ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক
গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল
প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে!
সর্বনিম্ন ভোটার টার্ণআউট, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রগুলো, আওয়ামী লীগের আহ্বানে বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন বর্জন
আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয়
ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক! ইউনুস–জামাত–বিএনপির নীলনকশার গণপ্রহসন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ: সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীর, ১৫০ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি
সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সুবিধা বাড়ছে
অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মচারীদের পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন ও কল্যাণমূলক সেবা বাড়াতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে পেনশনারদের জীবনযাত্রা আরও সুরক্ষিত হবে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য পেনশন পুনঃস্থাপনের অপেক্ষাকাল ১৫ বছর থেকে কমিয়ে ১০ বছরে আনার প্রস্তাব অর্থ বিভাগ জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠাবে। এছাড়া, পুনঃস্থাপনের আগে কেউ মারা গেলে তার স্বামী/স্ত্রী বা যোগ্য উত্তরাধিকারীদের পেনশন সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব আ ক ম সাইফুল ইসলাম
চৌধুরী পেনশনভোগীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। নতুন প্রস্তাবমালা অনুযায়ী— পেনশন পুনঃস্থাপন সময় ১৫ বছর থেকে কমিয়ে ১০ বছর করার সুপারিশ করা হয়েছে। পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর দ্বিতীয় বিয়ে করলে—মৃত্যুর পরে দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীকেও নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিক পেনশন প্রদানের প্রস্তাব করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগী যদি জটিল রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে সরকারী কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে। প্রবাসে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতার স্বাক্ষরদানসহ অন্যান্য বিষয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি ও পেনশন পুনঃস্থাপন হলে পুরোদমে ভাতাসম্বন্ধিত সুবিধা যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অবসরগ্রহণ করার পর যারা একটি করে পুরো পেনশন একবারে উত্তোলন করেছেন, তাদের
মাসিক পেনশন প্রাপ্তির বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে, যেন তারা পুনরায় মাসিক উপার্জন ও সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা পেতে পারেন। এর বাইরে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি-সংক্রান্ত কমিটিতে জনপ্রশাসন সচিবকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অর্থ বিভাগকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দিতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ ছাড়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতেও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে এর আগে সময়ে সময়ে নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় এখন পেনশন নিয়ে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। অর্থ বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পেনশন অ্যান্ড ফান্ড
ম্যানেজমেন্টের চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার এবং বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির প্রশাসককে সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত আমরা পেয়েছি। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এর মধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।
চৌধুরী পেনশনভোগীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। নতুন প্রস্তাবমালা অনুযায়ী— পেনশন পুনঃস্থাপন সময় ১৫ বছর থেকে কমিয়ে ১০ বছর করার সুপারিশ করা হয়েছে। পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর দ্বিতীয় বিয়ে করলে—মৃত্যুর পরে দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীকেও নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিক পেনশন প্রদানের প্রস্তাব করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগী যদি জটিল রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে সরকারী কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে। প্রবাসে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতার স্বাক্ষরদানসহ অন্যান্য বিষয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি ও পেনশন পুনঃস্থাপন হলে পুরোদমে ভাতাসম্বন্ধিত সুবিধা যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অবসরগ্রহণ করার পর যারা একটি করে পুরো পেনশন একবারে উত্তোলন করেছেন, তাদের
মাসিক পেনশন প্রাপ্তির বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে, যেন তারা পুনরায় মাসিক উপার্জন ও সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা পেতে পারেন। এর বাইরে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি-সংক্রান্ত কমিটিতে জনপ্রশাসন সচিবকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অর্থ বিভাগকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দিতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ ছাড়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতেও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে এর আগে সময়ে সময়ে নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় এখন পেনশন নিয়ে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। অর্থ বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পেনশন অ্যান্ড ফান্ড
ম্যানেজমেন্টের চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার এবং বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির প্রশাসককে সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পেনশন-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত আমরা পেয়েছি। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এর মধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।



