ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
সৌদি সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, শুরু হলো শীর্ষ বৈঠক
মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় বিকেলে সৌদির রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী বিমান। ব্যতিক্রমীভাবে তাকে স্বাগত জানান সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। খবর আরব নিউজ।
সাধারণত সৌদিতে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান প্রাদেশিক গভর্নররা বা মধ্যম পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা। তবে ট্রাম্পের বেলায় এই প্রথার ব্যতিক্রম ঘটিয়ে নিজে বিমানবন্দরে যান যুবরাজ সালমান, যা দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব ও উষ্ণতা প্রকাশ করে।
বার্তাসংস্থা এপি জানায়, ট্রাম্পের বিমান সৌদি আকাশসীমায় প্রবেশের পরপরই দেশটির বিমানবাহিনীর এফ-১৫ যুদ্ধবিমানগুলো তার বিমানকে এস্কোর্ট করে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসে। পরে বিমানবন্দরের গ্র্যান্ড হলে তাকে ঐতিহ্যবাহী আরবি
কফি দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। বিমানবন্দরেই শুরু হয় সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠক। এতে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ছাড়াও গাজা পরিস্থিতি, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং ইয়েমেন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। আরব নিউজ একে ‘ঐতিহাসিক সফর’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, গাজা যুদ্ধ পরিস্থিতি, কৌশলগত কূটনীতি এবং বহুমুখী বাণিজ্যচুক্তির সম্ভাবনার কারণে ট্রাম্পের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। সফরের অংশ হিসেবে ট্রাম্প কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যাবেন। তবে ২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্য সফর ইসরায়েল দিয়ে শুরু করলেও এবারের সফরে সে দেশ নেই। ট্রাম্পের সফরের সময়ই হামাস রেড ক্রসের কাছে মার্কিন-ইসরায়েলি নাগরিক এডান আলেকজান্ডারকে হস্তান্তর করে। ওয়াশিংটন
ছাড়ার আগে ট্রাম্প বলেন, এটি বড় খবর। তিনি তার পরিবারে ফিরে যাচ্ছেন, যা অসাধারণ। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজা যুদ্ধ পরিচালনা, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহ এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে মতপার্থক্য ক্রমেই বাড়ছে—এমনটাই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সব মিলিয়ে ট্রাম্পের এই সফর শুধু মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত। ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরসৌদি আরবসৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানদ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক
কফি দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। বিমানবন্দরেই শুরু হয় সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠক। এতে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ছাড়াও গাজা পরিস্থিতি, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং ইয়েমেন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। আরব নিউজ একে ‘ঐতিহাসিক সফর’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, গাজা যুদ্ধ পরিস্থিতি, কৌশলগত কূটনীতি এবং বহুমুখী বাণিজ্যচুক্তির সম্ভাবনার কারণে ট্রাম্পের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। সফরের অংশ হিসেবে ট্রাম্প কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যাবেন। তবে ২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্য সফর ইসরায়েল দিয়ে শুরু করলেও এবারের সফরে সে দেশ নেই। ট্রাম্পের সফরের সময়ই হামাস রেড ক্রসের কাছে মার্কিন-ইসরায়েলি নাগরিক এডান আলেকজান্ডারকে হস্তান্তর করে। ওয়াশিংটন
ছাড়ার আগে ট্রাম্প বলেন, এটি বড় খবর। তিনি তার পরিবারে ফিরে যাচ্ছেন, যা অসাধারণ। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজা যুদ্ধ পরিচালনা, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহ এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে মতপার্থক্য ক্রমেই বাড়ছে—এমনটাই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সব মিলিয়ে ট্রাম্পের এই সফর শুধু মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত। ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরসৌদি আরবসৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানদ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক



