ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে রাজনীতি সন্তানের হাতে কলম নয়, কফিন তুলে দিতে চায়—সেই জামাত-শিবিরের আগ্রাসন রুখুন, এই ভাঁওতাবাজ নির্বাচন বয়কট করুন।
আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র
এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা
ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ঢাকায় গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে হত্যা
৯০ শতাংশের বেশি রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায়
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত; এটাই হচ্ছে বিএনপির অবস্থান। তবে এটা শুধু বিএনপির দাবি নয়, দেশের ৯০ শতাংশের বেশি রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায়।
রোববার (৮ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন পেছানোর যৌক্তিকতা নেই। ডিসেম্বরের পর রমজান মাস শুরু হবে, যেটি সংযম ও ধর্মীয় অনুভূতির মাস। এরপর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা, আবহাওয়ার প্রতিকূলতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের সময় চলে আসবে। তাই নির্বাচন পেছানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীর স্বার্থে করা হচ্ছে বলেই সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
আমির খসরু বলেন, নির্বাচনের সময়
নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা এপ্রিলের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। সংস্কার কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। আর এতে এক থেকে দেড় মাসের বেশি সময় লাগবে না। এছাড়া বিচার প্রক্রিয়াও এগোচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসা, বিচার করবে আদালত। যদি বর্তমান সরকার সেটা না পারে, বিএনপি সেটা নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কেউ মাঠে, কেউ ধানখেতে রাত কাটিয়েছে। এত ত্যাগের পর দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। এই ত্যাগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপির এ নেতা বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সহনশীল রাজনীতি করতে হবে। অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে
হবে। সাংঘর্ষিক রাজনীতি নয়, আমরা চাই রাজনৈতিক সংস্কার ও জনগণের সঙ্গে সংযোগ।
নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা এপ্রিলের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। সংস্কার কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। আর এতে এক থেকে দেড় মাসের বেশি সময় লাগবে না। এছাড়া বিচার প্রক্রিয়াও এগোচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসা, বিচার করবে আদালত। যদি বর্তমান সরকার সেটা না পারে, বিএনপি সেটা নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কেউ মাঠে, কেউ ধানখেতে রাত কাটিয়েছে। এত ত্যাগের পর দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। এই ত্যাগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপির এ নেতা বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সহনশীল রাজনীতি করতে হবে। অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে
হবে। সাংঘর্ষিক রাজনীতি নয়, আমরা চাই রাজনৈতিক সংস্কার ও জনগণের সঙ্গে সংযোগ।



