শিল্পকলা একাডেমি ইউএসএ ইনকের গুণীজন সন্মাননা

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২১ মে ২০২২, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
শিল্পকলা একাডেমি ইউএসএ ইনকের গুণীজন সন্মাননা

শিল্পকলা একাডেমি ইউএসএ ইনক ১৮ মে বুধবার আয়োজন করেছিল ঘরোয়া ছোট্ট আয়োজন। বাংলাদেশ থেকে আগত বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী তিমির রায় ও নিগার সুলতানা তৌহিদ যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষে ছিল এ অনুষ্ঠান আয়োজন। শিল্পকলা একাডেমি ইউএসএ ইনক একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক সংগঠন। এখানে বাংলা ভাষা, সংগীতসহ বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রচার প্রসারে কাজ করা হয়। যেহেতু অলাভজনক সংগঠন, তাই সীমাবদ্ধতাও রয়েছে যথেষ্ট। তবে সাধ্যমতো মুক্তিযোদ্ধা সন্মাননা, শিল্পীদের সহযোগিতা ও সন্মাননা, জাতীয় দিবসগুলো উদযাপনসহ কিছু কাজ চলছে দশ বছর যাবত। নতুন প্রজন্মকে বাংলা শিক্ষাদান ও শুদ্ধ সংস্কৃতি শিক্ষাদানের কাজেও এগিয়ে আছে এই প্রতিষ্ঠান। তিমির রায় ও নিগার সুলতানা তৌহিদকে একাডেমির পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সন্মানিত করেছেন শিল্পকলার সম্পাদকেরা।

শিল্পকলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনিকা রায় চৌধুরী বলেন, ‘শিল্পকলার নিজস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান আমরা এখনও প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। দীর্ঘ দশ বছর ধরে আমরা শিল্পকলা একাডেমি নামে এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমার বাসার ছোট্ট পরিসরে এর অফিস বসিয়েছি। ছোটখাটো ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজনও করি বাসার এই ছোট্ট পরিসরে। আমাদের নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশ তো বড়।’ অনুষ্ঠানে তিমির রায়ের অপূর্ব গায়কী উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। তিমির রায় একজন শুদ্ধ সংগীত শিল্পী। সংগীত অন্তপ্রাণ একটি শিল্পী পরিবারে তার জন্ম। ঢাকা থেকে বেড়াতে এসেছেন তার দিদি ভারতী রায়ের বাসায়। যোগ্য দিদির সুযোগ্য ভাই। দুজনই গান অন্তপ্রাণ।

ঢাকা থেকে আরও এসেছেন নিগার সুলতানা তৌহিদ। যিনি ব্যক্তি জীবনে রাজনীতিবিদ শামীম ওসমানের বড় বোন। একটি সক্রিয় রাজনৈতিক পরিবারে তার জন্ম। গুণী এই মানুষটি যেমন লেখালেখি করেন তেমনি ভালো গান করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে গান করেন নিগার সুলতানা তৌহিদ, রুনা রায় ও কনিকা দাস। প্রতিটি গানের সাথে ক্লান্তিহীনভাবে তবলায় সংগত করে যাচ্ছিলেন যে মানুষটি তার কথা না বললেই নয়। তুখোর তবলা বাদক হাসান আরিফ তবলায় সত্যিই লা জওয়াব! অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় ছিলেন শেলী জামান খান। উপদেষ্টা কবি সালেহ উদ্দীন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তৌহিদ আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট কনিকা দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহর খান, সাহিত্য সম্পাদক ভারতী রায়, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুনা রায়, কার্যকরী সদস্য দেবানন্দ রায়, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বাবলী হক ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট কৃষ্ণ চন্দ্র সরকারসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনে।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।