ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
২০৪ ঘণ্টার বেঁচে থাকার লড়াই
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটিকে ঘিরে ২০৪ ঘণ্টার লড়াই। প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়েছেন চিকিৎসকরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য একের পর এক বদল করা হয় হাসপাতাল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় না ফেরার দেশে পাড়ি দিল শিশুটি।
জানা যায়, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার জারিয়া গ্রামের তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া ৮ বছরের ওই শিশু জেলা সদরের নিজনান্দুয়ালি মাঠপাড়া গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানেই ৫ মার্চ রাতে অবুঝ শিশুটিকে ধর্ষণ করে বোনের শ্বশুর হিটু শেখ। বড় বোনের ভাষ্য অনুযায়ী, তার স্বামী সজিব হোসেনও এই ধর্ষণকাণ্ডে জড়িত। সেই রুমের দরজা খুলে দিয়ে তার বাবাকে ঘরে ঢুকতে সাহায্য করেছে। এর আগে একাধিকবার তাকেও (বড় বোন) ধর্ষণের
চেষ্টা করেছে হিটু শেখ। পরিবার জানায়, ধর্ষণের পর শিশুটিকে হাসপাতালে নিতে চাইলে প্রথমে স্বামী ও শাশুড়ি বাধা দেয়। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর প্রথমে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেও তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। পরে ৬ মার্চ রাতে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৮ মার্চ ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছিলেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল। তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়েছে। পিআইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসায় ঢামেক শিশু বিভাগের প্রধানকে আহ্বায়ক ও পেডিয়াট্রিক সার্জারি, গাইনি এবং অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের চিকিৎসকদের
নিয়ে চার সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড জানায়, পাশবিক নির্যাতনের (ধর্ষণ) সময় শিশুটির গলা চেপে ধরা হয়েছিল। তার গলায় একটা দাগ আছে। গলা চেপে ধরার কারণে তার শ্বাসকষ্ট হয়েছে। ফলে সমস্যাগুলো আরও বেশি হচ্ছে। ঢামেকে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ও বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম টেলিফোনে খোঁজ নেন। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিশুটির মায়ের সঙ্গে কথা বলে সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তার আশ্বাস দেন। অবস্থার আরও অবনতি হলে ৮ মার্চ বিকাল ৫টার দিকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সিএমএইচও মেডিকেল বোর্ড করে তার
চিকিৎসা দিচ্ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটিকে নিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটি বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। হাসপাতালের সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এর আগে সকালে শিশুটির তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। দুবার স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃৎস্পন্দন ফিরে আসেনি।
চেষ্টা করেছে হিটু শেখ। পরিবার জানায়, ধর্ষণের পর শিশুটিকে হাসপাতালে নিতে চাইলে প্রথমে স্বামী ও শাশুড়ি বাধা দেয়। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর প্রথমে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেও তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। পরে ৬ মার্চ রাতে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৮ মার্চ ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছিলেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল। তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়েছে। পিআইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসায় ঢামেক শিশু বিভাগের প্রধানকে আহ্বায়ক ও পেডিয়াট্রিক সার্জারি, গাইনি এবং অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের চিকিৎসকদের
নিয়ে চার সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড জানায়, পাশবিক নির্যাতনের (ধর্ষণ) সময় শিশুটির গলা চেপে ধরা হয়েছিল। তার গলায় একটা দাগ আছে। গলা চেপে ধরার কারণে তার শ্বাসকষ্ট হয়েছে। ফলে সমস্যাগুলো আরও বেশি হচ্ছে। ঢামেকে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ও বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম টেলিফোনে খোঁজ নেন। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিশুটির মায়ের সঙ্গে কথা বলে সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তার আশ্বাস দেন। অবস্থার আরও অবনতি হলে ৮ মার্চ বিকাল ৫টার দিকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সিএমএইচও মেডিকেল বোর্ড করে তার
চিকিৎসা দিচ্ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিশুটিকে নিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটি বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। হাসপাতালের সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এর আগে সকালে শিশুটির তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। দুবার স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃৎস্পন্দন ফিরে আসেনি।



