ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দায়িত্বে ফিরছে এপিবিএন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর নিরাপত্তার দায়িত্ব আবারও ফিরেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। অন্যদিকে দায়িত্ব শেষ করে নিজ নিজ বাহিনীতে ফিরে যাবেন বিমানবাহিনীর সদস্যরা।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ঠিক করা হয়েছে এপিবিএন বিমানবন্দরের ভেতরে নিরাপত্তার দায়িত্বে ফিরবে এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজ নিজ বাহিনীতে ফিরে যাবেন।
২০২৪ সালের আগস্টে ‘আনসার বিদ্রোহে’ রাতারাতি হাজারখানেক আনসার সদস্য দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেলে সেখানে অস্থায়ীভাবে বিমানবাহিনী মোতায়েন করা হয়। একই সময়ে এপিবিএনকেও টার্মিনালের ভেতরে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়।
আরও জানা যায়, এপিবিএন অভিযোগ তোলে যে, তাদের এয়ার সাইডে থাকা অফিসকক্ষ থেকে মালামাল সরিয়ে
দিয়েছে অ্যাভসেক। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও হয়। এদিকে যাত্রী হয়রানি ও ভিডিও গণমাধ্যমে সরবরাহের মতো অভিযোগ পালটাপালটি উত্থাপিত হতে থাকে। সর্বশেষ বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালের চিঠিতে এপিবিএন অধিনায়কের শিষ্টাচার ভঙ্গের অভিযোগ বিষয়টিকে আরও জটিল করে তোলে। সরকারি সূত্রে জানা যায়, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিকবিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সচিব এম সাইফুল্লাহ পান্না, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় সভাপতির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলো একই লক্ষ্যে
কাজ করছে। আমাদের কথায় ও কাজে পেশাদারত্ব এবং পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে হবে। আরও জানা যায়, সভায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তগুলো বিমানবন্দরের একক কমান্ড, রেগুলেশন এবং নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতের জন্য এখানে কার্যকর সব সংস্থাই বেবিচকের একক কর্তৃত্বে কাজ করবে এপিবিএন ও অ্যাভসেক তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। যত দ্রুত সম্ভব এপিবিএন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের ভেতরে কাজ শুরু করবে; আইজিপি ও বেবিচক চেয়ারম্যান অপারেশনাল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সভা করবেন; বিমানবাহিনীর টাস্কফোর্স তাদের দায়িত্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাতৃ সংস্থায় ফিরে যাবে; সব বিমানবন্দরে প্রতি সপ্তাহে নিরাপত্তা সভা হতে হবে; সুদূরপ্রসারী কাঠামোগত পরিবর্তনে অংশ হিসেবে বেবিচককে অপারেটর ও রেগুলেটরের পৃথক ভূমিকায় পুনর্গঠনের বিষয়ে
সুপারিশ জানাতে পারে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়।
দিয়েছে অ্যাভসেক। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও হয়। এদিকে যাত্রী হয়রানি ও ভিডিও গণমাধ্যমে সরবরাহের মতো অভিযোগ পালটাপালটি উত্থাপিত হতে থাকে। সর্বশেষ বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালের চিঠিতে এপিবিএন অধিনায়কের শিষ্টাচার ভঙ্গের অভিযোগ বিষয়টিকে আরও জটিল করে তোলে। সরকারি সূত্রে জানা যায়, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিকবিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সচিব এম সাইফুল্লাহ পান্না, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় সভাপতির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলো একই লক্ষ্যে
কাজ করছে। আমাদের কথায় ও কাজে পেশাদারত্ব এবং পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে হবে। আরও জানা যায়, সভায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তগুলো বিমানবন্দরের একক কমান্ড, রেগুলেশন এবং নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতের জন্য এখানে কার্যকর সব সংস্থাই বেবিচকের একক কর্তৃত্বে কাজ করবে এপিবিএন ও অ্যাভসেক তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। যত দ্রুত সম্ভব এপিবিএন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের ভেতরে কাজ শুরু করবে; আইজিপি ও বেবিচক চেয়ারম্যান অপারেশনাল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সভা করবেন; বিমানবাহিনীর টাস্কফোর্স তাদের দায়িত্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাতৃ সংস্থায় ফিরে যাবে; সব বিমানবন্দরে প্রতি সপ্তাহে নিরাপত্তা সভা হতে হবে; সুদূরপ্রসারী কাঠামোগত পরিবর্তনে অংশ হিসেবে বেবিচককে অপারেটর ও রেগুলেটরের পৃথক ভূমিকায় পুনর্গঠনের বিষয়ে
সুপারিশ জানাতে পারে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়।



