ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র নয়, ‘কর্তৃত্ববাদ’: দ্য প্রিন্টকে হাসিনা
সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন অবৈধ—ভোটের নামে প্রহসন চলবে না
বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫ -দফা
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে
*ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি*
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
হাদির ওপর গুলি: পূর্বেই ‘সাজানো হামলার’ ভবিষ্যদ্বাণী করে ভাইরাল ফেসবুক স্ট্যাটাস!
রাজধানী ঢাকার বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের আসন্ন নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘রকিবুল ইসলাম রাব্বি’ (Rakibul Islam Rabbi) নামক একটি আইডির পুরনো একটি স্ট্যাটাস নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হামলার ঘটনার বেশ কিছু দিন আগেই ওই স্ট্যাটাসে হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।
রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় অস্ত্রধারীরা শরিফ ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনী প্রচারণার ডামাডোলের মধ্যে প্রার্থীর ওপর এমন সশস্ত্র হামলা জনমনে
আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। সংযুক্ত স্ক্রিনশটটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ‘Rakibul Islam Rabbi’ নামের ওই ফেসবুক আইডি থেকে গত ৩০ নভেম্বর (Nov 30) একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল। সেখানে তিনি শরিফ ওসমান বিন হাদিকে উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ এবং ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। স্ট্যাটাসটিতে যা লেখা ছিল: ১. নাম বিকৃত ও বিষোদগার: স্ট্যাটাসের শুরুতেই শরিফ ওসমান বিন হাদিকে কটাক্ষ করে ‘ক্যানভাসার হাদী’ বলে সম্বোধন করা হয়। এছাড়া তাকে ‘পাক-এজেন্সির পালিত পুত্র’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। ২. হামলার আগাম তথ্য: রকিবুল ইসলাম রাব্বি তার স্ট্যাটাসে দাবি করেন, তিনি একটি ‘ভয়াবহ তথ্য’ পেয়েছেন। তিনি লেখেন, "আগামী মাসের মাঝামাঝি নিজের লোকজন দিয়ে, নিজের উপর এবং নিজের কোন সমাবেশ সাজানো
হামলা ঘটাতে পারে।" ৩. উদ্দেশ্য সম্পর্কে দাবি: ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়, এই হামলার মূল পরিকল্পনা হলো হতাহতের ঘটনা সাজিয়ে জনমনে সহানুভূতির ঢেউ তোলা এবং তার মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা। ৪. তথ্যের উৎস: লেখক দাবি করেন, তিনি ‘মার্কসের দেওয়া সূত্র’ থেকে এই তথ্য পেয়েছেন এবং তার কাছে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য রয়েছে, যা তিনি পরবর্তী দিন প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছিল ৩০ নভেম্বর। স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছিল ঘটনাটি ঘটবে ‘আগামী মাসের মাঝামাঝি’ সময়ে। অর্থাৎ নভেম্বরের পরের মাস ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়কে ইঙ্গিত করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাটি সেই ভবিষ্যদ্বাণীর সময়ের সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে। ৩০ নভেম্বরের
ওই স্ট্যাটাস এবং বর্তমান হামলার ঘটনার যোগসূত্র নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি কি আসলেই কোনো রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য সাজানো নাটক, যেমনটি ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছিল? নাকি হামলাকারীরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রেখেছিল, যাতে হামলার পর দোষ ভিকটিমের ওপরই চাপানো যায়? ফেসবুক ব্যবহারকারী রকিবুল ইসলাম রাব্বি কীভাবে হামলার বিষয়ে এত সুনির্দিষ্ট তথ্য আগে থেকেই জানলেন? প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনা এবং তার আগেই ফেসবুকে এমন নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী—বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। সংযুক্ত স্ক্রিনশটটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ‘Rakibul Islam Rabbi’ নামের ওই ফেসবুক আইডি থেকে গত ৩০ নভেম্বর (Nov 30) একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল। সেখানে তিনি শরিফ ওসমান বিন হাদিকে উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ এবং ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। স্ট্যাটাসটিতে যা লেখা ছিল: ১. নাম বিকৃত ও বিষোদগার: স্ট্যাটাসের শুরুতেই শরিফ ওসমান বিন হাদিকে কটাক্ষ করে ‘ক্যানভাসার হাদী’ বলে সম্বোধন করা হয়। এছাড়া তাকে ‘পাক-এজেন্সির পালিত পুত্র’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। ২. হামলার আগাম তথ্য: রকিবুল ইসলাম রাব্বি তার স্ট্যাটাসে দাবি করেন, তিনি একটি ‘ভয়াবহ তথ্য’ পেয়েছেন। তিনি লেখেন, "আগামী মাসের মাঝামাঝি নিজের লোকজন দিয়ে, নিজের উপর এবং নিজের কোন সমাবেশ সাজানো
হামলা ঘটাতে পারে।" ৩. উদ্দেশ্য সম্পর্কে দাবি: ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়, এই হামলার মূল পরিকল্পনা হলো হতাহতের ঘটনা সাজিয়ে জনমনে সহানুভূতির ঢেউ তোলা এবং তার মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা। ৪. তথ্যের উৎস: লেখক দাবি করেন, তিনি ‘মার্কসের দেওয়া সূত্র’ থেকে এই তথ্য পেয়েছেন এবং তার কাছে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য রয়েছে, যা তিনি পরবর্তী দিন প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছিল ৩০ নভেম্বর। স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছিল ঘটনাটি ঘটবে ‘আগামী মাসের মাঝামাঝি’ সময়ে। অর্থাৎ নভেম্বরের পরের মাস ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়কে ইঙ্গিত করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাটি সেই ভবিষ্যদ্বাণীর সময়ের সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে। ৩০ নভেম্বরের
ওই স্ট্যাটাস এবং বর্তমান হামলার ঘটনার যোগসূত্র নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি কি আসলেই কোনো রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য সাজানো নাটক, যেমনটি ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছিল? নাকি হামলাকারীরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রেখেছিল, যাতে হামলার পর দোষ ভিকটিমের ওপরই চাপানো যায়? ফেসবুক ব্যবহারকারী রকিবুল ইসলাম রাব্বি কীভাবে হামলার বিষয়ে এত সুনির্দিষ্ট তথ্য আগে থেকেই জানলেন? প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনা এবং তার আগেই ফেসবুকে এমন নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী—বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।



