ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের
টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের
মার্কিন চুক্তির খপ্পরে দেশের ওষুধশিল্প: ২০ টাকার ওষুধ হবে ৫০০, কাঁচামাল আমদানিতেও খড়গ
মৌখিক তিরস্কার অপরাধ নয়, মব সৃষ্টি-প্রশ্রয় দিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণতা, রিসেট বাটন চেপে সব ধ্বংস করা অপরাধ: হ্যাঁ ইউনূস, আপনি অপরাধী
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে চিকিৎসাধীন যুবককে গণধোলাই দিয়ে হত্যা
ইন্ডিয়া টুডে-কে শেখ হাসিনা: “ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের যোগ না দেয়া ‘অপরিণত’ সিন্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা”
কোটার বিরোধিতা করে নেতা হওয়া ফারুক এবার উপসচিব মর্যাদায় বিদ্যুৎ বিভাগের পরিচালক পদে
৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য গ্রেফতার
কক্সবাজারের রামুতে ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদার (২৭) নামে এক এপিবিএন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তার কাছ থেকে ইয়াবার পাশাপাশি একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার ৯৯০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেফতারের পর তিনি এপিবিএন সদস্য হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি গোপন রাখেন। এমনকি মামলার এজাহারেও তার এপিবিএন সদস্য পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। চার দিন পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
রোববার বিকাল ৩টার দিকে রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট এলাকায় আরাকান সড়কে সন্দেহজনকভাবে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালান বিজিবি সদস্যরা। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক মুন্না শিকদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের
ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্সে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৫৪ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ৩০ বিজিবির নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা করেন। তবে মামলার এজাহারে গ্রেফতার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য, এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। মামলার বাদী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বা এপিবিএনের সদস্য কিনা, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে পাওয়া নাম-পরিচয়ের ভিত্তিতে তাকে হেফাজতে নিয়ে রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। রামু থানার ওসি ফজলুল হকও বলেন, বিজিবির দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কিনা, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন। তবে ১৬ এপিবিএনের
অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউসার সিদ্দিকী নিশ্চিত করেছেন, মুন্না এপিবিএনের সদস্য। তিনি জানান, মুন্না ২১ দিনের ছুটিতে ছিলেন। এর মধ্যে তাকে ১৬ এপিবিএন থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। তবে নতুন কর্মস্থলে এখনো যোগ দেননি। অতিরিক্ত ডিআইজি কাউসার সিদ্দিকী বলেন, ছুটিতে থাকা অবস্থাতেই মুন্না এ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন। একজন পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে একসঙ্গে ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পরও তার পরিচয় মামলার এজাহারে উল্লেখ না করা এবং ঘটনার তথ্য চার দিন পর প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে বিজিবি সাধারণত ইয়াবাসহ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। ১০ থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাও তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আসে। অথচ এপিবিএন সদস্যের কাছ
থেকে প্রায় ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি জানতে বিজিবির গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্সে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৫৪ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ৩০ বিজিবির নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা করেন। তবে মামলার এজাহারে গ্রেফতার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য, এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। মামলার বাদী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বা এপিবিএনের সদস্য কিনা, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে পাওয়া নাম-পরিচয়ের ভিত্তিতে তাকে হেফাজতে নিয়ে রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। রামু থানার ওসি ফজলুল হকও বলেন, বিজিবির দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কিনা, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন। তবে ১৬ এপিবিএনের
অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউসার সিদ্দিকী নিশ্চিত করেছেন, মুন্না এপিবিএনের সদস্য। তিনি জানান, মুন্না ২১ দিনের ছুটিতে ছিলেন। এর মধ্যে তাকে ১৬ এপিবিএন থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। তবে নতুন কর্মস্থলে এখনো যোগ দেননি। অতিরিক্ত ডিআইজি কাউসার সিদ্দিকী বলেন, ছুটিতে থাকা অবস্থাতেই মুন্না এ ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন। একজন পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে একসঙ্গে ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পরও তার পরিচয় মামলার এজাহারে উল্লেখ না করা এবং ঘটনার তথ্য চার দিন পর প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে বিজিবি সাধারণত ইয়াবাসহ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। ১০ থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাও তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আসে। অথচ এপিবিএন সদস্যের কাছ
থেকে প্রায় ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি জানতে বিজিবির গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।



