ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সেচ্ছাসেবক দলের নেতা বগাকে ধরতে অভিযানে বাধা ডা. শাহাদাতের
‘ব্যবসা করতে হলে টাকা দে’: কুমিল্লায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর পা ভাঙল যুবদল নেতা
বিএনপি ও গণঅধিকারের দখলে বিএলএফ প্রধান শেখ মনির দৈনিক বাংলার বাণী ভবন
সুনামগঞ্জে চাঁদাবাজির সময় জামায়াতের রোকন ও দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধিকে গণধোলাই
কুমিল্লায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ: যুবদল-ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা
বাসা থেকে মব করে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শারমিনকে আটক, প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে উদ্বেগ
আওয়ামী লীগের ঠেকানোর মিছিল করতে গিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দায় চাপল বিএনপির গুপ্তদের ঘাড়ে
মিষ্টির রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে
রাজধানীর মিরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে সুপরিচিত মুখ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। সম্প্রতি রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আলোচনায় আসার পর বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।
এর মধ্য দিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় এক নাটকীয় মোড় নিল। তবে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে রয়েছে তার দীর্ঘ সংগ্রামের রাজনৈতিক ও পারিবারিক ইতিহাস।
মিষ্টির ভাই ছিলেন বিএনপির প্রয়াত নেতা ও ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু। ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কারাগারে তার মৃত্যু হয়। মূলত বড় ভাই পিন্টুর অনুপ্রেরণায় ছাত্রদলে মিষ্টির রাজনীতিতে পথচলা শুরু হয়
বলে জানা গেছে। ১৯৭৪ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বাবা হাজী মো. নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং মা হাজী মোছা. হোসনে আরা আহমেদ। পেশাগত জীবনে মিষ্টি একজন ব্যবসায়ী। মিষ্টির রাজনৈতিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল ছাত্রদলের হাত ধরে। শিক্ষাজীবনে ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে পড়ার সময় তিনি সরাসরি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। কলেজ শাখা ছাত্রদলের কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার একপর্যায়ে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন। ছাত্র রাজনীতির এই নেতৃত্বই মূলত তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়। রাজনৈতিক পরিবার ও পরিমণ্ডলেই মূলত মিষ্টির অবস্থান আরও পোক্ত হয়। অন্যদিকে, তার স্বামী সাইদুর রহমান নিউটনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত
ছিলেন। নিউটন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০২ সালের ১০ মে ধানমন্ডির অর্কিড প্লাজার সামনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিউটনের মৃত্যুর পর মিষ্টি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। মূলত পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড তার রাজনৈতিক পথচলাকে মসৃণ করেছিল। মিষ্টি মিরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলেন। ২০১৯ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তিনি একই ওয়ার্ডে বিএনপি-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে আওয়ামী লীগের ১৭ বছর কিছুটা ব্যাকফুটে থাকতে হয় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বিভিন্ন আইনে অন্তত সাতটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছিল তাকে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সুবাদে তিনি
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। সর্বশেষ ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন (আসন-২৩) থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এর মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনীতি ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। হঠাৎ ছন্দপতন ও পদত্যাগ: ছাত্রদলের কর্মী থেকে কাউন্সিলর, মহানগর নেতা এবং সবশেষ এমপি—এমন বর্ণিল রাজনৈতিক ক্যারিয়ার থাকলেও সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় সব ওলটপালট হয়ে যায়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তার নাম জড়ায়। যদিও তিনি এই হামলার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবুও বিতর্কের জেরে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ-সদস্য পদ থেকে
পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
বলে জানা গেছে। ১৯৭৪ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বাবা হাজী মো. নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং মা হাজী মোছা. হোসনে আরা আহমেদ। পেশাগত জীবনে মিষ্টি একজন ব্যবসায়ী। মিষ্টির রাজনৈতিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল ছাত্রদলের হাত ধরে। শিক্ষাজীবনে ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে পড়ার সময় তিনি সরাসরি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। কলেজ শাখা ছাত্রদলের কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার একপর্যায়ে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নির্বাচিত হন। ছাত্র রাজনীতির এই নেতৃত্বই মূলত তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়। রাজনৈতিক পরিবার ও পরিমণ্ডলেই মূলত মিষ্টির অবস্থান আরও পোক্ত হয়। অন্যদিকে, তার স্বামী সাইদুর রহমান নিউটনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত
ছিলেন। নিউটন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০২ সালের ১০ মে ধানমন্ডির অর্কিড প্লাজার সামনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিউটনের মৃত্যুর পর মিষ্টি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। মূলত পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড তার রাজনৈতিক পথচলাকে মসৃণ করেছিল। মিষ্টি মিরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলেন। ২০১৯ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তিনি একই ওয়ার্ডে বিএনপি-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে আওয়ামী লীগের ১৭ বছর কিছুটা ব্যাকফুটে থাকতে হয় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বিভিন্ন আইনে অন্তত সাতটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছিল তাকে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সুবাদে তিনি
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। সর্বশেষ ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন (আসন-২৩) থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এর মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনীতি ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। হঠাৎ ছন্দপতন ও পদত্যাগ: ছাত্রদলের কর্মী থেকে কাউন্সিলর, মহানগর নেতা এবং সবশেষ এমপি—এমন বর্ণিল রাজনৈতিক ক্যারিয়ার থাকলেও সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় সব ওলটপালট হয়ে যায়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তার নাম জড়ায়। যদিও তিনি এই হামলার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবুও বিতর্কের জেরে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ-সদস্য পদ থেকে
পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।





