হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, হলের সমস্যা সমাধান এবং ছাত্রীবান্ধব হল প্রভোস্ট নিয়োগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানায় হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা দেওয়াসহ দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি মেনে না নিলে আবারো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে এত রাতে আসতে পারব না— ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ। এরপর প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রী হলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে ৯টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে রাত ১২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এরপর রাত আড়াইটায় উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফিরেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’। শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা প্রায় সময়ই আমাদের সিট ক্যান্সেল করে দেওয়ার ভয় দেখান। তারা প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’। এরপর শুক্রবার বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে এক মাসের সময় চান উপাচার্য। এরপর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এক মাস সময় না মেনে নিয়ে উপাচার্যের ভবনের সামনে অবস্থান করে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দায়িত্বহীন প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করতে হবে এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে ও অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব এবং দায়িত্বশীল প্রভোস্ট কমিটি নিয়োগ দিতে হবে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নিলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছি, আমরা তাদের দাবিগুলো পূরণ করব। তারা হলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেসব সমস্যা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। সেজন্য আমরা কিছু সময় চেয়েছি।

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১৪ জানুয়ারি ২০২২, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, হলের সমস্যা সমাধান এবং ছাত্রীবান্ধব হল প্রভোস্ট নিয়োগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা।   দাবি না মানায় হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা দেওয়াসহ দাবি মেনে নিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি মেনে না নিলে আবারো আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।   এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে এত রাতে আসতে পারব না— ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই’ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এমন মন্তব্য করেন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ।  এরপর প্রভোস্টের পদত্যাগ, আবাসিক ছাত্রী হলের বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন দাবিতে ৯টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।   দাবি আদায়ে রাত ১২টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এরপর রাত আড়াইটায় উপাচার্যের আশ্বাসে হলে ফিরেন শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবিতে হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে তিনি বলেন ‘বের হয়ে গেলে বের হয়ে যাও, কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়ে নাই।’ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায় নাই’।  শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টরা প্রায় সময়ই আমাদের সিট ক্যান্সেল করে দেওয়ার ভয় দেখান। তারা প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের প্রায় সময়ই বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দয়া করে থাকতে দিয়েছি এটাই বেশি’।  এরপর শুক্রবার বেলা ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল।  এ সময় শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে এক মাসের সময় চান উপাচার্য। এরপর শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এক মাস সময় না মেনে নিয়ে উপাচার্যের ভবনের সামনে অবস্থান করে হল প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেন।  এ সময় তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দায়িত্বহীন প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে, অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করতে হবে এবং সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে ও অবিলম্বে ছাত্রীবান্ধব এবং দায়িত্বশীল প্রভোস্ট কমিটি নিয়োগ দিতে হবে।   শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নিলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।  এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছি, আমরা তাদের দাবিগুলো পূরণ করব। তারা হলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেসব সমস্যা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। সেজন্য আমরা কিছু সময় চেয়েছি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ফাইজারের আরও ২৩ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসছে আজ (শুক্রবার)। টিকার এই চালান রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকায় পৌঁছবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক শুক্রবার বিকালে যুগান্তর‌কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে গড়ে তোলা প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশে ফাইজারের আরও ২৩ লাখ টিকা আসছে। আজ (শুক্রবার) রাত সাড়ে ৯টায় একটি বিশেষ বিমানে এই টিকা আসার কথা রয়েছে। এই টিকা গ্রহণ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা বিমানবন্দ‌রে যাবেন।

সচিব জানান, বিমানবন্দর থেকে এই টিকা মহাখালীর কেন্দ্রীয় আইপিআইয়ের ওয়্যার হাউসে রাখা হবে। এই টিকা শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।