যত্রতত্র শিক্ষা অবকাঠামো

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১১ অক্টোবর ২০২১, ৬:১০ পূর্বাহ্ণ
যত্রতত্র শিক্ষা অবকাঠামো

দেশের শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণে বিধিবিধানের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। যত্রতত্র বিশৃঙ্খলভাবে ‘ক্যাম্পাস’ গড়ে উঠছে। শিক্ষা গ্রহণের ন্যূনতম সুস্থ পরিবেশ ছাড়াই দেদারসে গড়ে উঠছে স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের অপেশাদার মনোভাবের কারণে ত্রুটিপূর্ণভাবে এসব শিক্ষা অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হওয়া উচিত আনন্দের ও শিক্ষার প্রতি উৎসাহমুখী। সে অনুযায়ী তৈরি হবে ভবন ও ক্যাম্পাস। দেশে দক্ষ আমলা, স্থপতি ও প্রকৌশলী রয়েছে। তারপরও শিক্ষা অবকাঠামোতে শৃঙ্খলা নেই, নেই নান্দনিকতার ছোঁয়া। ইট-পাথরের গাঁথুনি মানেই অবকাঠামো নয়। শুধু জমির স্বল্পতার কথা বলে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র ভবন নির্মাণ করে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমির ন্যূনতম ৫০ ভাগ স্থান উন্মুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একটি মাঠ থাকার কথা বলা হয়েছে। মানসম্মত ‘ক্যাম্পাস’ এবং শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের ব্যাপারে সরকারের এ ধরনের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশের ব্যাপারে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। কোনোরকম পাঠদানের শ্রেণিকক্ষ দেখাতে পারলেই অনুমোদন দিয়ে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভাড়া বাসায়ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডসহ বিদ্যমান ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় উল্লিখিত বিধিসমূহ অনুসরণ করা হচ্ছে না। যেমন ভবনের ফ্লোর অ্যারিয়া ও উচ্চতা নির্ধারণের বেলায় ফ্লোর অ্যারিয়া অনুপাত (এফএআর) অনুসরণ করতে হবে। সম্মুখে সুপ্রশস্ত খোলা জায়গা ছাড়াও ইমারতের দুপাশে ও পেছনে ন্যূনতম ৩ মিটার সেটব্যাক (বাধ্যতামূলক খালি জায়গা) রাখার নিয়ম মানা হচ্ছে না। এছাড়া শহর এলাকায় ইমারতগুলোর মোট আয়তন বা ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুসারে প্রতি ২০০ বর্গমিটারে একটি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখার নিয়ম রয়েছে। কলেজ চত্বরের মধ্যে রাস্তার সমান্তরালে বাধামুক্ত ৪ দশমিক ২৫ মিটার প্রশস্ত ও ২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ‘ড্রপিং বে’ রাখার বিধান রয়েছে। পার্শ্ববর্তী আবাসিক জমির দিকে খোলা ও বারান্দা রাখা যাবে না এবং অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ ও অগ্নিনির্বাপণে কাজ করার ন্যূনতম জায়গাসহ ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এছাড়া বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণের কোনো বরাদ্দ নীতিমালা নেই। জনপ্রতিনিধি বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণের বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে কোনো প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন বা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করার রেওয়াজ নেই। উক্ত বরাদ্দের ভিত্তিতে শিক্ষা প্রকৌশল প্রটোটাইপ (একই নকশায় সব ভবন) ভবন নির্মাণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানবিশেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের বিষয়ও মানা হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, আবাসিক এলাকার ব্যাপারে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি), ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় বলা আছে। কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাঠামো কেমন হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলা নেই। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এ শুধু মাঠ থাকতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে। এর বাইরে তেমন কোনো দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি। বিল্ডিং কোড কিংবা ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় যা বলা আছে তাও মানা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমাদের শহরে ৫০ থেকে ১০০ বছর আগে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানদণ্ড বিবেচনা করা যেতে পারে। যেমন-ঢাকা কলেজ। সেখানে খেলার মাঠ, ছাত্রাবাস, উন্মুক্ত স্থান রয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সরকার একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারে। সেটা সরকারি ও বেসরকারি উভয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মেনে চলতে বাধ্যতামূলক করে দিতে হবে।

এ বিষয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষালয় তৈরি করতে হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য আলাদা অবকাঠামো চিন্তা করতে হবে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা শিখবে। পরিবেশচর্চা, মানবিকতা ও তার বুনিয়াদ অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের নির্দেশনার আলোকে শিক্ষা অবকাঠামোর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষা অবকাঠামোর রূপরেখা প্রণয়ন না করা, জাতীয় বিল্ডিং কোড না মানা অন্যায়। যারা দায়িত্বে থেকেও এ ব্যাপারে উদাসীন, এ দায় তাদের। এ ব্যাপারে পেশাজীবীদের সমন্বয়ে (পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, প্রকৌশলী, মনোবিজ্ঞানী, শরীরচর্চাবিদ) একটি কার্যকর রূপরেখা বা স্বতন্ত্র নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার। আর বর্তমানে শিক্ষা অবকাঠামোর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রকৌশলীদের অপেশাদারিত্বের উদাহরণ বলে শেষ করা যাবে না। জবাবদিহি না থাকায় তাদের মধ্যে নিয়ম না জানা ও না মানার প্রবণতা দুঃখজনক।

