ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
তীব্র সংঘর্ষের পর কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে সিরিয়া সরকার। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। খবর আলজাজিরা।
চুক্তি অনুযায়ী, ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিমাঞ্চল থেকে এসডিএফ তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করবে। একই সঙ্গে এসডিএফের যোদ্ধাদের সিরিয়ার জাতীয় সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেন, এই চুক্তির ফলে আল-হাসাকা, দেইর আজ-জোর ও রাক্কা প্রদেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় দায়িত্ব নেবে, যা আগে এসডিএফের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
তিনি স্থানীয় আরব গোত্রগুলোকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রয়োজন।
চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, আইএস (আইএসআইএল) বন্দিদের শিবির ও সেগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসডিএফ প্রশাসনকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করা
হবে। এর ফলে এসব বিষয়ে পূর্ণ দায়িত্ব নেবে সিরিয়া সরকার। এ ছাড়া এসডিএফ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সামরিক, নিরাপত্তা ও বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য কয়েকজন নেতার নাম প্রস্তাব করবে। যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি বিভাজনের বদলে অংশীদারত্বের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আল-শারার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দামেস্ককে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।
হবে। এর ফলে এসব বিষয়ে পূর্ণ দায়িত্ব নেবে সিরিয়া সরকার। এ ছাড়া এসডিএফ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সামরিক, নিরাপত্তা ও বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য কয়েকজন নেতার নাম প্রস্তাব করবে। যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি বিভাজনের বদলে অংশীদারত্বের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আল-শারার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দামেস্ককে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।



