ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রাচীরের ভেতরে নৈতিকতা কি হারিয়েছে? লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকে ঘিরে যৌন কেলেঙ্কারি, মিডিয়ার তরুণী ও মডেলদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিডিও ঘুরছে নির্দিষ্ট মহলে। সেনা বাহিনীর ঘনিষ্ঠ মহলে নীরবতা ভয়ঙ্কর—ক্ষমতার কাছে নৈতিকতা কতটা অসহায়, তা প্রমাণ করছে।
জানা গেছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ইলোরার মাধ্যমে নাটক, মডেলিং পাড়ার উঠতি সুন্দরীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সেনা প্রতিষ্ঠানে এমন নীরবতার অর্থ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, এটি পুরো প্রতিষ্ঠানের নৈতিক সংকেত।
জনমনে শঙ্কা দেখা দিয়েছে বিদেশি কূটনৈতিক ও সামরিক মহলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণা ও বিদেশি প্রভাব কখনোই স্বাভাবিক হতে পারে না।
তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রজীবনে তিনি
ছাত্রশিবিরে সক্রিয় ছিলেন এবং একসময় পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। এটি raises বড় প্রশ্ন—একজন সেনা কর্মকর্তা কি দেশের স্বার্থে কাজ করছেন, নাকি বিদেশি স্বার্থের জন্য? অভিযোগ আছে, মার্কিন ও পাকিস্তানি সামরিক সহায়তায় তিনি পরবর্তী সেনাপতি পদে ওঠার চেষ্টা করছেন। ইতিহাস প্রমাণ করেছে, বিদেশি প্রভাবের কাছে নীতি ও কৌশলগত স্বার্থ হুমকির মুখে পড়ে। যদি অভিযোগ সত্য হয়, কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত। মিথ্যা হলে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। ভয়ের সংস্কৃতি আর ঘোঁড়াফেরা রেখে রাষ্ট্র চলে না। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকে ঘিরে সব তথ্যের স্বচ্ছ, স্বাধীন ও প্রকাশ্য তদন্ত এখন সময়ের দাবি।
ছাত্রশিবিরে সক্রিয় ছিলেন এবং একসময় পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। এটি raises বড় প্রশ্ন—একজন সেনা কর্মকর্তা কি দেশের স্বার্থে কাজ করছেন, নাকি বিদেশি স্বার্থের জন্য? অভিযোগ আছে, মার্কিন ও পাকিস্তানি সামরিক সহায়তায় তিনি পরবর্তী সেনাপতি পদে ওঠার চেষ্টা করছেন। ইতিহাস প্রমাণ করেছে, বিদেশি প্রভাবের কাছে নীতি ও কৌশলগত স্বার্থ হুমকির মুখে পড়ে। যদি অভিযোগ সত্য হয়, কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত। মিথ্যা হলে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে। ভয়ের সংস্কৃতি আর ঘোঁড়াফেরা রেখে রাষ্ট্র চলে না। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকে ঘিরে সব তথ্যের স্বচ্ছ, স্বাধীন ও প্রকাশ্য তদন্ত এখন সময়ের দাবি।



