শক্ত অবস্থানে আওয়ামী লীগ কোন্দলে জর্জরিত বিএনপি – U.S. Bangla News




শক্ত অবস্থানে আওয়ামী লীগ কোন্দলে জর্জরিত বিএনপি

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ৮ মার্চ, ২০২৩ | ৬:৫৯
ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-২ আসনটি আওয়ামী লীগের শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে বরাবরই পরিচিত ও প্রমাণিত। একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত ভাষা সংগ্রামী ও আওয়ামী লীগ থেকে এই আসনে নির্বাচিত পাঁচ বারের সংসদ সদস্য এম শামছুল হকের পুত্র গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বর্তমানে এই আসনের এমপি হিসেবে এলাকায় শক্ত অবস্থান ও নিজস্ব বলয় তৈরি করেছেন। বিভক্তি ও কোন্দলে জর্জরিত হলেও বিএনপি চাইছে নৌকার ঘাঁটিতে হানা দিতে। শরীফ আহমেদ এমপির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এখন বেশ ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে শরীফ আহমেদ এমপি সম্ভাব্য একক প্রার্থী। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখে সব সময় পাশে থেকেছেন। বিশেষ করে করোনাকালীন

মানুষকে ব্যাপক সহায়তা দিয়ে সুনাম কুড়িয়েছেন। আগামী নির্বাচনে শরীফ আহমেদের প্রার্থিতা নিশ্চিত, এমনটাই মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা। মুখে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশার কথা জানালেও এই আসনে আওয়ামী লীগের আর কোনো প্রার্থী নেই বললেই চলে। মনোনয়নের আশায় কাউকে মাঠেও দেখা যায়নি। নির্বাচন এলে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ এলাকায় আসেন। এবারও আসতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। এর বাইরে সাবেক এমপি হায়াতুর রহমান খান বেলাল মনোনয়ন চাইতে পারেন, এমন শোনা যায়। তবে দলের জন্য তিনি সময় দিতে পারছেন না। অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। বিএনপি থেকে এই আসনে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চান একাধিক নেতা। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়া এই আসনে

আর কোনো দলের প্রার্থীর তৎপরতার কথা শোনা যায়নি। জাতীয় পার্টি থেকে এনায়েত হোসেন ম-ল মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে জানা গেছে। ফুলপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভাসহ তারাকান্দা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে ময়মনসিংহ-২ ফুলপুর-তারাকান্দা আসন। জেলার সর্ববৃহৎ ২০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ২৫২ জন। আর নারী ভোটার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩২ জন। গত ১১টি সংসদ নির্বাচনের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আটবার, বিগত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনসহ বিএনপির প্রার্থী দুইবার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী একবার ও মুসলিম লীগের প্রার্থী একবার

বিজয়ী হন। এর মধ্যে বিগত ১৯৭০, ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-২ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর একুশে পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) ভাষা সংগ্রামী এম শামছুল হক। বিগত ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন তালুকদার, ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী স্বাধীনতা বিরোধী রজব আলী ফকির, ১৯৯৬ সালের বিতর্কিত ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ, বিগত ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রয়াত রজব আলী ফকিরের পুত্র বিএনপির প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ার, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হায়াতুর রহমান খান বেলাল এবং গত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত

হন শরীফ আহমেদ। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর সরকার শরীফ আহমেদ এমপিকে প্রথমে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। বর্তমানে তিনি সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে ফের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে নিজ এলাকার মাঠঘাট চষে বেড়াচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। স্থানীয় এমপি ও সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শরীফ আহমেদ ময়মনসিংহ-ফুলপুর মহাসড়কের উন্নয়ন, এলাকার ব্রিজ, কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং তারাকান্দা উপজেলায় ৫০ শয্যার হাসপাতালের নতুন ভবন, উপজেলা পরিষদ ভবন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসহ দৃশ্যমান উন্নয়ন করে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হন। এসব নানা কারণে কোনো বিভেদ-কোন্দল নেই দলে। ফলে একক প্রার্থী হিসেবে

অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। যদিও আওয়ামী লীগ থেকে প্রতিবার মনোনয়ন চান ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ। লোকমুখে তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাশার কথা শোনা গেলেও এলাকায় কোনো তৎপরতা নেই। এর আগে আওয়ামী লীগ থেকে অ্যাডভোকেট ফজলুল হকের নাম শোনা গেলেও এখন তিনি মনোনয়ন লাভের আশা ছেড়ে দিয়ে চুপচাপ রয়েছেন। ফলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ থেকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মতো কারও নাম শোনা যাচ্ছে না। গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি বলেন, বিগত দিনে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থেকেছি। সাধ্যমত তাদের প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ করেছি। সব কিছু

মিলিয়ে আওয়ামী লীগ এখন এই আসনে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। যে কোনো মূল্যে আওয়ামী লীগের এই দুর্গকে আরও সুরক্ষিত করে আগামী নির্বাচনে জয় অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান তিনি। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে তিনি আবার মনোনয়ন চান। তিনি বলেন, দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে আওয়ামী লীগের নিশ্চিত বিজয় হবে এই আসনে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি হায়াতুর রহমান খান বেলাল জানান, বিগত ৫০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি। সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। জনগণের জন্য কাজ করেছি। এখনো জনগণের সঙ্গে আছি। জনগণই আমার শক্তি। আগামীতেও জনগণ চাইলে নির্বাচন করব। আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ

জানান, এর আগেও আওয়ামী লীগ থেকে আমি মনোনয়ন চেয়েছি। দল যাকে দিয়েছে তাঁর পক্ষে কাজ করেছি। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দলের পক্ষে সারাজীবন কাজ করেছি। এলাকার মানুষের সুখে, দুঃখে পাশে থেকেছি। মামলা-মোকাদ্দমায় জড়িয়ে পড়া দলের নেতাকর্মীদের পক্ষে লড়েছি। করোনাকালীন ফুলপুর- তারাকান্দার ২০ ইউনিয়নের মানুষকে সাধ্যমত সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করেছি। এসব নানা কারণে মানুষ আমাকে পছন্দ করে, ভালবাসে। আগামীতে দলের নেতাকর্মৗসহ এলাকাবাসী নুতন মুখ দেখতে চায়। এই বিবেচনায় আশা করছি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। এদিকে, এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক প্রার্থী দীর্ঘদিন যাবত নানা তৎপরতা চালিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি প্রয়াত রজব আলী

