা দেওয়াসহ দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি মেনে না নিলে আবারো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে এত রাতে আসতে পারব না— ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ। এরপর প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রী হলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে ৯টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে রাত ১২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এরপর রাত আড়াইটায় উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফিরেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’। শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা প্রায় সময়ই আমাদের সিট ক্যান্সেল করে দেওয়ার ভয় দেখান। তারা প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’। এরপর শুক্রবার বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে এক মাসের সময় চান উপাচার্য। এরপর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এক মাস সময় না মেনে নিয়ে উপাচার্যের ভবনের সামনে অবস্থান করে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দায়িত্বহীন প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করতে হবে এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে ও অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব এবং দায়িত্বশীল প্রভোস্ট কমিটি নিয়োগ দিতে হবে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নিলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছি, আমরা তাদের দাবিগুলো পূরণ করব। তারা হলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেসব সমস্যা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। সেজন্য আমরা কিছু সময় চেয়েছি।

বিগত ১১ বছর যাবৎ কারাগারে সাজা ভোগ করছেন তিনি। কারাগারে থেকেই দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অবিস্মরণীয় সাফল্য লাভ করায় তাকে দেওয়া হয়েছে চাটার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট হওয়ার বৃত্তি। পাকিস্তানের করাচিতে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নাইম শাহ নামে এক যুবক হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১১ বছর সাজা খাটছেন। কিন্তু কারাগারে থেকে পড়ালেখা করে তিনি ১০ লাখ রুপির শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন। পাকিস্তানের চাটার্ড অ্যাকাউনটেন্ট ইনস্টিটিউট (আইসিএপি) তাকে ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিকে অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই বৃত্তি দিয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, কারাগারে নাইম শাহ পড়ালেখা শুরু করে। সেখানে থেকেই সে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফলে সে শীর্ষ ২০ এর মধ্যে অবস্থান করছে। এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের পর নাইম আইসিএপি বরাবর চাটার্ড অ্যাকাউনটেন্ট হতে বৃত্তির জন্য আবেদন করে। আইসিএপি জবাব দেয়, তোমার শিক্ষাগত কৃতিত্বের ওপর ভিত্তি করে তুমি সিএ ট্যালেন্ট বৃত্তি লাভ করেছ। কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান শেহতু বলেন, কারাগারে থাকাকালীন নাইম শাহ ভালো ব্যবহার প্রদর্শন করেছে। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলার পরিবর্তে সে পড়ালেখা করেছে। কারা কর্তৃপক্ষ তাকে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।