যুবদল নেতা-রাজাকারপুত্র-চাঁদাবাজও পাচ্ছেন পদ – U.S. Bangla News




যুবদল নেতা-রাজাকারপুত্র-চাঁদাবাজও পাচ্ছেন পদ

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১০:১৭
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে রমরমা 'কমিটি বাণিজ্য'র অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির চাইছেন তাঁদের পছন্দের লোক দিয়ে 'দল ভারী' করতে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-কমিটির মতামত ছাড়াই যাঁর যাঁর মতো 'প্রস্তাবিত কমিটি'র খসড়াও করে ফেলেছেন এ দুই নেতা। কমিটিগুলোতে নিজেদের ছেলে, ভাই, ভাগনেসহ নিকটাত্মীয়দেরও পদ-পদবি দিয়েছেন তাঁরা। এমনকি টাকার বিনিময়ে হত্যা মামলার আসামি, চাঁদাবাজ, রাজাকারের সন্তান, নব্য আওয়ামী লীগার, বিত্তশালী যুবদল নেতা এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে অভিযুক্ত হয়ে বহিস্কৃত নেতারাও পদ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, দুই শীর্ষ নেতার আত্মীয়স্বজন ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে থানা-ওয়ার্ড কমিটি

গঠনের বিষয়টি চাউর হওয়ায় পদপ্রত্যাশী ত্যাগী ও দক্ষ নেতারা হতাশ হয়ে দলীয় কার্যক্রম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। অসন্তুষ্ট মহানগর দক্ষিণের কার্যনির্বাহী কমিটির অনেক নেতাও নিজেদের গুটিয়ে রেখেছেন। এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা মহানগরের দক্ষিণ অংশের দলীয় কর্মসূচিতে আগের মতো জনসমাগম ঘটানো যাচ্ছে না। বিএনপি ও তার মিত্রদের চলমান আন্দোলন মোকাবিলায় অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়ছে ক্ষমতাসীন দল ঘোষিত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিও। যদিও আলোচনা-সমালোচনার মুখে এসব 'প্রস্তাবিত কমিটি' ঘোষণা নিয়ে রীতিমতো চলছে লুকোচুরি। পদপ্রত্যাশী কয়েকজনের অভিযোগ, একবার বলা হচ্ছে- খসড়া কমিটি হয়েছে। আরেকবার বলা হচ্ছে- অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এসব কমিটি ঘোষণা 'স্থগিত' হয়েছে। এ অবস্থায় সম্মেলনের প্রায় চার মাস পরও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ২৪টি থানা

ও ৭৫টি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা যায়নি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আওতাধীন ২৪টি থানা, ৭৫টি ওয়ার্ড এবং ৬১০টি ইউনিট সম্মেলনের কার্যক্রম শেষ হয়েছে গত অক্টোবর-নভেম্বরে। সম্মেলনস্থলেই ইউনিট কমিটিগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার পাশাপাশি সিংহভাগ ইউনিট কমিটি পূর্ণাঙ্গও করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো থানা-ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। কেন্দ্রের তাগিদ মানা হচ্ছে না :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম একাধিকার থানা-ওয়ার্ড কমিটি গঠনের তাগিদের পাশাপাশি কোনো অবস্থায় বিতর্কিত কাউকে দলীয় পদে না আনার বিষয়ে প্রকাশ্য হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ঢাকা মহানগরীতে কোনো বিতর্কিত ও 'পকেট কমিটি' হলে ভোটের

মাঠে এর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু এত সতর্কবাণী ও হুঁশিয়ারি মানতে নারাজ মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পদপ্রত্যাশী নেতাদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং প্রস্তাবিত কমিটির খসড়া তৈরির কথা বলেই সময় পার করছেন তাঁরা। গত বুধবার ওবায়দুল কাদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সমাবেশে এ নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ ঝেড়েছেন। থানা-ওয়ার্ড কমিটিগুলো দ্রুত প্রদানের নির্দেশ দেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মহানগর নেতা বলেছেন, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পছন্দের লোক দিয়ে 'পকেট কমিটি' করার চেষ্টায় দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদেই জড়াননি শুধু; মহানগরীর তৃণমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রমও অনেকটা স্থবির করে ফেলেছেন। এমনটি চলতে থাকলে আগামী দিনে বিরোধী দলের আন্দোলন মোকাবিলা