ফকিরের পুত্র সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার, ফুলপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এনায়েতুর রহমান, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ, সাবেক ছাত্রদল নেতা মোতাহার হোসেন তালুকদার ও সাবেক পৌর মেয়র আমিনুল হক আগামী নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। কোন্দলে জর্জর ও বিভক্ত বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এলাকায় নিজেদের একক আধিপত্য প্রমাণের চেষ্টার উদাহরণ এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার ও সাবেক ছাত্রদল নেতা মোতাহার হোসেন তালুকদারের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ আছেন একলা চলো নীতি নিয়ে। এ রকম অবস্থায় এই আসনে বিএনপি ত্রিধারায় বিভক্তি দৃশ্যমান। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা- কর্মীরাও আছেন এই ত্রিধারার সঙ্গে। নির্বাচন ও মনোনয়নকে সামনে রেখে এই কোন্দল আরও দৃশ্যমান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফুলপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এনায়েতুর রহমান বলেন, আমি এর আগে তিনবার মনোনয়ন চেয়েছি। মনোনয়ন না পেলেও হাল ছাড়িনি। ফুলপুর ও তারাকান্দা এলাকার ২০টি ইউনিয়নের মূল বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় ও আত্মিক যোগাযোগ আছে। জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে আসা নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করে সংগঠিত করেছি। জাপা থেকে আসা শাহ শহীদ সারোয়ার বিএনপির সাজানো বাগানে এসে এমপি হয়েছেন। এখন রাজনীতির নামে যারা দুর্বৃত্তায়ন করছে তারা বাদে বিএনপির মূল ধারার সবাই আমার সঙ্গে আছে। আগামী নির্বাচনে আবারও মনোনয়ন চাইব। আশা করছি আগামীতে দল অবশ্যই আমাকে মূল্যায়ন করবে। মনোয়ন প্রত্যাশী বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সদস্য ও সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার স্থানীয় বিএনপিতে কোন্দল, দলাদলির কথা অস্বীকার করে জানান, অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে ফুলপুর ও তারাকান্দা বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ এবং সাংগঠনিকভাবেও শক্তিশালী। আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে মোকাবেলা করতে হলে তাঁর বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগেও আমি এমপি ছিলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার মেয়াদে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। উন্নয়নের জন্যই দলের প্রতিটি নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আমার ওপর আস্থা রাখে। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রনেতা মোতাহার হোসেন তালুকার দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে বলেন, আমি তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। আমার মেয়াদে তারাকান্দার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সামাজিকভাবেও আমার বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এলাকায়। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকার উন্নয়ন করেছি। এমপি মনোনয়ন পাওয়া ও নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নের এই গ-ী আরও বাড়ানো সম্ভব-তাই আমি মনোনয়ন চাচ্ছি। কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছিল সেটি বেশ আগের উল্লেখ করে তিনি বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ শহীদ সারোয়ার ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি করে এমপি হওয়ার জন্য। দলের ব্যানারে তিনি এমপি হতে চান। অথচ রাজনীতিতে শাহ শহীদ সারোয়ার কখনো সক্রিয় ছিলেন না, এখনো নন। আর অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ ছয় মাস ধরে অসুস্থ। দলের কোনো কর্মসূচিতেও যোগ দেন না তিনি। মোতাহার হোসেন তালুকদার আরও বলেন, তিনিই একমাত্র সক্রিয় নেতা, যিনি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠে থাকেন। কাজেই তিনি যদি মনোনয়ন পান এই আসনে বিএনপির বিজয় শতভাগ সুনিশ্চিত। মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল বাশার আকন্দ জানান, দলের দুর্দিনে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশে থেকেছি। মামলা, মোকাদ্দমা ও হয়রানি থেকে তাদের শেল্টার দিয়েছি। সারাজীবন বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছি। বাকি দিনগুলোও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে থাকতে চাই। দলের নির্যাতিত অনেক নেতাকর্মী আমার সঙ্গে আছেন। যারা কোনো কোন্দল, গ্রুপিংয়ে জড়িত নয় তারা সবাই আছে আমার সঙ্গে। আশা করি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। ফুলপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাতীয় ছাত্র সমাজের রাজনীতি থেকে উঠে আসা তারেক রহমানের আস্থাভাজন আমিনুল হক জানান, ছাত্র রাজনীতি করেছি। তখন থেকেই আন্দোলন, সংগ্রামে রাজপথ কাঁপিয়েছি। পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করেছি। সরকারবিরোধী প্রতিটি আন্দোলন কর্মসূচি সফল করতে মাঠে সক্রিয় আছি। ফুলপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে সাধ্যমত উন্নয়ন কাজ করার চেষ্টা করেছি। গতবার মনোনয়ন চেয়েছিলাম। না পেলেও হাল ছাড়িনি। আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেলে এলাকার উন্নয়নে নিজেকে আরও সম্পৃক্ত করার সুযোগ পাব।
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বেইলি রোডে আগুন: সন্দেহজনক ২ পাইপলাইন গাজায় বিমান থেকে ত্রাণ ফেলল যুক্তরাষ্ট্র ঢাকার ৯০ শতাংশ ভবনে নকশার বিচ্যুতি সড়ক পরিবহণ আইনের আওতায় মালিকদের আনার প্রস্তাব ডিসিদের শনাক্তের পরও মিনহাজের লাশ পেতে ভোগান্তি দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন ৬১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা স্বাধীনতার ইশতেহারে কাস্টমসের হয়রানিতে আমদানি শূন্য বইমেলার শেষ দিনে ভিড় বিক্রি দুই-ই কম পাকিস্তানে আজ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, ৯ মার্চ প্রেসিডেন্ট ভোজ্যতেলের সাত রিফাইনারি পর্যবেক্ষণে: ভোক্তার ডিজি ঢাকা বার আইনজীবী ফোরামের ভোটের ফলাফল বাতিলের দাবি গণতন্ত্র মঞ্চ ও ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক সংসদে সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ১৩০০ ভবন চিহ্নিত করা হলেও ভাঙা সম্ভব হয়নি বেইলি রোডে অগ্নিকা­ণ্ড: ভবনের ম্যানেজারসহ চারজন রিমান্ডে জার্মানির বিরুদ্ধে নিকারাগুয়ার মামলা ইউক্রেনে ‘আত্মহত্যার বাঁশিওয়ালা’ গাজায় গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি-জামায়াত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শোকের শহরে আনন্দ মিছিল করল ছাত্রদল ‘আমি হয়তো আর দুই বছর খেলব’