ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ভিডিও বার্তায় বর্তমান পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্র করে বা ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগকে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
জনগণই নৌকার শক্তি
শেখ হাসিনা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, "আওয়ামী লীগ কেন ইলেকশন করতে পারবে না? কেন আমাদের নৌকা থাকবে না?" এর উত্তর তিনি নিজেই দিয়ে বলেন, বিরোধীরা ভালো করেই জানে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে। কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সন্ত্রাস দমন করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, পুল-ব্রিজের বৈপ্লবিক উন্নয়ন
কেবল আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা তিনি আরও বলেন, তার সরকার তরুণ প্রজন্মের জন্য ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলেছিল। ইউনিয়ন পর্যায়ের ছেলে-মেয়েরাও আজ ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারছে। স্টার্টআপ ফান্ড, হাই-টেক পার্ক এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে দেশ যখন আধুনিক প্রযুক্তির শিখরে পৌঁছেছিল, তখন একটি কুচক্রী মহল সেই অর্জনগুলোকে নস্যাৎ করতে চাইছে। লুটপাটের মহোৎসবে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, "আজ অর্থনীতি সম্পূর্ণ ধ্বংস। শেয়ার বাজারের লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। ব্যাংকের টাকা সব লুট করে খাওয়া হয়েছে।" তিনি অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীরা এখন তাদের রানিং ক্যাপিটাল পর্যন্ত
পাচ্ছে না এবং একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যারা দেশের এই সম্পদ ধ্বংস করছে, তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র দেশপ্রেম নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মৃত্যুদণ্ডকে ভয় পাই না নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও সাজার বিষয়ে তিনি বলেন, "আমার বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০-এর উপরে মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তো এখন আর ভয় কিসের? ওই শাস্তি তো আমি জেনেই গেছি।" তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি ছাড়া করা হচ্ছে, তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনগণকে শক্ত থাকার আহ্বান নির্বাচন নিয়ে বর্তমান প্রশাসনের পরিকল্পনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "ভোট তো ওরা নিজেরাই ঘোষণা দিয়ে নেবে। তাই জনগণকে
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের অপমানিত করার দরকার নেই।" তিনি দেশবাসীকে এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন শপথ নিয়ে শক্ত থাকার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনার এই কড়া বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই বার্তা তাদের মধ্যে নতুন করে লড়াই করার সাহস যোগাবে।
কেবল আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা তিনি আরও বলেন, তার সরকার তরুণ প্রজন্মের জন্য ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলেছিল। ইউনিয়ন পর্যায়ের ছেলে-মেয়েরাও আজ ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারছে। স্টার্টআপ ফান্ড, হাই-টেক পার্ক এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে দেশ যখন আধুনিক প্রযুক্তির শিখরে পৌঁছেছিল, তখন একটি কুচক্রী মহল সেই অর্জনগুলোকে নস্যাৎ করতে চাইছে। লুটপাটের মহোৎসবে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, "আজ অর্থনীতি সম্পূর্ণ ধ্বংস। শেয়ার বাজারের লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। ব্যাংকের টাকা সব লুট করে খাওয়া হয়েছে।" তিনি অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীরা এখন তাদের রানিং ক্যাপিটাল পর্যন্ত
পাচ্ছে না এবং একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যারা দেশের এই সম্পদ ধ্বংস করছে, তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র দেশপ্রেম নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মৃত্যুদণ্ডকে ভয় পাই না নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও সাজার বিষয়ে তিনি বলেন, "আমার বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০-এর উপরে মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তো এখন আর ভয় কিসের? ওই শাস্তি তো আমি জেনেই গেছি।" তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি ছাড়া করা হচ্ছে, তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনগণকে শক্ত থাকার আহ্বান নির্বাচন নিয়ে বর্তমান প্রশাসনের পরিকল্পনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "ভোট তো ওরা নিজেরাই ঘোষণা দিয়ে নেবে। তাই জনগণকে
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের অপমানিত করার দরকার নেই।" তিনি দেশবাসীকে এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন শপথ নিয়ে শক্ত থাকার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনার এই কড়া বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এই বার্তা তাদের মধ্যে নতুন করে লড়াই করার সাহস যোগাবে।