ও নির্বাচনের মাঠে সাধারণ কর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুই নেতার ছেলেরাই সর্বেসর্বা: মহানগর দক্ষিণের থানা, ওয়ার্ড এবং ইউনিট আওয়ামী লীগের সম্মেলন আয়োজনসহ নতুন কমিটি গঠনে ঢাকার এ অংশের আটটি সংসদীয় আসনভিত্তিক আটটি সাব-কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছিল। তবে ২৪টি থানা ও ৭৫টি ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটি গঠনের বেলায় সাব-কমিটিগুলোকে আমলেই নেওয়া হয়নি। মহানগর দক্ষিণের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নিজেদের মতো প্রায় সব থানা-ওয়ার্ডে খসড়া কমিটি করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, আটটি সাব-কমিটিকে পাশ কাটিয়ে মহানগর দক্ষিণের সম্পাদকমণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য, সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর ছেলে ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আহমেদ ইমতিয়াজ মন্নাফী গৌরব এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের ছেলে ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল কবির

রকির মাধ্যমে নতুন করে পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করা হয়। রাজধানীর ১৯, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয় থাকলেও পদপ্রত্যাশীরা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বাসাবাড়িতে ভিড় জমান। সেখানেই দুই শীর্ষ নেতার ছেলেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নতুন করে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহসহ প্রস্তাবিত কমিটি তৈরির কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে সম্মেলন ও নতুন কমিটি গঠনে সাব-কমিটি গঠন ছিল এক ধরনের 'আইওয়াশ' মাত্র- এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্নিষ্টরা। বিতর্কিতদের ছড়াছড়ি: প্রস্তাবিত থানা-ওয়ার্ড কমিটিগুলোর খসড়ায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কারা আছেন- এ বিষয়ে মুখ খুলতে চান না কমিটি গঠনে সংশ্নিষ্ট নেতারাও। মন্নাফী-হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মহানগর নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, বেশিরভাগ থানা-ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত

কমিটির খসড়া হয়েছে। এগুলো দুই শীর্ষ নেতার স্বাক্ষরের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানোর প্রস্তুতিও ছিল। তবে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে প্রস্তাবিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের তালিকার আপাতত অনুমোদন ও ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে না। থানা-ওয়ার্ডের এসব প্রস্তাবিত কমিটির সব নেতার নাম পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে অনেক কমিটিতেই বিতর্কিতদের ঠাঁই দেওয়ার অভিযোগ মিলেছে। সূত্রমতে, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মন্নাফী তাঁর ছেলে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আহমেদ ইমতিয়াজ গৌরবকে ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আনতে চাইছেন। আর একই থানার সভাপতি করতে চাইছেন আরেক কাউন্সিলর মনোয়ার হোসেন আলোকে। দু'জন এরই মধ্যে নানা কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। তা ছাড়া কেন্দ্র

থেকেই ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবিতে না আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এ দুই ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পদ পাওয়ার সুযোগ নেই। একইভাবে ওয়ারী থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হতে চান মন্নাফীপুত্র গৌরবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জাবেদ হোসেন মিঠু। সদরঘাটের 'মূর্তিমান আতঙ্ক' হিসেবে পরিচিত মিঠু এবং তাঁর ভাই যুবলীগ থেকে বহিস্কৃত জাভেদ হোসেন পাপন এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন। এ ছাড়া মন্নাফীর ঘনিষ্ঠজন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার পলাতক আসামি ফ্রিডম মানিকের ঘনিষ্ঠ শিষ্য আলী রেজা খান রানার নাম পল্টন থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। এই রানা শান্তিনগরের ব্যবসায়ী পাভেল ও তৎকালীন ১১ নম্বর ওয়ার্ড

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাওছার হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি। ২০১৩ সালে অবৈধ অস্ত্র, ৮৬ রাউন্ড গুলি, ৪০০ ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির তাঁর সহোদর কাউন্সিলর মকবুল হোসেনকে লালবাগ থানার সভাপতি পদে আনতে চাইছেন। চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর আপন ভাগনে বখতিয়ার হোসেনকে আনতে চান তিনি। এক সময়কার যুবদল নেতা বখতিয়ারের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তিনি। একই থানা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন শাহীন খান নামে আরেক বিতর্কিত ব্যক্তি। পদ পেতে তিনি মহানগরের শীর্ষ এক নেতাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। হুমায়ুনের আরেক ঘনিষ্ঠজন শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি পদপ্রত্যাশী ও বর্তমান সভাপতি জিএম আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধেও অভিযোগের শেষ নেই। সর্বশেষ সম্মেলনে সভাপতি হওয়ার পর থেকেই তিনি পোড়া মার্কেট, পীর ইয়ামেনী মার্কেট, ট্রেড সেন্টার, খদ্দর মার্কেট এবং বঙ্গ মার্কেটে নামে-বেনামে দোকান করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা ক্লাবের আলী আহমদকে থানা কমিটিতে রাখার কারণে ক্যাসিনোর ভাগের অর্থও পেতেন তিনি। অথচ তাঁর হাতেই আবার মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ একটি থানা কমিটির মূল দায়িত্ব তুলে দেওয়ার আয়োজন চলছে। একই থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোশাররফ হোসেন এবার থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হতে চাইছেন। শাহবাগ এলাকার ডিশ ব্যবসায়ী থেকে উত্থান হওয়া এই নেতাও হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে আজিজ সুপার মার্কেটের জায়গা দখল করে হোটেল ব্যবসা, সাধারণ ব্যবসায়ীদের মারধর, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্রে থানা-ওয়ার্ডের 'প্রস্তাবিত' অন্য কমিটিগুলোতে থাকা বিতর্কিত আরও অনেকের নাম জানা গেছে। দুই নেতা যা বললেন: ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী বলেছেন, থানা-ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে এখনও চূড়ান্তভাবে বসেননি তাঁরা। তবে এটা ঠিক, বিতর্কিত অনেকেই থানা-ওয়ার্ড কমিটিতে আসার জন্য জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। কোনো অবস্থায়ই তাঁদের কমিটিতে আসার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। বাসায় বসে ও নিজের ছেলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বিতর্কিত ও আত্মীয়স্বজনকে দিয়ে 'খসড়া কমিটি' গঠনের অভিযোগ অস্বীকার করে মন্নাফী বলেন, সম্মেলন হওয়ার পর সাব-কমিটিগুলোর 'ফাংশন' শেষ হয়ে গেছে। এখন কমিটি কী হবে না হবে, সেটা ঠিক করবেন মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, থানা ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো গঠন প্রক্রিয়াধীন। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে এসব কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যেই দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে বিতর্কিত ও নানা অপরাধে অভিযুক্তদের কোনোভাবেই থানা-ওয়ার্ড কমিটিতে স্থান হবে না। সৎ, ত্যাগী, যোগ্য ও স্বচ্ছ ইমেজের লোকদেরই মূল্যায়ন করা হবে। নিজের ছেলের মাধ্যমে পদপ্রত্যাশী নেতাদের জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ ও কমিটি গঠন প্রক্রিয়া চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। শিক্ষকতা ও গবেষণা কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকে। যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেও সেভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় নয়। সে কেন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনের মধ্যে আসতে যাবে?
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কোটা আন্দোলনে রেসিডেন্সিয়াল কলেজ শিক্ষার্থী ফারহান নিহত বাইডেনকে সরে দাঁড়ানোর জন্য চাপ শুমার, পেলোসির সংঘাত ও সহিংসতা কাম্য নয়: চীনা রাষ্ট্রদূত শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক, আলোচনায় সমাধান মিলবে: আরেফিন সিদ্দিক স্বামী অন্য নারীর সঙ্গী, বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন দুবাইয়ের রাজকুমারী এবার কোটা আন্দোলন নিয়ে সরব মেহজাবীন, যা বললেন মাদারীপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে লেকের পানিতে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাশে দাঁড়ালেন কলকাতার নায়িকা সোহেল-নিরব-টুকুসহ বিএনপির ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা ছাত্র আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জামায়াতের বিএনপির কার্যালয়ে ফের ঝুলছে তালা, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ আন্দোলনত শিক্ষার্থীরা মুক্তির সন্তান, স্বপ্নের বিপ্লব গড়ে তুলছে: রিজভী শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে আজ মাঠে নেমেছে বিএনপি-জামায়াত: কাদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকের বাংলাদেশ গমন : ডা:মাসুদ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ দুবাইয়ের রাজকন্যা হয়েও যে কারণে স্বামীকে তালাক দিলেন শেখা মাহরা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বেআইনি শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে হানিফ ফ্লাইওভারে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত