ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
সেই শিক্ষা সচিবের পিএসকেও সরিয়ে দেওয়া হলো
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিতর্কিত সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে প্রত্যাহার করে অন্তর্বর্তী সরকার। পরের আনুষ্ঠানিক আদেশে তাকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তখন থেকেই তার ক্ষমতার পিএস মো. আলী আফরোজকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন উঠছিল। সচিবের অনিয়ম দুর্নীতির অন্যতম হোতা তার পিএস।
সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন মতে, আলী আফরোজ সচিবালয়ের বাইরে অর্থাৎ আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে কাজ করবেন। আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে তাকে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ওই অপরাহ্ণে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) বলে গণ্য হবেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর
আগে গত ৯ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ দেওয়া হয়। তারা হলেন- মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মোসা. শাম্মী আক্তার এবং মোসা. রেবেকা সুলতানা। এরমধ্যে শাম্মীকে (পরিচিতি নম্বর ১৬২২৪) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ও সুলতানাকে (পরিচিতি নম্বর ১৬৬৯১) নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে বদলি তথা স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। অভিযোগ আছে ওই দুইজন তিন বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। তাকে বদলি ঠেকানোর তদবিরে ঊর্ধ্বতনরা রীতিমতো অস্বস্তিতে থাকতেন।
আগে গত ৯ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ দেওয়া হয়। তারা হলেন- মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মোসা. শাম্মী আক্তার এবং মোসা. রেবেকা সুলতানা। এরমধ্যে শাম্মীকে (পরিচিতি নম্বর ১৬২২৪) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ও সুলতানাকে (পরিচিতি নম্বর ১৬৬৯১) নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে বদলি তথা স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। অভিযোগ আছে ওই দুইজন তিন বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। তাকে বদলি ঠেকানোর তদবিরে ঊর্ধ্বতনরা রীতিমতো অস্বস্তিতে থাকতেন।



