মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ

মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৫:২৫ 36 ভিউ
মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে যে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে, তা আর কেবল সীমান্ত সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিস্থিতি অনিয়ন্ত্রিত হলে এটি দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে একটি বড় সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা এবং পরাশক্তির হস্তক্ষেপ মিলিয়ে অঞ্চলটি ধীরে ধীরে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, মিয়ানমারের একাধিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকে ভারী অস্ত্র সংগ্রহ করছে এবং সেই অস্ত্র পরিবহনের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশের ভূখণ্ড। এই বাস্তবতা বাংলাদেশকে সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়েও যুদ্ধের অপ্রত্যক্ষ অংশীদার বানিয়ে ফেলছে।

বিশেষ করে রোহিঙ্গা আরসা ও কুকিচেনের হাজার হাজার সদস্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে—এমন তথ্য বিভিন্ন নিরাপত্তা বিশ্লেষণে উঠে আসছে। আরও উদ্বেগজনক হলো, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভেতরের কিছু অংশ এই তৎপরতাকে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হচ্ছে, বরং কিছু ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকার অভিযোগও উঠছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক শক্তির দ্বন্দ্ব। যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার সরকারের বিরোধী শক্তি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কৌশলগত সমর্থন দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে চীন, রাশিয়া ও ভারত মিয়ানমার সরকারের পাশে অবস্থান করছে। এই শক্তির মেরুকরণ বাংলাদেশকে একটি ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের সম্ভাব্য মাঠে পরিণত করছে। একটি দুর্বল, অদক্ষ ও বিদেশী প্রভাবাধীন সরকার থাকলে এমন পরিস্থিতিতে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা কার্যত অসম্ভব হয়ে

পড়ে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো—এই যুদ্ধ-প্রবণ পরিস্থিতি সরাসরি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে আঘাত করবে। সীমান্তে সামান্য সংঘর্ষও বড় আকারের সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নিতে পারে। শরণার্থী প্রবাহ বাড়বে, অস্ত্র ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়বে, বিনিয়োগ বন্ধ হবে, এবং সাধারণ মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তা নেমে আসবে। ইতিহাস বলে, যে দেশগুলো নিজেদের ভূখণ্ডকে অন্যের যুদ্ধের করিডোর বানাতে দেয়, তারা শেষ পর্যন্ত নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পড়ে। এই সংকটের পেছনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বর্তমান শাসনব্যবস্থার অদক্ষতার। একটি দেশপ্রেমিক ও দক্ষ সরকার থাকলে সীমান্তকে এভাবে ব্যবহার হতে দেওয়া সম্ভব হতো না। আজ যে সরকার ক্ষমতায় আছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ—তারা জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় বসে বিদেশী

শক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থের বদলে তারা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই অদক্ষ ও দেশবিচ্ছিন্ন শাসনব্যবস্থা চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আশঙ্কাজনক। অর্থনৈতিকভাবে দেশ পিছিয়ে পড়বে, সামাজিক অস্থিরতা বাড়বে এবং একসময় বাংলাদেশকে আফ্রিকার দরিদ্র ও সংঘাতকবলিত রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হবে—যা একটি স্বাধীন ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জার। এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকা মানে ভবিষ্যৎ ধ্বংসে সম্মতি দেওয়া। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, যখন রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়, তখন জনগণকেই দায়িত্ব নিতে হয়। অবৈধ ও অদক্ষ ইউনুস সরকারকে বিদায় করে একটি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ, স্বাধীন ও দেশপ্রেমিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। এর জন্য জাতিকে

ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, বিভাজন ভুলে রাজপথে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে হবে। এটি কোনো দলীয় স্বার্থের প্রশ্ন নয়—এটি বাংলাদেশের অস্তিত্ব, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রশ্ন। আজ সিদ্ধান্ত না নিলে, আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও থাকবে না। যুদ্ধের ছায়া থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে এখনই ঐক্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আন্দোলনের পথে হাঁটতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জুলাই দাঙ্গার নায়করা নির্বাচনে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৃত্যুর প্রহর গুনছে ⁨নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক যে দেশে সংখ্যালঘু মানেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক : রক্তের দাগ মোছে না, ইতিহাসও ভোলে না জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার আবদুল মান্নান খানের মৃত্যুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শোক হলুদের সঙ্গে কোন উপাদান মিশিয়ে খাওয়া উপকারী ঈদের মতো ভিড় টার্মিনালে, রিকুইজিশনে বাস সংকট তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন গাঙ্গুলী নিষিদ্ধ মারণাস্ত্রের ব্যবহার, নিমেষে নিশ্চিহ্ন হাজারো মানুষ নায়িকা থেকে প্রবাসী, কেন বলিউড ছাড়েন রাগেশ্বরী শেখ হাসিনার চিন্তা এত শক্তিশালী যে শত্রুরাও তা হুবহু নকল করে ‘১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন ভোট ব্যাংক দখলে জামায়াতের ভয়ংকর নীলনকশা: ৯ আসনে সাড়ে ৪ লাখ ‘বহিরাগত’ ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ ‘জুলাই সনদের আড়ালে এলজিবিটি ও পশ্চিমা এজেন্ডা?’—না ভোটের ডাক দিয়ে আসিফ মাহতাবের সতর্কবার্তা ‘নির্যাতিত’ যুবলীগ কর্মী রিয়াদের আর্তনাদ: ‘আগামী প্রজন্ম ও দেশকে বাঁচাতে পাতানো নির্বাচন বর্জন করুন’ ণভোট, এপস্টিন, ডিপি ওয়ার্ল্ড, সোমালিল্যান্ড ও গণহত্যা* ‘অবৈধ’ নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের ডাক গোলাম রাব্বানীর পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’ পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