শিক্ষা অবকাঠামোর কিছু চিত্র : রাজধানীর ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে বেসরকারি আইডিয়াল কলেজ অবস্থিত। স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় সাড়ে তিন বিঘা আয়তনের এ কলেজটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। প্রথমে এ প্রতিষ্ঠানে কলেজ পর্যায়ের পাঠদান চলত। কয়েক বছর ধরে সেখানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৮টি বিষয়ে পাঠদান করা হচ্ছে। এ কারণে স্বল্প আয়তনের ওই ক্যাম্পাসে বর্তমানে সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণা। নেই খেলার মাঠ এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য কোনো উন্মুক্ত স্থান। এ অবস্থায় সেখানে নতুন করে আরও দুটি (৮ তলা ও ৬ তলা) ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি ভবনের ভিতের কাজ শুরু হয়েছে এবং অন্যটির কাজ শিগগিরই শুরু হবে। এক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকেও কোনো ধরনের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান রাজউকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঘন আবাসিক এলাকা বেষ্টিত সেন্ট্রাল রোডের প্রশস্ততা ২০ থেকে ২৫ ফুট। ওই এলাকায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে সেখানে কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অফিসও গড়ে উঠেছে। এরপর নতুন করে আইডিয়াল কলেজের পরিসর বাড়ানোর উদ্যোগে ওই এলাকার আবাসিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। কলেজ কর্তৃপক্ষ স্নাতক পর্যায়ে আরও কিছু বিষয় বাড়ানোর চিন্তা করছেন। পাশাপাশি ছাত্রাবাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটা হলে ওই এলাকা পুরোপুরি আবাসিক চিত্র হারাবে এবং নানা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা এলাকার মানুষের।

এ প্রসঙ্গে সেন্ট্রাল রোড আইডিয়াল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষা অবকাঠামো আমরা নির্মাণ করছি না। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে নির্মাণ করে দিচ্ছে। এ ধরনের নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে কোন কোন আইন ও বিধিবিধান মানা দরকার, সেটা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর জানে। এ বিষয়ে আমাদের নিজস্ব কোনো মতামত বা পরামর্শ দিচ্ছি না। তবে আমরা যতটুকু জেনেছি সব ধরনের আইন মেনেই ভবন নির্মাণকাজ করছে সরকারি এ সংস্থা।

বছিলা ব্রিজসংলগ্ন বুড়িগঙ্গা তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ‘বছিলা আবাসিক’ এলাকা। জলাধার ও কৃষিজমি ভরাট করে রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ওই এলাকায় জনবসতি গড়ে উঠেছে। এলাকার মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ১৯৯৫ সালে সেখানে সম্পূর্ণ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফিরোজ বাশার আইডিয়াল কলেজ। ১০ কাঠা জায়গার ওপর ৮ তলা ভবনে চলছে পাঠদান। নেই খেলার মাঠ, নেই ছাত্রাবাস, নেই কোনো উন্মুক্ত স্থান। এ প্রতিষ্ঠানের স্কুল সেকশনের একটি শাখা রয়েছে মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে। দুই কাঠা জায়গার ওপর একটি ভাড়া বাসার অর্ধেক অংশে চলছে পাঠদান। সেখানে ৬০০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। আর বছিলা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ১০০ জন।

রাজধানীর পান্থপথে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নিউ মডেল হাইস্কুল। এ স্কুলে শিশু থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০০ জন। রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিবেচনায় এ স্কুলের অবকাঠামো সুন্দর। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রের এ স্কুলের ছোট্ট একটি খেলার মাঠও রয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কয়েক বছর আগে এ স্কুলের ভবন এমনভাবে নির্মাণ করেছে যে, ভবনের নিচ দিয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে হয়। অন্য একটি গেট এমন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে, যেটা ব্যবহার করতে পারছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ কারণে স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যেও হতাশা কাজ করছে। কিন্তু শিক্ষা প্রকৌশলীদের অপেশাদার এ কার্যক্রম তারা মেনে নিয়েছেন। কেননা এখানে তাদের মতামতের কোনো মূল্য নেই।

এ প্রসঙ্গে নিউ মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আ স ম ফিরোজ বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আমাদের এ স্কুল ভবন নির্মাণ করে দিয়েছে। আমরা সেভাবে ব্যবহার করছি। একটি গেট ভবনের নিচ দিয়ে করা হয়েছে। অন্যটি ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি থাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে।

শিক্ষা অবকাঠামোর বিশৃঙ্খল চিত্র দেশজুড়ে। ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৯/এ রোডে কোনো উন্মুক্ত জায়গা ছাড়াই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। মিরপুর রোডে ছোট্ট জায়গার ওপর চলছে নিউ মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। এছাড়া ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের চিত্র অহরহ।

কর্তৃপক্ষের অভিমত : এ প্রসঙ্গে জানতে সোমবার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) মো. আরিফুর রহমানের দপ্তরে যান প্রতিবেদক। সাক্ষাতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মেনে শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করতে হলে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে করতে হয়। অনুমোদনের সময় কতটুকু জায়গা থাকতে হবে সেটা বলে দেওয়া হয়।

শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড, ইমারত নির্মাণ বিধিমালার নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার পরিষ্কার ধারণা নেই। আমি বিষয়গুলো ভালো করে জেনে দেখব সেখানে কী বলা হয়েছে। শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেটা মানা না হলে সে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমরা শিক্ষা অবকাঠামোর চেয়ে শিক্ষার প্রসারের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।

আরও পড়ুন