মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ জুলাই, ২০২৬

মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ জুলাই, ২০২৬ |
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’। ১০ সদস্যের এ ককাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ককাসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ড. মো. ওসমান ফারুক। কো-চেয়ারম্যান হয়েছেন সংসদ সদস্য ড. মো. মাহবুবুর রহমান। এ ছাড়া ককাসের অন্য সদস্যরা হলেন- নওশাদ জমির, আন্দালিব রহমান, রাজাকারপুত্র হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আখতার হোসেন, রাজাকারপুত্র মীর আহমাদ বিন কাসেম, নিপুণ রায় চৌধুরী, সানজিদা ইয়াসমিন এবং মারদিয়া মমতাজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ককাসটির মূল লক্ষ্য

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার করা, দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, গণতন্ত্র, সুশাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সহযোগিতা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা। এদিকে, সম্প্রতি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘এ ফ্রিডম ২৫০ মিউজিক্যাল পারফরম্যান্স’ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ-এর নাম যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ককাসটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, বিদেশি কোনো রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে সংসদীয় ককাস গঠন নতুন নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টে বিভিন্ন রাষ্ট্র বা অঞ্চলভিত্তিক ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ বা পার্লামেন্টারি

ককাস রয়েছে, যেগুলোর উদ্দেশ্য মূলত সংসদীয় কূটনীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা। তবে এসব ককাসের কার্যক্রম, স্বচ্ছতা এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিয়েও সময়ে সময়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ককাসটির কার্যক্রম কতটা জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত হবে এবং সংসদীয় কূটনীতিতে কী ধরনের ভূমিকা রাখবে, সেটিই হবে পর্যবেক্ষণের বিষয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঘূর্ণিঝড় ‘বাভিতে’ ফিলিপাইনে নিহত ১৮, আঘাত হেনেছে চীনে দেশে সবচেয়ে বেশি ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ঢাকায় হরমুজ প্রণালি এড়াতে যৌথ পাইপলাইন পরিকল্পনা চট্টগ্রামের ৫ জেলায় ৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে ডলারের দাম ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সূচিতেই ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অভিবাসী আটক নকল ব্যান্ডেজ পরে আদিবাসীদের ওপর হামলাকারী সেই ইনসাফ নেতা এবার হিন্দুদের দেশছাড়া করার উস্কানিতে সরব ৬ দিন পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রদের চেয়ে বহুদূর এগিয়ে ছাত্রীরা: বৃত্তিপ্রাপ্তরা কত টাকা পাবে? মা নেই, বাবার পরিচয় নেই—হামে একে একে ঝরে গেল ছোটমণি নিবাসের ৫ শিশুর প্রাণ মসজিদ ভাড়া নিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের গুপ্ত কর্মশালা, ধাওয়া দিয়ে তাড়ালেন স্থানীয়রা ইউনূস-নূরজাহানের বিরুদ্ধে সেই অসহায় পিতার মামলার আবেদন খারিজ, নিভৃতে কাঁদছে বিচারের বাণী প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মাকে দিয়ে ভুয়া গুম-খুনের মামলা, আত্মগোপনে ২ বছরে বিয়ে-সংসার! ১২ জুলাই, বহদ্দারহাট: ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে ব্রাশফায়ারে হত্যা করে জঙ্গি সংগঠন শিবিরের কিলাররা চিফ প্রসিকিউটর: শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই ঢামেক ও অমর একুশে হলের ফুটপাত থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার আবারও বন্যা, আবারও ঢাবিতে ত্রাণের অর্থ উত্তোলনের হিড়িক: তীব্র ক্ষোভ সাধারণ মানুষের ‘লাল কার্ডের কোনো যৌক্তিকতা ছিল না’, ম্যাচ হেরে বললেন সুইজারল্যান্ডের কোচ