ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আসন্ন নির্বাচনে যেসব কারণে হেরে যেতে পারেন নেতানিয়াহু
সংকটে রাশিয়া, কপাল খুলছে ইরানের
২৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রি!
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে শ্রীলংকান যুবক
ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থী-বিক্ষোভে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ, ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক; ইউএন ও ভলকার তুর্ক নীরব
যুক্তরাষ্ট্রের পর ইউরোপের উড়োজাহাজ কিনছে সরকার
পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি
মুসলিম ‘গণহত্যার’ জন্য ক্ষমা চাইলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। ‘তাক বাই গণহত্যা’ নামে পরিচিত এই ঘটনার জন্য এবারই প্রথম জনসমক্ষে ক্ষমাপ্রার্থনা করলেন তিনি। সেই ঘটনায় সাত সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ বাদ দেওয়ার প্রায় চার মাস পরে এই ক্ষমাপ্রার্থনা সামনে এলো। খবর এএফপির।
খবরে বলা হয়েছে, গণহত্যার সময় থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। সাবেক এই সরকারপ্রধান বলেছেন, তিনি এমন যে কোনও কাজের জন্য ক্ষমা চান; যা মানুষকে ‘অস্বস্তি বোধ করাতে পারে’। ‘ডিপ সাউথ’ নামে পরিচিত এই থাইল্যান্ডের এই এলাকায় গত ১৯ বছরের মধ্যে প্রথম সফরের সময় গণহত্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলাম, তখন স্থানীয়
মানুষের দিকে খেয়াল রাখাই ছিল আমার প্রধান উদ্দেশ্য। যদি আমার দ্বারা কোনও ভুল বা কোনও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে আমি ক্ষমা চাইতে চাই।’ উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর থাইল্যান্ডের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তাক বাই শহরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেসময় নিরাপত্তা বাহিনী মালয়েশিয়ার সীমান্তের কাছে নারাথিওয়াত প্রদেশের তাক বাই শহরে একটি থানার বাইরে বিক্ষোভরত জনতার ওপর গুলি চালায়, এতে সাতজন নিহত হয়। পরবর্তীতে আটককৃত ৭৮ জনকে হাত-পা বেঁধে সামরিক ট্রাকের পেছনে ঠাসাঠাসি করে নেওয়ার সময় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। সেসময় এটি ‘তাক বাই গণহত্যা’ নামে পরিচিত হয় এবং এতে তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
মানুষের দিকে খেয়াল রাখাই ছিল আমার প্রধান উদ্দেশ্য। যদি আমার দ্বারা কোনও ভুল বা কোনও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে আমি ক্ষমা চাইতে চাই।’ উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর থাইল্যান্ডের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তাক বাই শহরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেসময় নিরাপত্তা বাহিনী মালয়েশিয়ার সীমান্তের কাছে নারাথিওয়াত প্রদেশের তাক বাই শহরে একটি থানার বাইরে বিক্ষোভরত জনতার ওপর গুলি চালায়, এতে সাতজন নিহত হয়। পরবর্তীতে আটককৃত ৭৮ জনকে হাত-পা বেঁধে সামরিক ট্রাকের পেছনে ঠাসাঠাসি করে নেওয়ার সময় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। সেসময় এটি ‘তাক বাই গণহত্যা’ নামে পরিচিত হয় এবং এতে তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।



