যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি উপেক্ষা করে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার দিকে চীন – U.S. Bangla News




যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি উপেক্ষা করে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার দিকে চীন

ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স:-
আপডেটঃ ৩০ মার্চ, ২০২৩ | ৫:৩৭
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রথম দিকে চীন এই সংকট সমাধানে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। তিনি বলেছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট আমাদের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব নয়, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমেও নয়। তবে আমি বিশ্বাস করি, চীন এটি সমাধান করতে পারবে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের এক বছর কেটে যাওয়ার পর বোরেলের সেই বিশ্বাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কারণ চীন একেবারেই পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের হতাশ করেছে। তারা এই সংকট সমাধানে অথবা যুদ্ধ-পূর্ব ইউরোপীয় ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। এর পবিরর্তে একটি বিকল্প চীনকেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ইউক্রেন যুদ্ধকে কাজে লাগিয়েছে। এবং চীনের সেই প্রচেষ্টা কাজেও দিচ্ছে। যেমন— চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

গত সপ্তাহে মস্কোতে তার তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলন শেষে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেছেন, এ মুহূর্তে আমরা এমন একটি পরিবর্তন দেখছি, যা আমরা ১০০ বছর ধরে দেখিনি। আর এ পরিবর্তন আমাদের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। শি জিনপিংয়ের এই বক্তব্য অবশ্য সত্যই। কারণ এই যুদ্ধ আমেরিকার উপসাগরীয় মিত্র সৌদি আরবকে চীনের সঙ্গে আলিঙ্গনে সহায়তা করছে। চীন এই মাসে একটি কূটনৈতিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে মধ্যস্থতা করেছিল তা ওয়াশিংটনকে হতবাক করেছে। ইরান তার সামরিক বাহিনীকে গুণগতভাবে উন্নত করার জন্য ইউক্রেন যুদ্ধকে কাজে লাগিয়েছে। রাশিয়াকে ড্রোন, যুদ্ধাস্ত্র এবং সম্ভবত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিনিময়ে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে চতুর্থ প্রজন্মের ফাইটার

জেট এবং অন্যান্য উন্নত সিস্টেম ও অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা পাবে, যা তাদের পারমাণবিক ক্ষেত্রগুলোকে সুরক্ষিত করতে পারে। এ ছাড়া সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য রাশিয়া এবং ইরান একটি চুক্তি করেছে যার মাধ্যমে রাশিয়ার মাটিতে তেহরান নিরাপদ আশ্রয়স্থল স্থাপন করতে পারে যা ইসরায়েল ও আমেরিকান নাগালের বাইরে। যেহেতু চীন তার কূটনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করছে, তাই এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি শক্তি, বাণিজ্য এবং আর্থিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা। এটি হবে বেইজিংয়ের তত্ত্বাবধানে একটি আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বলয়। আর রাশিয়াকে মোকাবিলা করার জন্য মার্কিন কৌশল ব্যর্থ হলে চীন ইউরোপীয়দের কাছে শান্তির বাণী নিয়ে হাজির হবে এমনটাই প্রত্যাশা তাদের। আর এর মাধ্যমে

মধ্যপ্রাচ্যের মতো ইউরোপেও নিরাপত্তার মূল্য হবে আমেরিকান আধিপত্যের অবসান। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্টে
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
উপজেলা ভোট: প্রথম ধাপে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ১৮৯১ জন ঈদের ছুটি শেষে স্বস্তিতে ফিরছে মানুষ ঈদের আগে মেয়েকে নিয়ে দেশ ছেড়েছেন জাপানি মা ‘শেখ হাসিনা স্বর্ণযুগ উপভোগ করছেন’ ওমানে আবহাওয়াজনিত দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত সিডনিতে আবারও ছুরি হামলা মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ নিচ্ছে না পরিবার নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ভরদুপুরে প্রকাশ্যে ইউপি সদস্যকে গুলি করে-গলা কেটে হত্যা ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, আ.লীগ নেতা বড় মনিকে দল থেকে অব্যাহতি মন্ত্রীরা ভাঁওতাবাজির মাধ্যমে মানসিক আশ্রয় খুঁজছেন: রিজভী মুক্তিপণের বিষয়টি সিনেমা মনে হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী যে কথা বার বার বলছে ইরান ওমরাহ ভিসার মেয়াদ জানাল সৌদি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি ইরানের ব্যারিস্টার রফিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি যে কারণে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট দ্বাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ২ মে আইপিএলে ফর্মে থাকায় ছুটি বাড়ল মোস্তাফিজের যৌনকর্মীদের নিয়ে ‘নীলপদ্ম’, প্রিমিয়ার হচ্ছে নিউইয়র্কে